বাংলার সময় হাইল হাওরে স্বেচ্ছাশ্রমে ধান কেটে দিল ৩০০ সামাজিক সংগঠন

২২-০৪-২০২১, ২২:২৭

শাহ্ অলিদুর রহমান

fb tw
হাইল হাওরে স্বেচ্ছাশ্রমে ধান কেটে দিল ৩০০ সামাজিক সংগঠন
04
স্বেচ্ছাশ্রমের বিনিময়ে হাইল হাওরের বোরো ধান কেটে দিলো তিন শতাধিক বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন। এতে হাওর পাড়ের একাধিক কৃষক উপকৃত হয়ে তাদের প্রতি কৃজ্ঞতা জানিয়েছেন।
সাম্প্রতিক আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুসারে, সিলেট অঞ্চলে আকস্মিক বন্যায় হাওরের বোরো ধান ব্যাপক নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে কৃষকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। 
কৃষি বিভাগও প্রত্যন্ত এলাকায় মাইকিং করে কৃষকদের বোরো ধান কেটে ঘরে তুলতে বলেছে। এ অবস্থায় কৃষকদের ফসল রক্ষায় এগিয়ে আসেন মৌলভীবাজার শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম। 
তিনি ‘শ্রীমঙ্গল উপজেলা’ নামক ফেসবুক পেজে স্বেচ্ছাশ্রমে হাওরে ধান কাটার ঘোষণা দেন। তার এ আহ্বান ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।
শ্রীমঙ্গল উপজেলার বিভিন্ন নামের সামাজিক সংগঠন এগিয়ে আসে ধান কাটতে। এমনকি বিভিন্ন প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষকও এগিয়ে আসেন তার ডাকে সাড়া দিয়ে। 
প্রায় তিন শতাধিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা বৃহস্পতিবার (২২ এপ্রিল) মৌলভীবাজার হাইল হাওরের হাজিপুর এলাকায় জড়ো হন। 
প্রচণ্ড রোদ উপেক্ষা করে হাতে-হাত রেখে কাস্তে নিয়ে পাকা বোরো ধান কাটেন। প্রথমে শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম ধান কাটার উদ্বোধন করেন। পরে একে একে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সদস্যরা ধান কাটতে শুরু করেন। 
এতে হাইল হাওরের একদম নিচু জমির পাকা ধান মাত্র দু-ঘন্টার ব্যবধানে কাটা হয়ে যায়। উপজেলা প্রশাসন ছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের উপস্থিতিতে স্বেচ্ছাশ্রমে এভাবে ধান কাটার দৃশ্য দেখতে গ্রামের নারী-পুরুষরাও জড়ো হন। 
এক রকম উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করে। ধান কাটা সম্পন্ন হলে সংগঠনের কর্মীরা সেগুলো আবার মাথায় নিয়ে কৃষকের বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেন। 
একাধিক কৃষক জানিয়েছেন, লকডাউনের কারণে তাদের হাতে টাকা পয়সা নেই। ধান কাটা নিয়ে তারা উদ্বিগ্ন ছিলেন। প্রশাসনের এমন উদ্যোগে লোকজন ধান কেটে ঘরে তুলে দেওয়ায় তাদের অনেক উপকার হয়েছে। 
উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছেন, প্রশাসনের লোকজন ছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন কৃষকদের নিয়ে আরো কয়েকদিন স্বেচ্ছাশ্রমে ধান কেটে দেবেন। 
শ্রীমঙ্গল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিলুফার ইয়াসমিন মোনালিসা সুইটি জানান, এ বছর শ্রীমঙ্গল উপজেলায় ৯ হাজার ৬৫২ হেক্টর জমিতে বোরো চাষাবাদ হয়েছে। এর মধ্যে তিন হাজার ৭২৭ হেক্টর হাওরের নিচু জমি। এ পর্যন্ত দেড় হাজার হেক্টর জমির ধান কাটা সম্পন্ন হয়েছে।
ধান কাটা উৎসবে উপস্থিত ছিলেন শ্রীমঙ্গল উপজেলার সহকারি কমিশনার (ভূমি) নেছার আহমদ, কৃষি কর্মকর্তা নিলুফার ইয়াসমিন মোনালিসা সুইটি প্রমুখ।
 

করোনা ভাইরাস লাইভ

আরও সংবাদ

করোনা ভাইরাস লাইভ ›

লাইভ অনুষ্ঠান বুলেটিন ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
সর্বশেষ সংবাদ
অনুসদ্ধান
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop