বাংলার সময় ত্রাণ নিতে রোহিঙ্গাদের পরিচয়পত্র প্রদর্শণ বাধ্যতামূলক করছে সরকার

২৩-১০-২০১৭, ০৯:৪৫

কমল দে

fb tw
মিয়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গাদের নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি নিবন্ধনে যুক্ত করতে এবার ত্রাণ নেয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকারের দেয়া পরিচয়পত্র প্রদর্শন বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। নিবন্ধন কার্ড দেখিয়েই সেনাবাহিনী নিয়ন্ত্রিত টেকনাফ এবং উখিয়ার ১২টি পয়েন্ট থেকে তাদের ত্রাণ সংগ্রহ করতে হবে। উখিয়াতে এখন পর্যন্ত পুরোপুরি সফল না হলেও ইতোমধ্যে টেকনাফে এ পদ্ধতি বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
৬ লাখের বেশি রোহিঙ্গা নতুনভাবে বাংলাদেশে এসেছে বলে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন সংস্থাগুলো জানালেও প্রকৃত সংখ্যা কত তা কেউ জানে না। এ অবস্থায় প্রকৃত সংখ্যা জানার জন্য সরকার নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরু করলেও এ ব্যাপারে রোহিঙ্গাদের মধ্যে নিরুৎসাহিত ভাব রয়েছে। নিবন্ধনের আওতায় আনা না গেলে রোহিঙ্গাদের নিয়ন্ত্রণে রাখা অনেকটা দুরূহ বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।
উখিয়া কুতুপালং শরণার্থী শিবিরের ইনচার্জ রেজাউল করিম বলেন, এখন আমরা জানতে পারছি না যে ঠিক কতজন রোহিঙ্গা এখানে আছে। নিবন্ধন কার্যক্রম শেষ হলে তাদের সংখ্যা জানার পাশাপাশি ত্রাণ বিতরণও সহজ হবে।
রোহিঙ্গারা দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে যেতেই নিবন্ধনে আগ্রহ দেখাচ্ছে না। এ অবস্থায় তাদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রশাসন ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমকেই কাজে লাগানোর চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করে উখিয়ার নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ নিকারুজ্জামান বলেন, তাদের নিবন্ধনের আওতায় নিয়ে আসা সম্ভব হলে শৃঙ্খলা রক্ষার কাজটি সহজ হবে। 
ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে সেনাবাহিনী যুক্ত হওয়ার পর রোহিঙ্গাদের একটি করে টোকেন দেয়া হতো। দ্বিতীয় পর্যায়ে পরিবারের সদস্যদের ছবিযুক্ত রেশন কার্ড করা হয়। তবে এখন টেকনাফের ছয়টি ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রে রেশন কার্ডের পাশাপাশি নিবন্ধন কার্ডকেও বাধ্যতামূলক করা হয়েছে বলে জানিয়ে টেকনাফের নয়াপাড়া ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রের ইনচার্জ ক্যাপ্টেন তানজুম বলেন, ত্রাণ বিতরণের জন্য যে কার্ড দেওয়া হচ্ছে সেগুলোতে আঙ্গুলের ছাপ নেওয়া হচ্ছে। পরবর্তীতে তাদের মধ্যে আলাদাভাবে রেশন কার্ড বিতরণ করা হবে।
রোহিঙ্গারা বলছেন, এই কার্ডের পর তারা নিত্য প্রয়োজনীয় সকল দ্রব্যই পাচ্ছেন ত্রাণ সহায়তা হিসেবে।
রোহিঙ্গারা যাতে দ্রুত নিবন্ধন কার্ড পায় সেজন্য ৭০টি বুথে পাসপোর্ট অধিদপ্তর রোহিঙ্গাদের নিবন্ধন কার্যক্রম পরিচালনা করছে বলে জানিয়ে পাসপোর্ট অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সালমান তারিক বলেন,  ছয়টি ক্যাম্পে নিবন্ধন কার্যক্রম চলছে। সরকার আরও ক্যাম্প বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।
গত দেড় মাসে উখিয়ার ৪টি এবং টেকনাফের দু’টি কেন্দ্র থেকে মোট ২ লাখ ৩৩ হাজার রোহিঙ্গাকে নিবন্ধনের আওতায় আনা হয়েছে। আর প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত ১২টি পয়েন্টে রোহিঙ্গাদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করছে সেনাবাহিনী। 

করোনা ভাইরাস লাইভ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
এক্সক্লুসিভ লাইভ
বিপিএল ২০২০

করোনা ভাইরাস লাইভ

আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop