খেলার সময় ভারতের বিপক্ষে পাকিস্তানের ঐতিহাসিক এক দিন

১৯-১১-২০১৭, ২৩:২৭

মামুন শেখ

fb tw
ভারতের বিপক্ষে পাকিস্তানের ঐতিহাসিক এক দিন
১৯৪৭ সালে আলাদা হয়ে যাবার পর বেশ কয়েক বার সরাসরি যুদ্ধে জড়িয়েছে ভারত এবং পাকিস্তান। এশিয়ার এ দুই পরাশক্তির রাজনৈতিক বৈরিতা উত্তাপ ছড়ায় দু'দেশের ক্রিকেট 'যুদ্ধেও'। ভদ্রলোকের এ খেলায় সম্ভবত সবচেয়ে জনপ্রিয় 'লড়াই' ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ।
টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়ার পর 'চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী' ভারতকেই প্রথম প্রতিপক্ষ হিসেবে পায় পাকিস্তান। ১৯৫২ সালে অভিষেক সিরিজের আব্দুল কাদিরের নেতৃত্বে শক্তিশালী দলই পাঠায় পাকিস্তান। পাঁচ ম্যাচের টেস্ট সিরিজটি বিনদ মনকাড়, গোলাম আহমেদ, লালা অমরনাথ, বিজয় হাজারেদের কাছে  ২-১ এ হারে ফজল মোহাম্মদ, ইমতিয়াজ আহমেদ, হানিফ মোহাম্মদরা।
১৯৫৫ সালে প্রথম পাকিস্তান সফরে যায় ভারত। সেবার পাঁচটি টেস্টই ড্র হয়েছিলো। সিরিজের প্রথম ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়েছিলো বাংলাদেশের (তখনকার পূর্বপাকিস্তান) ঢাকায়। ১৯৬০-৬১ সালের পাকিস্তানের ভারত সফরও ছিলো একেবারেই সাদামাটা। কোন অধিনায়কই ঝুঁকি নিতে রাজি ছিলেন না। স্লো স্কোরিং সিরিজটি ড্র হয় ৫-০ তে।
১৯৬৫ সালে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে দু'দেশ। ফলে ব্যাট বলের লড়াইটা আর মাঠে গড়ায় না। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে ভারতের সমর্থন সেই আগুনে আবারো ঘি ঢেলে দেয়। ক্রিকেট বিশ্বের দুই পরাশক্তির মুখ দেখাদেখি বন্ধ থাকে প্রায় ১৮ বছর।
তবে শত বৈরিতাকে দূরে সরিয়ে ১৯৭৮ সালে ভারতীয় ক্রিকেট দলকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানায় পাকিস্তান। তবে করাচিতে তিন ম্যাচ সিরিজের শেষ টেস্ট জিতে ইতিহাস লেখে পাকিস্তান। ভারতের বিপক্ষে প্রথম সিরিজ জয়ের স্বাদ পায় মুস্তাক মোহাম্মদের দল। প্রথম ইনিংস সুনীল গাভাস্কারের সেঞ্চুরিতে ভর করে ৩৪৪ রান সংগ্রহ করে বিষাণ বেদীর নেতৃত্বাধীন ভারত। তবে জাভেদ মিয়াদাদের সেঞ্চুরিতে ৪৮১ রানে ইনিংস ঘোষণা করে পাকিস্তান। প্রথম ইনিংসে স্বাগতিকদের লিড দাঁড়ায় ১৩৭। দ্বিতীয় ইনিংসে ইমরান খান, সরফরাজ নওয়াজদের বোলিং তাণ্ডব মোকাবেলা করে আবারো সেঞ্চুরি হাঁকান গাভাস্কার। খেলেন ১৩৭ রানের অনবদ্য ইনিংস। গাভাস্কারের সেঞ্চুরি আর মাহিন্দ্র অমরনাথের ৫৩ রান ছাড়া আর কেউ সেভাবে দাঁড়াতেই পারেনি। সফরকারীরা ৩০০ রানে অলআউট হলে পাকিস্তানের লক্ষ্য দাঁড়ায় মাত্র ১৬৪। ১৯৭৮ সালের আজকের দিনে (১৯ নভেম্বর) মাজিদ খান এবং আসিফ ইকবালকে হারানোর পর ইমরান খানকে সঙ্গে নিয়ে ইতিহাস গড়েন জাভেদ মিয়াদাদ। মাত্র ২৪.৫ ওভারেই লক্ষ্যে পৌঁছে পাকিস্তান। ৬২ রানে অপরাজিত থাকেন মিয়াদাদ।
এরআগে কোয়েটায় প্রথম টেস্ট ড্র হয়। ফলে টানা ১৩ টেস্ট ড্র করে দু'দল। শিয়ালকোটে জহির আব্বাসের ডাবল সেঞ্চুরিতে দ্বিতীয় টেস্ট জিতে নেয় পাকিস্তান।
ঘরের মাঠে গোটা সিরিজেই আধিপত্য দেখায় পাকিস্তান। পাঁচ ইনিংসে ৫৮৩ রান করেন জহির আব্বাস। দুইটি সেঞ্চুরি তুলে নেন জাভেদ মিয়াদাদ। অপরদিকে সুনীল গাভাস্কার দুইটি দারুণ শতক হাঁকালেও তা যথেষ্ট ছিলো না ভারতের জন্য। ইমরান খান এবং সরফরাজ নওয়াজ তুলেন নেন যথাক্রমে ১৪ এবং ১৭টি উইকেট। অন্যদিকে পাকিস্তানকে কোন ইনিংসেই অলআউট করতে পারেননি কপিল দেব, বিষাণ বেদীরা।
/এসএম

করোনা ভাইরাস লাইভ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
এক্সক্লুসিভ লাইভ
বিপিএল ২০২০

করোনা ভাইরাস লাইভ

আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop