আন্তর্জাতিক সময় আফগান নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা, তল্লাশি করে সরকার ঘনিষ্ঠদের খুঁজছে তালেবানরা

১৯-০৪-২০২১, ১২:৪০

ওয়েব ডেস্ক

fb tw
আফগান নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা, তল্লাশি করে সরকার ঘনিষ্ঠদের খুঁজছে তালেবানরা
05
আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণার মধ্যেই রোববার (১৮ এপ্রিল) দেশটিতে একই পরিবারের ৮ জনকে মসজিদে তারাবির নামাজের সময় গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। তালেবান ও আইএস জঙ্গি-অধ্যুষিত নাঙ্গারহার প্রদেশে এ ঘটনা ঘটে। এ অবস্থায় নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে, দেশটি থেকে মার্কিন সেনারা পুরোপুরি চলে গেলে নিরাপত্তাব্যবস্থার আরও অবনতি হবে কিনা। আর পরিস্থিতি বেগতিক হলে চীন হস্তক্ষেপ করবে এমনটা জানিয়েছে সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট।  
বিবিসি জানায়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণার পর শান্তির সুবাতাস বইতে শুরু করে আফগানিস্তানে। কারণ এটি বাস্তবায়িত হলে বন্ধ হবে ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা আফগান যুদ্ধ। যুক্তরাষ্ট্রের সেনা প্রত্যাহারকে এরই মধ্যে নিজেদের বিজয় বলে দাবি করেছে সশস্ত্র গোষ্ঠী তালেবান। কিন্তু প্রশ্ন থেকেই যায় মার্কিনসহ বিভিন্ন দেশের সেনারা সরে গেলে কতটুকু নিরাপদ থাকবে এশিয়ার এ দেশটি?
এ প্রশ্নই যখন বিশ্লেষক মহলে ঘুরপাক খাচ্ছে ঠিক সে সময় আফগানিস্তানে একই পরিবারের ৮ জনকে মসজিদে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। তারাবির নামাজের সময় বন্দুকধারীরা এ হামলা চালায়। আফগানিস্তানের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ নাঙ্গারহারে মসজিদে গুলিবর্ষণে তাদের মৃত্যু হয়।
নাঙ্গারহার প্রদেশে তালেবান ও আইএসের শক্ত ঘাঁটি বলে পরিচিত। অঞ্চলটিতে সমতল জমি রয়েছে। আফগানিস্তানের কৃষিখাতের জন্য এলাকাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ঘোষণা অনুযায়ী, ১১ সেপ্টেম্বর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের অবশিষ্ট আড়াই হাজার সেনা আফগানিস্তান ছাড়বে। এ ঘোষণার পর আফগানিস্তানের বিভিন্ন অঞ্চলে এরই মধ্যে তালেবানরা রাস্তায় রাস্তায় গাড়ি তল্লাশি করে সরকারের ঘনিষ্ঠদের খোঁজ করতে শুরু করেছে।
হুমকি দিয়েছে তাদের ধরে তালেবাদের নিজস্ব আদালতে বিচারের মুখোমুখি করা হবে।
এতে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আফগানিস্তান থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাদের চলে যাওয়ার পর নতুন করে নিরাপত্তা সংকট ও অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে। অনেকটা দক্ষিণ ভিয়েতনামের মতো দেশটি গৃহযুদ্ধের মুখোমুখি হতে পারে বলে আশঙ্কা তাদের।
আফগানিস্তানের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি খারাপের দিকে গেলে আর তাতে প্রতিবেশী দেশগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হলে চীন পদক্ষেপ নেবে। বিশেষ করে চীনের শিনজিয়াং প্রদেশে যদি তালেবানদের কর্মকাণ্ড কোনো হুমকির সৃষ্টি করে তাহলে আফগানিস্তানে শান্তিরক্ষী পাঠাবে চীন বলে খবর দিয়েছে সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট।
২০১৮ সালে চীন আফগান সেনাদের প্রশিক্ষণ দেয় এবং সেখানে একটি পাহাড়ি ব্রিগেড তৈরিতেও ভূমিকা রেখেছে। প্রশিক্ষণটি চীনে হয়েছিল এবং ব্রিগেড তৈরির উদ্দেশ্য ছিল পাহাড়ি অঞ্চলে আল-কায়েদা ও ইসলামিক স্টেটের সম্ভাব্য হামলা প্রতিহত করা।
 

করোনা ভাইরাস লাইভ

আরও সংবাদ

করোনা ভাইরাস লাইভ ›

লাইভ অনুষ্ঠান বুলেটিন ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
সর্বশেষ সংবাদ
অনুসদ্ধান
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop