খেলার সময় বড় হয়ে মেসি-রোনালদো হবার স্বপ্ন তাদের

১৭-০৪-২০২১, ১৭:০৮

পারভীন আক্তার

fb tw
বড় হয়ে মেসি-রোনালদো হবার স্বপ্ন তাদের
03
ঢাকা আবাহনী ক্লাবে কাজের ফাঁকে ফুটবল খেলা শিখছেন একঝাক ক্ষুদে ফুটবলার। দেশে ফুটবলের জনপ্রিয়তা নেই আগের মতো। তারপরেও তীব্র ভালোবাসা থেকেই ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন বুনছেন তারা। বেশিরভাগই কাজ করেন আবাহনী ক্লাবে।
সারাদিন ফুটবলারদের খাবার-দাবার এগিয়ে দেয়াসহ নানা কাজে সাহায্য করেন ক্ষুদে ফুটবলাররাও। এরপর কাজশেষে নেমে পরেন অনুশীলনে। ফুটবলাররাও ভালোবেসে ওদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন। ওদের স্বপ্ন একদিন মেসি, রোনালদোর মতো ফুটবলার হয়ে বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশ দলকে তুলে ধরার।
করোনা ঝরে নাকাল জনজীবন। চারদিকে ঝরছে প্রাণ। কিন্তু মহামারির ভয়াবহতা বোঝার ক্ষমতা নেই এই অবুঝ শিশুদের। ভবিষ্যতের মেসি, রোনালদো হওয়ার স্বপ্ন ওদের চোখেমুখে। ধানমন্ডির আবাহনী মাঠে ফুটবলাররা যখন অনুশীলনে করেন, তাদের পাশেই অনুশীলনে নেমে পরেন ক্ষুদে এই শিশুরাও। কারো কারো পারিবারিক অবস্থা ভালো হলেও, বেশিরভাগেরই অবস্থা নুন আনতে পানতা ফুরানোর মত।
অভাব অনটনের সংসারে বাবা-মা দু'পয়সা রোজগারের আশায় দিয়েছেন আবাহনী ক্লাবে খোটখাটো কাজ করতে। ফুটবলারদের খাবার এগিয়ে দেয়া। তাদের বল এগিয়ে দেয়াসহ অনেক কাজেই সাহাজ্য করেন ক্ষুদে এই শিশুরা। কাজ শেষেই বিকেলে ফুরসত পেলেই বল নিয়ে ছোটাছুটি। ওদের স্বপ্নপূরণে সহায়তার হাত বাড়িয়েছে ক্লাবও। ভালবেসে ক্ষুদে এই শিশুদের পাশে আছেন ফুটবলাররাও।
দেশের ফুটবলের আগের সে জৌলুস আর নেই। জনপ্রিয়তাও হারিয়েছে। তাই বলে কি হাল ছেড়ে দেবে ওরা? না শত প্রতিকূলতার মাঝেও ফুটবলের প্রতি তীব্র ভালোবাসা থেকেই এগিয়ে যাওয়ার আকাঙ্ক্ষা ওদের।
এক শিশু বলে, 'আমি সকালে ক্লাবে এসে ভাইয়াদের নাস্তা এগিয়ে দেই। দুপুরের খাবার দেই। বিকেলে কাজ শেষে অনুশীলন করি। ভাইয়াদের সঙ্গে ফুটবল খেলি। আমার বাবা মা চায়নি আমি ফুটবল খেলি। কিন্তু কাজে এসে যখন সবাইকে খেলতে দেখেছি। তখন থেকেই ফুটবল খেলা শুরু আমার। আমি ভবিষ্যতে জাতীয় দলে খেলতে চাই। মেসি রোনারদোর মতো হতে চাই।'
আরেক শিশু বলে, 'সবাই বলে দেশে ফুটবলের জনপ্রিয়তা নেই। তাতে কি হহয়েছে। আমরা খেলা চালিয়ে যেতে চাই। ক্লাবের সবাই আমাদের খুব সাহায্য করে। টুটুল ভাইসহ অন্যরা সব সময়েই আমাদের খেলা দেখিয়ে দেয়। অভাব আমাদের দমিয়ে রাখতে পারবে না।'
ফুটবলাররাও ওদের স্বপ্ন পূরণের কাণ্ডারি হয়ে আশেই আছেন।
ঢাকা আবাহনীর ক্লাবের ফুটবলার টুটুল হোসেন বাদশা বলেন, 'ছোট এই ফুটবলাররা ক্লাবে কাজ করে। ওদের বাড়ড়িতে অর্থ নেই। কিন্তু ওরা ফুটবলকে ভালবাসে। আমরাও ওদের সাহায্য করছি। ওরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আশা করি ওরা সফল হবে।'
একদিন জাতীয় দলের জার্সি গায়ে বিশ্বমঞ্চে দাপিয়ে বেড়ানোর আশা এই ফুটবলারদের।

করোনা ভাইরাস লাইভ

আরও সংবাদ

করোনা ভাইরাস লাইভ ›

লাইভ অনুষ্ঠান বুলেটিন ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
সর্বশেষ সংবাদ
অনুসদ্ধান
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop