x

আন্তর্জাতিক সময় ইউক্রেন-রাশিয়া সংকট সমাধানে পুতিনের সঙ্গে বসতে চায় জেলেন্সকি

২২-০৪-২০২১, ১০:০৪

ওমর ইনান

fb tw
ইউক্রেন-রাশিয়া সংকট সমাধানে পুতিনের সঙ্গে বসতে চায় জেলেন্সকি
01
ইউক্রেন-রাশিয়া সংকট সমাধানে সংঘাতপূর্ণ এলাকায় আলোচনার জন্য প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে আহ্বান জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলদিমির জেলেন্সকি। তবে রাশিয়ার যে কোনো হামলার জবাবে তার দেশ যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন তিনি।
নিষেধ সত্ত্বেও রাশিয়ার দক্ষিণ ও পশ্চিমাঞ্চলীয় সীমান্তে আরো সেনা সমাবেশ করার ঘোষণা দিয়েছে মস্কো। পশ্চিমা দেশগুলো শেষ সীমা অতিক্রম করলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন।
পূর্ব ইউক্রেন নিয়ে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে উত্তেজনা এখন তুঙ্গে। ২০১৪ সালে রাশিয়া যখন ক্রিমিয়া দখল করে তখন থেকেই সংকটের শুরু হয়। এরপর থেকে পূর্ব ইউক্রেনে রুশ সমর্থিত বিচ্ছিন্নতাবাদীরা ইউক্রেনের সশস্ত্র বাহিনীর সঙ্গে লড়াই করে আসছে।
তবে সাম্প্রতিক সময়ে সীমান্তে রুশ সেনা সমাবেশ নিয়ে ইউক্রেনের সঙ্গে আবারও নতুন করে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। ইউক্রেনের অভিযোগ সীমান্তে কয়েক লাখ সেনা সমাবেশ করেছে মস্কো। এ নিয়ে মুখোমুখি অবস্থানে দেশ দুটি। প্রতিনিয়ত মহড়ার মাধ্যমে যুদ্ধের হুমকি দিচ্ছে ইউক্রেন ও রাশিয়া।
সবশেষ মঙ্গলবার ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলদিমির জেলেন্সকি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়েছেন। ইউক্রেনের দনবাসে যেখানে যুদ্ধ চলছে সেখানে আলোচনায় বসতে চান তিনি। তবে রাশিয়ার যে কোনো আগ্রাসী আচরণের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়তে তার দেশ সদা প্রস্তুত বলেও জানান জেলেনস্কি।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলদিমির জেলেনস্কি বলেন, আমরা যুদ্ধ চাই না। তবে আমরা যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত। আমরা কূটনৈতিক চেষ্টার মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে চাই। যে কোনো মূল্যে আমরা ইউক্রেনের সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য প্রস্তুত। আমাদের অবস্থান পরিষ্কার, আমরা কখনোই যুদ্ধ শুরু করব না।
পূর্ব ইউক্রেনের সংঘাতের সমাধান করার প্রতিশ্রুতি দিয়েই ২০১৯ সালে ক্ষমতায় আসেন এক সময়ের কমেডিয়ান ভলদিমির জেলেন্সকি। সে লক্ষ্যে আলোচনার জন্য পুতিনকে সরাসরি আমন্ত্রণ জানান তিনি।
রাশিয়া সীমান্তে কয়েক লাখ সেনা সমাবেশ করলেও এতে তারা ভীত নন উল্লেখ করে জেলেন্সকি বলেন, ইউক্রেনের বেশ শক্তিশালী সামরিক বাহিনী রয়েছে এবং তারা বেশ সমৃদ্ধ। তবে এ লড়াইয়ে ইউরোপের পাশাপাশি পশ্চিমা দেশগুলোকে তার দেশকে সমর্থনের আহ্বান জানান।
জেলেনস্কি আরো বলেন, আমরা সৃষ্টিশীল জাতি। ধ্বংসাত্মক না, আমরা কোনো জাতি কিংবা মানুষের ওপর অত্যাচার করি না। মিস্টার পুতিন, আমি ইউক্রেনের সংঘাতপূর্ণ এলাকার যে কোনো স্থানে বসতে প্রস্তুত।
রাশিয়া বিপুলসংখ্যক সেনা সীমান্তে মোতায়েন করেছে। তারা বলছে, সামরিক মহড়া চলছে। আর বাকি পুরো বিশ্ব বলছে, এটা আসলে ব্ল্যাকমেল করা হচ্ছে। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট একবার বলেছিলেন, লড়াই অনিবার্য হলে প্রথমে আঘাত করা দরকার। কিন্তু প্রত্যেক নেতাকে বুঝতে হবে, লড়াই কখনো অনিবার্য হয় না। লড়াই হলে লাখ লাখ মানুষ বিপন্ন হন।
তবে চলমান অস্থিতিশীলতার জন্য পশ্চিমা দেশগুলোর সামরিক জোট ন্যাটোকে দায়ী করে রাশিয়ার দক্ষিণ ও পশ্চিমাঞ্চলীয় সীমান্তে আরো সেনা সমাবেশের ঘোষণা দিয়েছে রুশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই সইগু।
রাশিয়ার দাবি, পূর্ব ইউক্রেনে পরিস্থিতি ঘোলাটে করার চেষ্টা করছে কিয়েভ। যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটোর দেশগুলো কৃষ্ণসাগরে উসকানিমূলক কাজ করছে বলেও অভিযোগ করেন সের্গেই সইগু। কৃষ্ণসাগরে প্রায়ই নৌজাহাজ পাঠিয়ে থাকে ন্যাটো। ইউক্রেনের আকাশে কৌশলগত বিমান মহড়াও চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সূত্র রয়টার্স।
 

করোনা ভাইরাস লাইভ

আরও সংবাদ

করোনা ভাইরাস লাইভ ›

লাইভ অনুষ্ঠান বুলেটিন ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
সর্বশেষ সংবাদ
অনুসদ্ধান
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop