ভ্রমণ ঘুরে আসুন ভারতের অপূর্ব কিছু স্থাপত্য নিদর্শনে

২৩-১০-২০১৭, ২০:২২

ভ্রমণ সময় ডেস্ক

fb tw
ঘুরে আসুন ভারতের অপূর্ব কিছু স্থাপত্য নিদর্শনে
09
আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারত। এখন ভারতে যাওয়া কঠিন কিছু নয়। খুব সহজেই ঘুরতে চলে যাওয়া যায় এই দেশে। ভারত এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে বৈচিত্র্যময় একটি দেশ ভারত। এই দেশে নেই এমন কণ কিছু নেই। আছে বিশাল মরুভূমি, রয়েছে বরফের দেশ কাশ্মীর-দার্জিলিং, রয়েছে বিশাল বন, রয়েছে উজাড় করা মাঠ। তো যারা ভ্রমণের জন্য ভারত যেতে চাচ্ছেন, তাদের জন্য থাকলো ভারতের অপূর্ব কিছু স্থাপত্য নিদর্শন।
তাজমহল
পৃথিবীর সপ্তাশ্চর্যগুলোর মাঝে তাজমহল অন্যতম। এটি একাধারে স্ত্রীর প্রতি সম্রাট শাহজাহানের ভালোবাসা এবং মুঘল স্থাপত্যের অপূর্ব নিদর্শন। তাজমহল মূলত একটি সমাধি প্রাসাদ। সম্রাট শাহজাহান তার প্রিয়তমা স্ত্রী মমতাজ বেগমের স্মৃতিকে অমর করে রাখতে ১৬৩২ খ্রিস্টাব্দে তাজমহল তৈরির কাজ শুরু করেন। ১৬৪৮ সালে এর নির্মাণকাজ শেষ হয়।
যেভাবে যাবেন: বাংলাদেশ থেকে তাজমহল দেখতে যেতে চাইলে রেলপথ হতে পারে দারুণ সহজ এবং সাশ্রয়ী মাধ্যম। তবে ট্রেনের ঝক্কি পোহাতে না চাইলে বিমান পথেও যেতে পারেন। আর হ্যাঁ, তাজমহল গেলে অবশ্যই আগ্রা ফোর্ট, ফতেহপুর সিক্রি, যমুনা নদী, সম্রাট আকবরের সমাধি দেখে আসতে ভুলবেন না। এগুলো খুব কাছাকাছিই অবস্থিত।
কোনারকের সূর্যমন্দির
ভারতের ওড়িশা রাজ্যের পুরীর উত্তর-পূর্ব দিকে অবস্থিত কোনারকের সূর্যমন্দির খুবই বিখ্যাত। মূলত সূর্যদেবতার উদ্দেশ্যে প্রণতি জানাতেই এই মন্দির নির্মাণ করা হয়। এটি প্রাচীন ভারতীয় স্থাপত্যের ঐশ্বর্য এবং রুচিশীলতার এক উজ্জ্বল সাক্ষী। মন্দিরটি প্রায় ২২৮ ফুট উঁচু। ওড়িশার রাজা নরসিংহ দেব ১২৪৩ থেকে ১২৫৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে এই মন্দির নির্মাণ করেন। প্রায় ১,২০০ শ্রমিক টানা ১২ বছরের পরিশ্রমে এই মন্দির গড়ে তোলে। মন্দিরটিকে সূর্য দেবতার রথ ভাবা হত এবং সেই আদলেই এটি তৈরি।
যেভাবে যাবেন: বাংলাদেশ থেকে সরাসরি কলকাতা গিয়ে সেখান থেকে ট্রেনে করে পুরী। পুরী থেকে ওড়িশা ট্র্যাভেল বাসে করে কোনারকের সূর্যমন্দির।
টিপু সুলতানের প্রাসাদ
ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বিরুদ্ধে দারুণ প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন মাইসোরের সম্রাট টিপু সুলতান। মাইসোর বর্তমান কর্ণাটক রাজ্যে অবস্থিত। ব্যাঙ্গলোর  শহরে রয়েছে টিপু সুলতানের গ্রীষ্মকালীন প্রাসাদ। এটি ফরাসি স্থাপত্য রীতিতে তৈরি একটি কাঠের দোতলা প্রাসাদ। বর্তমানে এটির সাথে একটি ছোট্ট জাদুঘর রয়েছে যাতে সংরক্ষিত আছে সুলতানের ব্যবহৃত তরোয়াল, টাইগার অর্গান সহ বেশকিছু নিদর্শন।
যেভাবে যাবেন: গ্রীষ্মকালীন প্রাসাদ ব্যাঙ্গালোর শহরের ভেতরেই। অটো, উবার বা বাসে করে যেতে পারেন।
খাজুরাহোর ভালোবাসার মন্দির
মধ্যপ্রদেশের অন্তর্গত চত্তরপুর জেলার খাজুরাহো গ্রামটি মন্দিরের জন্য বিখ্যাত। খ্রিস্টীয় দশম থেকে দ্বাদশ শতকে খাজুরাহো গ্রামে বহু সংখ্যক মন্দির প্রতিষ্ঠিত হয়। মন্দিরগুলো ইন্দো-আর্য স্থাপত্য রীতির। প্রতিটি মন্দিরের কেন্দ্রস্থলে রয়েছে একজন করে পূজ্য দেবতার প্রতিমূর্তি। বেশিরভাগ মন্দিরই প্রাকৃতিক দুর্যোগ, শত্রুর আক্রমণসহ বিভিন্ন কারণে ধ্বংস হয়ে গেছে। বর্তমানে সর্বসাকুল্যে প্রায় ২০টি মন্দির টিকে আছে।
যেভাবে যাবেন: অক্টোবর থেকে ফেব্রুয়ারি খাজুরাহো ভ্রমণের উপযুক্ত সময়। কেননা এ সময় আবহাওয়া শীতল থাকে। খাজুরাহো যেতে পারেন আকাশ পথে কিংবা ট্রেনে করে। খাজুরাহো বিমানবন্দরটি নিদর্শন স্থান থেকে খুব বেশি দূরে নয়। শহরে পৌঁছে সেখান থেকে ট্যাক্সি বা অটো করে যেতে পারেন। খাজুরাহো গেলে অজয়গড় দুর্গ আর বান্ধবগড় জাতীয় উদ্যান ঘুরে আসতে পারেন। এগুলোর দূরত্ব খাজুরাহো থেকে খুব বেশি দূর নয়।
এছাড়াও ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল, কুতুব মিনার, দাক্ষিণাত্যের মহাবলিপুরমের মন্দির, তাঞ্জোরের মন্দির সহ সমগ্র ভারতে আরও অনেক প্রাচীন স্থাপত্য সমৃদ্ধ নিদর্শন রয়েছে। সময় সুযোগ মিলে গেলে ঘুরে আসতেই পারেন।

করোনা ভাইরাস লাইভ

আরও সংবাদ

করোনা ভাইরাস লাইভ ›

লাইভ অনুষ্ঠান বুলেটিন ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
সর্বশেষ সংবাদ
অনুসদ্ধান
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop