বিনোদনের সময় সিঁথির 'কাপ সং' এর ইতিকথা

১৬-১১-২০১৭, ১২:২৯

মামুন শেখ

fb tw
অবন্তী দেব সিঁথি। নতুন করে পরিচয়ের কিছু নেই। একটু আধটু বাংলা গান শোনেন অথচ অবন্তী সিঁথিকে চেনেন না এমন লোক খুঁজে পাওয়া ভার।
সম্প্রতি সময় নিউজের লাইভ অনুষ্ঠানে এসেছিলেন এ সংগীত শিল্পী। অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে দুটি কাপ দিয়ে মূর্ছণা। সঙ্গে গাইলে 'স্মৃতি না স্বপ্ন কোন দিকে যাই...' গানটি। এমন ভিন্নধর্মী মিউজিকের সঙ্গে গান সিঁথির এটাই প্রথম না। ইউটিউবে তাঁর 'কাপ সং' তো রীতিমতো ভাইরাল।
অনুষ্ঠান শেষে কৌতূহলী মনের জিজ্ঞাসা, কাপ বাজিয়ে গান গাওয়ার চিন্তাটা আনলেন কিভাবে?
সিঁথি বলেন, 'পড়াশোনা শেষ করার পর বাসায় প্রচুর অবসর সময় পেতাম। আমার আবার ইউটিউব রোগ আছে। সারাদিন ইউটিউবে বসে থাকি। একদিন হঠাৎ এমন একটা ভিডিও আমার চোখে পড়ে। তখন ভাবি, যদি কাপ দিয়ে এমন কিছু হতে পারে তবে সবকিছু দিয়েই সম্ভব।'
এরপরেই ইউটিউবে 'অবন্তী সিঁথি' নামে একটি চ্যানেল খুলে ফেলেন সুরের এ ফেরিওয়ালা। যার থিম হলো 'এনিথিং ক্যান বি ইনস্ট্রুমেন্ট' বা সবকিছুই হতে পারে বাদ্যযন্ত্র।
এই 'কাপ সং' ভাইরাল হওয়ার পেছনে ভাগ্যকেও বড় কৃতিত্ব দিচ্ছেন সিঁথি। 'আমার তখন ইউটিউব চ্যানেল ছিলো না। একটা ফেইসবুক পেজ ছিলো। এরপর একটা ছোট্ট ভিডিও বানিয়েছিলাম 'কেন এই নিঃসঙ্গতা...' গানের। বিভিন্ন ভাষার গানগুলো আগে অনেকেই কাপ দিয়ে চেষ্টা করেছে। আমি ভাবলাম, তাহলে বাংলা গান হবে না কেন? এরপর আমি ভিডিওটি বানালাম এবং ফেসবুক পেজে আপলোড করলাম। তখনো ভাবিনি এটা এতটা জনপ্রিয় হবে। আসলে জনপ্রিয় পেজগুলো এই ভিডিওটা নিয়ে ভাইরাল করে দিয়েছে।'
সিঁথির মতে, দেশের অডিওর বাজার ভালো না। ফলে এই ইউটিউব চ্যানেলটি একদিকে যেমন আর্থিক সুবিধা দিচ্ছে অপর দিকে খ্যাতিও এনে দিচ্ছে। হাতের মোবাইল ফোনটি দেখিয়ে অবন্তী বলেন, 'এই ফোনটা দিয়ে বানানো একটি ভিডিও পৌঁছে গেছে ওপার বাংলায়।' আর সেই ভিডিওর বদৌলতে কলকাতার জি বাংলা টেলিভিশনের 'সারে গা মা পা' অনুষ্ঠানে অতিথি শিল্পী হিসেবে পারফর্ম করেও এসেছেন তিনি।
গেল বছর জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রসায়নশাস্ত্রে স্নাতকোত্তর শেষ করেছেন। বর্তমানে একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন। আরো ভালো চাকরির চেষ্টাও নাকি করছেন সিঁথি।
ভালো চাকরি খুঁজছেন! শুধু গানেই জোর দিচ্ছেন না কেন? জবাবে কিছুটা আক্ষেপই ঝরলো সিঁথির কন্ঠে, 'বাংলাদেশে পৃষ্ঠপোষকতার মানুষের অভাব। আমি যেটা ফেস করেছি।'
তবে যে পেশাতেই যুক্ত হোন না কেন, সুরের জাদু ছড়াতে চান সারা জীবন। ভবিষ্যতের পরিকল্পনা জানতে চাইলে একরাশ হাসি দিয়ে অবন্তী জানান, নিজের ইউটিউব চ্যানেলটিকে সমৃদ্ধ করা এবং বিভিন্ন বিষয় আরো পরীক্ষা-নিরীক্ষার কথা। এছাড়া বিভিন্ন অ্যালবামের কাজ এবং স্টেজ শোগুলোও চালিয়ে যেতে চান।
গানের সঙ্গে অবন্তীর সখ্য ছোটবেলা থেকেই। স্কুল এবং কলেজ জীবনে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গান গেয়ে তারকা খ্যাতি পেয়েছেন জামালপুরের মেয়ে অবন্তী। ২০০৩ ও ২০০৪ সালে লোক ও নজরুলসংগীতে জাতীয় পুরস্কার পেয়েছেন। এ ছাড়া ২০০৫ সালে ক্লাসিক্যাল ও লোকসংগীতেও পেয়েছেন ওস্তাদ আলাউদ্দিন খান স্বর্ণপদক। তবে সবচেয়ে বড় তারকাখ্যাতি পেয়েছেন ২০১২ সালে। টেলিভিশনে সংগীতশিল্পী খোঁজার প্রতিযোগিতা ক্লোজআপ ওয়ানে তিনি ছিলেন সেরা দশের একজন।
/এসএম

করোনা ভাইরাস লাইভ

আরও সংবাদ

stay home stay safe
বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
এক্সক্লুসিভ লাইভ
বিপিএল ২০২০

করোনা ভাইরাস লাইভ

আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop