খেলার সময় ইউরোপিয়ান সুপার লিগ থেকে সরে আসায় ইংল্যান্ডের ছয় ক্লাবকে বরিস জনসনের সাধুবাদ

২২-০৪-২০২১, ০০:৪৯

খেলার সময় ডেস্ক

fb tw
সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত
04
ইউরোপিয়ান সুপার লিগ প্রজেক্ট থেকে ইংল্যান্ডের ছয় ক্লাব সরে আসায় সাধুবাদ জানিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। বুধবার (২১ এপ্রিল) নিজের অফিসিয়াল অ্যাকাউন্টে টুইট করে নিজের প্রতিক্রিয়ার কথা জানান তিনি। 
এদিকে, ইংলিশ ক্লাবগুলো সরে আসা মানেই ঝড় থেমে যাওয়া নয়। বরং তাদের ওপর নজরদারীর তাগিদ দিয়েছেন ব্রিটেনের সংস্কৃতি বিষয়ক সচিব অলিভার বওডেন।
সুপার লিগের যে ঝড় উঠেছিল ইউরোপজুড়ে, সেই তাণ্ডব আপাতত শান্ত ইংল্যান্ডে। বিতর্কিত এই লিগে অংশ নেয়ার ঘোষণা দেবার পর মাত্র ৪৮ ঘণ্টা না পেরুতেই সিদ্ধান্ত বদল করেছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, ম্যানচেস্টার সিটি চেলসিসহ ছয় ক্লাব। ইএসএল বয়কটের ঘোষণা এসেছে ইতালি ও স্পেন থেকেও।
সুপার লিগ মাঠে গড়ালে ফুটবলে একটা মেরুকরণ হত এটা বলা যায় নিশ্চিতভাবেই। আর তাই ক্লাবগুলোর এমন সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারেনি ভক্তরা। একই পথে হেঁটেছে ইংলিশ প্রশাসনও। সম্মিলিত চাপে অনেকটা বাধ্য হয়েই পিছু হটেছে সংস্কার বাদীরা। দ্রুততম সময়ে আসা এই সিদ্ধান্তকে তাই সাধুবাদ জানিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, আমি সবাইকে সাধুবাদ জানাই। কারণ এটা একটা আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত ছিল। সেটা বুঝে ক্লাবগুলো যে দ্রুততম সময়ের মধ্যে ফিরে এসেছে এটা ফুটবলের জন্যই ভালো। আমি আশা করব ভবিষ্যতে সবাই এক হয়ে কাজ করবে। তাহলেই ফুটবলটা আরও এগিয়ে যাবে।
ইংলিশ ক্লাবগুলো সরে এলেও এখনো একেবারে শেষ হয়ে যায়নি ইউরোপিয়ান সুপার লিগ সম্ভাবনা। স্প্যানিশ জায়ান্ট রিয়াল মাদ্রিদ আছে অনড় অবস্থানে। আরেক বিগ শট বার্সেলোনার অবস্থান দোদুল্যমান। তাই এখনই স্বস্তির ঢেকুর না তুলে ক্লাবগুলোর প্রতি নজরদারি রাখার পরামর্শ দিয়েছেন ব্রিটেনের সংস্কৃতি বিষয়ক সচিব।
ব্রিটেন সংস্কৃতি বিষয়ক সচিব অলিভার বওডেন বলেন, এটা অশ্বত্ব হওয়ার মতো খবর। তবে যেহেতু এই ধরনের আলোচনা তৈরি হয়েছে, তাই নির্ভার হয়ে থাকার সুযোগ নেই। কারণ ভবিষ্যতে যে আবারো এমন ধরনের জটিলতা আসবে না সে কথা কেউ বলতে পারবে না। তাই আমি বলব, যে ক্লাবগুলো এই পথে গিয়েছে তাদের ওপর নজরদারি বাড়াতে হবে।
গেল ১৯ এপ্রিল ইংল্যান্ডের ছয় ক্লাব আর ইতালি ও স্পেনের তিনটি ক্লাব একাট্টা হয়ে ইউরোপিয়ান সুপার লিগ আয়োজনের ঘোষণা দেয়। তবে ইংলিশ ক্লাবগুলো সরে যাওয়ায় সম্ভাবনা শেষ হয়ে যায় বিদ্রোহী এই লিগের।

করোনা ভাইরাস লাইভ

আরও সংবাদ

করোনা ভাইরাস লাইভ ›

লাইভ অনুষ্ঠান বুলেটিন ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
সর্বশেষ সংবাদ
অনুসদ্ধান
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop