মহানগর সময় আগরতলার বাংলাদেশ দূতাবাসে মুজিবনগর দিবস পালন

১৭-০৪-২০২১, ১৮:০৬

প্রভাষ চৌধুরী

fb tw
আগরতলার বাংলাদেশ দূতাবাসে মুজিবনগর দিবস পালন
03
যথাযোগ্য মর্যাদায় ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস পালন করেছে ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলার বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশন।
শনিবার ( ১৭ এপ্রিল) মুজিবনগর দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশন প্রাঙ্গণে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
এ দিন সকাল ১০টায় জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পণ এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের স্মরণে ০১ মিনিট নিরবতা পালনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়।
এরপর সকাল ১০টা ৫ মিনিটে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রীর দেয়া বানী পাঠ করা হয়। সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে দিবসের তাৎপর্য নিয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন অত্র মিশনের প্রথম সচিব ও দূতালয় প্রধান মো. জাকির হোসেন ভূঞা, মুক্তিযুদ্ধের সন্মাননাপ্রাপ্ত ব্যক্তিত্ব শ্রী স্বপন ভট্টাচার্য, বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিত্ব আগরতলাস্থ রামঠাকুর কলেজের অধ্যাপক ড. মো. মুজাহিদ রহমান, বিশিষ্ট সাংবাদিক সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব শ্রী অমিত ভৌমিক এবং অত্র মিশনের প্রথম সচিব (স্থানীয়) এস.এম.আসাদুজ্জামান প্রমুখ।
সন্মানিত বক্তারা উল্লেখ করেন, ১৭ এপ্রিল ঐতিহাসিক ‘মুজিবনগর দিবস’ বাঙালি জাতির জীবনে এক অবিস্মরণীয় দিন। মুজিবনগর সরকার গঠনের ফলে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ আরো সুশৃঙ্খল ও কাঠামোবদ্ধ হয় এবং বিশ্ববাসী স্বাধীনতার জন্য সশস্ত্র সংগ্রামরত বাঙালিদের প্রতি সমর্থন ও সহযোগিতার হাত প্রসারিত করে।
সহকারী হাইকমিশনার মোহাম্মদ জোবায়েদ হোসেন তাঁর বক্তব্যে গভীর শ্রদ্ধার সহিত স্মরণ করেন বাংলাদেশের স্বাধীনতার মহান স্থপতি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। স্মরণ করেন জাতীয় চার নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দিন আহমেদ, ক্যাপ্টেন এম.মনসুর আলী এবং এ এইচ এম কামরুজ্জামানকে। যাদের বলিষ্ঠ নেতৃত্বে মুজিবনগর সরকার পরিচালনার মাধ্যমে নয় মাসব্যাপী রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে আমাদের মহান স্বাধীনতা অর্জিত হয়।
তিনি তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন মুজিবনগর দিবস বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও জাতীয় ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক দিন। ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণের মাধ্যমে গঠিত হয় স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার, যেটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ পরিচালনা, বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের পক্ষে জনমত সৃষ্টি, বিশাল শরণার্থীদের ব্যবস্থাপনা, যুদ্ধবিধস্ত দেশবাসীর পাশে দাঁড়ানোসহ মুক্তিযুদ্ধকালীন সরকার পরিচালনা করে।
মুজিবনগর সরকারের যোগ্য নেতৃত্ব, সঠিক দিক নির্দেশনা ও রণকৌশল মুক্তিযুদ্ধকে সফল পরিসমাপ্তির দিকে নিয়ে যায় এবং এরই ধারাবাহিকতার সশস্ত্র যুদ্ধের মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ চূড়ান্ত বিজয় লাভ করে।
অনুষ্ঠানে ত্রিপুরা রাজ্য সরকারের যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে মাস্ক পরে যথাযথ সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে মহান মুক্তিযুদ্ধের সম্মাননাপ্রাপ্ত ব্যক্তি, সাংবাদিক ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব, সিভিল সোসাইটির গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং আগরতলা মিশনে কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠান পরিচালনা ও সঞ্চালনা করেন অত্র মিশনের প্রথম সচিব ও দূতালয় প্রধান মো. জাকির হোসেন ভূঞা।

করোনা ভাইরাস লাইভ

আরও সংবাদ

করোনা ভাইরাস লাইভ ›

লাইভ অনুষ্ঠান বুলেটিন ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
সর্বশেষ সংবাদ
অনুসদ্ধান
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop