খেলার সময় পার্লে হেরেছে বাংলাদেশ, জিতেছে সমর্থকরা

১৮-১০-২০১৭, ২২:২৫

মামুন শেখ

fb tw
পার্লে হেরেছে বাংলাদেশ, জিতেছে সমর্থকরা
ম্যাচের অষ্টম ওভারে তাসকিনের একটি বল ডি ককের লেগ দিয়ে বের হয়ে যায়। বিশাল ওয়াইড। বাম দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে সেটি গ্লাভসে পুরে নেন মুশফিক। উল্লাসে মেতে উঠে বাংলাদেশের সমর্থকরা। কোন ছক্কা হাঁকাননি মুশফিক, কিংবা চোখের পলকে স্ট্যাম্পও ভেঙে ফেলেননি। একটি চার বাঁচিয়েছেন টাইগার উইকেটকিপার। আর তাতেই বাংলাদেশী সমর্থকদের যে উদযাপন তা আমলা-ডি ভিলিয়ার্সদের দর্শনীয় সব বাউন্ডারির পরেও শোনা যায়নি।
কথায় আছে- ঢেঁকি স্বর্গে গেলেও ধান ভানে। আর বাঙালিরা যেখানেই যাক ক্রিকেটই তাঁদের প্রথম প্রেম। সেটাই প্রমাণ হয়েছে পার্লের বোল্যান্ড পার্কে। সাকিব-রুবেলদের উইকেট নেওয়ার পর বাংলাদেশী সমর্থকদের শ্লোগান প্রতিধ্বনিত হয়েছে পার্লের পাহাড়ে পাহাড়ে। অথচ নিজের দেশের ক্রিকেটারদের সাফল্যে শোনা গেছে দক্ষিণ আফ্রিকানদের গড়পড়তা উচ্ছ্বাস।
দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রায় এক লক্ষ বাংলাদেশীর বাস। সামান্য কিছু বাদে প্রায় সবাই শ্রমিক। বেশিরভাগই থাকেন রাজধানী কেপটাউনে কিংবা এর আশপাশে। এদিকে তিন ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে মাশরাফিরা খেলেছেন পার্লের বোল্যান্ড পার্কে। কেপটাউন থেকে ৮০ কিলোমিটার দূরের এ অঞ্চলে বাংলাদেশীর বাস খুবই কম। কিন্তু তাতে কি! দূর দূরান্ত থেকে মাশরাফিদের সমর্থন জানাতে ছুটে এসেছেন টাইগার সমর্থকরা।
অনিন্দ্য প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা বোল্যান্ড পার্ক স্টেডিয়ামটি তেমন উন্নত নয়। দর্শক ধারণক্ষমতা মাত্র দশ হাজারের মতো। কানায় কানায় পরিপূর্ণ না হলেও এদিন দর্শকের উপস্থিতি মন্দ ছিলো না। তবে অবাক করার মতো বিষয় হলো, ঘরের মাটিতে দক্ষিণ আফ্রিকার দর্শকের চেয়ে সম্ভবত বাংলাদেশের সমর্থকই বেশি ছিলো।
কিম্বার্লিতে সিরিজের প্রথম ওয়ানডে হয়েছিলো রোববার। স্থানীয়ভাবে ছিলো সাপ্তাহিক ছুটির দিন। তাই স্বাভাবিকভাবেই দর্শক উপস্থিতি ছিলো তুলনামূলক বেশি। যেহেতু প্রবাসী বাংলাদেশীদের বেশিরভাগই শ্রমিক। তাই ওই দিন মাঠে আসা তাদের জন্য সহজ ছিলো। কিন্তু পূর্ণ কর্মদিবসেও পার্লে হাজির হয়েছিলেন উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশী সমর্থক। টেস্টে হোয়াইটওয়াশ হওয়ার পর প্রথম ওয়ানডেতে ১০ উইকেটের বড় হারে হৃদয় ভেঙেছে টাইগার সমর্থকদের। পার্লে ভালো ফলাফলের প্রত্যাশাও খুব বেশি ছিলো না। তারপরেও তারা এসেছেন। তাদের সরব উপস্থিতি বলে দিয়েছে, জয়-পরাজয় যাই হোক আমরা আছি তোমাদের সঙ্গে।
জনপ্রিয়তার দিক থেকে দক্ষিণ আফ্রিকায় সবচেয়ে উপরে আছে রাগবি, এরপর ফুটবল। ক্রিকেটের পরাশক্তি দেশটিতে এই খেলাটির জনপ্রিয়তা তিন নম্বরে। তাই স্বাভাবিকভাবে সেদেশের নির্বাচিত দর্শকরাই আসেন ক্রিকেট মাঠে। কিন্তু বাংলাদেশীরা যে ক্রিকেট 'খায়', ক্রিকেট 'পরে' আর ক্রিকেটকেই ধারণ করে হৃদয়ে।
শের-ই বাংলা কিংবা জহুর আহমেদের উন্মাদনা নেই ঠিকই কিন্তু হাজার মাইল দূরের বোল্যান্ড পার্কে মুশফিকদের প্রতিটি রানে গলা ফাটিয়েছে সমর্থকরা। তাদের গগণবিদারী শ্লোগানে ঢাকা পড়েছে প্রোটিয়াদের বিজয় উল্লাসও।

করোনা ভাইরাস লাইভ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
এক্সক্লুসিভ লাইভ
বিপিএল ২০২০

করোনা ভাইরাস লাইভ

আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop