বাণিজ্য সময় জেটি ও যন্ত্র সংকটে চট্টগ্রাম বন্দরে বেড়ে চলেছে জাহাজ জট

০২-০১-২০১৮, ১০:১৩

কমল দে

fb tw
জেটি এবং যন্ত্রপাতি সংকটের পাশাপাশি পণ্য খালাসে ধীর গতির কারণে চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজ জট সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে কন্টেইনারবাহী জাহাজগুলো বন্দরের জেটিতে পণ্য খালাসের সুযোগ পেলেও বাল্ক জাহাজগুলোকে বহির্নোঙ্গরে দিনের পর দিন অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এতে অতিরিক্ত মাশুল গুণতে হচ্ছে আমদানিকারকদের। বন্দর এবং বন্দরের বহির্নোঙ্গরে বর্তমানে একশ'র বেশি জাহাজ পণ্য খালাসের অপেক্ষায় রয়েছে।
সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রাম বন্দর বহির্নোঙ্গরে অবস্থানরত জাহাজের সংখ্যা ১৬৫ টি। এরমধ্যে বন্দরে প্রধান ১৬ টি জেটির পাশাপাশি বহির্নোঙ্গরে জাহাজ রয়েছে ১৩৯ টি। পর্যাপ্ত পরিমাণ জেটি না থাকায় কন্টেইনারবাহী জাহাজগুলোকে দীর্ঘসময় ধরে বহির্নোঙ্গরে অবস্থান করতে হচ্ছে। আর নানা জটিলতা থাকার কারণে অপেক্ষা করতে হচ্ছে বাল্ক পণ্যবাহী জাহাজগুলোকেও।
বাংলাদেশ শিপিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন-এর চেয়ারম্যান আহসানুল হক চৌধুরী বলেন, ‘এখানে পণ্য খালাস করার জন্য পর্যাপ্ত জেটি নাই। জেটি না থাকার কারণে জাহাজগুলোকে অপেক্ষা করে ভিড়তে হয়। এখন গড় অবস্থান ২০ দিনের উপরে। এটার প্রভাবে জাহাজ মালিকদের ড্যামারেজ গুণতে হয়।’
চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স এর সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন, ‘বিগত ছয় মাস ধরে চট্টগ্রাম বন্দরে মাদার ভেসেলের জট কন্টিনিউ করছে। দশ হাজার ডলার থেকে ২৪ হাজার ডলার পর্যন্ত আমাদের ড্যামারেজ গুণতে হয়।’
কয়েক দশকেও যেমন চট্টগ্রাম বন্দরে জেটির সংখ্যা বাড়েনি, তেমনি সংযোজন হয়নি কন্টেইনার ওঠানামার কাজে ব্যবহৃত অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি। ফলে আমদানিকারকদের ভোগান্তি আরও বেড়েছে।
বাংলাদেশ ফ্রেইট ফরোয়ার্ড অ্যাসোসিয়েশনের পরিচালক খায়রুল আলম সুজন বলেন, ‘ইন্সট্রমেন্টগুলো ভালোভাবে কাজ করতে পারছেনা বলেই তো ডেলিভারিতে সময় লেগে যাচ্ছে। কন্টেইনার মুভমেন্টে সময় লেগে যাচ্ছে।’
বাংলাদেশ শিপিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের পরিচালক ওয়াহিদুল আলম বলেন, ‘পাওয়ার জেনারেশনের প্রজেক্টগুলো হচ্ছে- এগুলোর জন্য প্রচুর আমদানি হচ্ছে। ভালো ভালো, বড় ইকুইপমেন্ট আসছে। সেটা বন্দরের জন্য খুবই কঠিন কাজ।’ 
তবে কয়েক মাসের মধ্যে ৬ টি গ্যানট্রি ট্রেনসহ অত্যাধুনিক যন্ত্রপতি কেনা হচ্ছে বলে আশার বাণী শোনালেন বন্দর চেয়ারম্যান।
চট্টগ্রাম বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল খালেদ ইকবাল বলেন, ‘প্রায় সত্তরটার মতো নতুন যন্ত্রপাতি ক্রয় করেছি। তাতে আমাদের সক্ষমতা অনেক বেড়েছে। গ্যানট্রি ট্রেনের কন্ট্রাক্ট সাইন হয়েছে। আগামী সেপ্টেম্বর-অক্টোবরের মধ্যে ইনশাল্লাহ ৬ টা গ্যানট্রি ট্রেন আমাদের ফ্লিটে যোগ হবে।’ 
চট্টগ্রাম বন্দরে বর্তমানে গড়ে বছরে আড়াই হাজারের বেশি জাহাজ আসছে। কন্টেইনার হ্যান্ডেলিং-এর পরিমাণও বিশ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। 

করোনা ভাইরাস লাইভ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
এক্সক্লুসিভ লাইভ
বিপিএল ২০২০

করোনা ভাইরাস লাইভ

আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop