বাণিজ্য সময় ২০৫০ সাল নাগাদ ধানের উৎপাদন কমে যাবে ১৪-১৭ শতাংশ

০৮-০১-২০১৮, ০৩:২৩

বাণিজ্য সময় ডেস্ক

fb tw
জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ২০৫০ সাল নাগাদ দেশে ধানের উৎপাদন হেক্টর প্রতি ১৪ থেকে ১৭ শতাংশ কমার আশঙ্কা করছে, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক- এডিবি ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান- বিআইডিএস। বিআইডিএস'র দাবি, কার্যকর উদ্যোগ না নিলে ২০৩০ সালের পর থেকেই কমতে থাকবে ধানের উৎপাদন। এ অবস্থায় ঝুঁকি মোকাবেলায় সক্ষম জাত উদ্ভাবন এবং তা দ্রুত কৃষকের কাছে পৌঁছে দেয়ার ওপর জোর দিয়েছে, গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি।
চলতি বছর বোরো মৌসুমের শুরুতে পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে যায় হাওর অঞ্চলের প্রায় ৪ লাখ হেক্টর ধানি জমি। কয়েক দফা বন্যায় ক্ষতির মুখে পড়ে আরও ৩১ জেলা। এতে বোরো-আউশ মিলিয়ে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১১ লাখ টন কম হয়েছে ধানের উৎপাদন। সেই সঙ্গে তাপমাত্রার হেরফেরের কারণে দেখা দিচ্ছে ব্লাস্ট রোগের আক্রমণ।
বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান বলছে, শুধু কার্বন নি:সরণের কারণেই ২০৫০ সাল নাগাদ তাপমাত্রা বাড়বে প্রায় ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর প্রভাবে বাড়বে ঝড়, বন্যা, খরা'সহ নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগ। এডিবি'র তথ্যমতে, বর্তমানে বন্যার দিক থেকে এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে বাংলাদেশ। শুধুমাত্র বন্যার কারণে ২০৫০ সাল নাগাদ বাংলাদেশে বছরে ধানের গড় উৎপাদন কমবে ৩.৯ শতাংশ।
শুধু বন্যা নয়; তাপমাত্রা বৃদ্ধি সরাসরি প্রভাব ফেলবে ধানের উৎপাদনে। বিআইডিএস'র দাবি, তাপমাত্রা এক ডিগ্রি বাড়লে আমন ও আউশের উৎপাদন হেক্টর প্রতি কমবে প্রায় এক থেকে দেড় টন। আর বুয়েট বলছে, দেড় ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বাড়লে বছরে আমন ও বোরো মিলিয়ে দেশে ধানের উৎপাদন কমবে প্রায় ১৫ শতাংশ বা ৫০ লাখ টন।
তাপমাত্রা বাড়লে খরাপ্রবণ হয়ে পড়বে দেশের উত্তরাঞ্চল। অন্যদিকে উপকূলীয় এলাকা প্লাবিত হওয়ায় বাড়বে লবণাক্ততা। এডিবি'র হিসেবে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ৬৫ সেন্টিমিটার বাড়লে ক্ষতিগ্রস্ত হবে ওই অঞ্চলের চাষযোগ্য জমির ৪০ ভাগ। বাংলাদেশ পরমাণু ধান গবেষণা কেন্দ্র ও ব্রি মিলে এপর্যন্ত ঝুঁকি মোকাবেলায় সক্ষম ২২টি জাত উদ্ভাবন করেছে।
কৃষিবিদরা বলছেন, বীজ ব্যবস্থাপনায় দুর্বলতার কারণে ধানের নতুন জাত উদ্ভাবনের সুফল পুরোপুরি পাচ্ছে না বাংলাদেশ। তাই বীজ ব্যবস্থাপনা ঢেলে সাজানোর পরামর্শ তাদের।
খরা সহিষ্ণু-৩টি লবণ সহিষ্ণু-১১টি, বন্যা সহিষ্ণু-৩টি ঠাণ্ডা সহিষ্ণু-৩টি।
১. ব্রি-৫৬ ১. বিআর-২৩ ব্রি-৫১ ব্রি-৩৬,
২.ব্রি-৬৬ ২. ব্রি- ৪০ ব্রি-৫২ ব্রি-৫৫,
৩.ব্রি-৭১ ৩. ব্রি-৪১ ব্রি-৭৯ ব্রি-৬৯
৪.ব্রি-৫৭ ৪.ব্রি-৫৩
৫.ব্রি-৬২ ৫.ব্রি-৫৪
৬. ব্রি-৭৩
৭. ব্রি-৪৭
৮.ব্রি-৬১
৯.ব্রি-৬৭
বিনা-৮
বিনা-১০
সূত্র: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইন্সটিটিউট

করোনা ভাইরাস লাইভ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
এক্সক্লুসিভ লাইভ
বিপিএল ২০২০

করোনা ভাইরাস লাইভ

আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop