মহানগর সময় প্রমাণ দেখিয়েও ছাড় পাননি চিকিৎসকরা, আটকে রেখে জরিমানা

১৫-০৪-২০২১, ০১:২৫

সময় নিউজ প্রতিবেদক

fb tw
প্রমাণ দেখিয়েও ছাড় পাননি চিকিৎসকরা, আটকে রেখে জরিমানা
08
করোনার উদ্বেগজনক সংক্রমণ ও মৃত্যু নিয়ন্ত্রণের দ্বিতীয় দফায় সরকার ঘোষিত ‘কঠোর’ লকডাউন শুরু হয়েছে বুধবার (১৪ এপ্রিল)। সাত দিনের এই লকডাউনে জরুরি সেবার সাথে নিয়োজিত ছাড়া অন্যদের ক্ষেত্রে কঠোর হওয়ার ঘোষণা সরকার ও পুলিশের পক্ষ থেকে আগেই দেওয়া হয়েছিল। তবুও নাগরিকদের জরুরি প্রয়োজনের কথা বিবেচনা করে পুলিশের পক্ষ থেকে চালু করা হয়েছে মুভমেন্ট পাস। যেখানে প্রথমদিন ৩০ হাজার নাগরিক বাইরে বের হওয়ার অনুমতি পেয়েছিলেন। 
কিন্তু সর্বাত্মক লকডাউনের প্রথমদিনের পরিস্থিতি ছিল কিছুটা ভিন্ন। সড়কের প্রতিটি পয়েন্টেই তৎপর পুলিশ। তাই জরুরি সেবা, বিশেষ করে চিকিৎসা সেবার সাথে নিয়োজিত এবং মুভমেন্ট পাস থাকার পরও পুলিশি হয়রানির মুখে পড়তে হয়েছে অনেককে। ঘটেছে জরিমানার ঘটনাও। যাদের মধ্যে চিকিৎসকও আছেন।
রাস্তায় ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ে বের হওয়ায় স্কয়ার হাসপাতালের চিকিৎসক নাজমুল হককে তিন হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। তার চিকিৎসক স্ত্রী ইসরাত জাহান জরিমানার সেই স্লিপটি যুক্ত করে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন।
ফাউন্ডেশন ফর ডক্টরস সেফটি রাইটস অ্যান্ড রেসপনসিবিলিটিজ (এফডিআরএস) জানিয়েছে, পরিচয়পত্র দেখানোর পরও চিকিৎসকদের কাউকে কাউকে জরিমানা করা হয়েছে, অ্যাম্বুলেন্স থেকে নামিয়ে দেওয়া, এমনকি ঘণ্টাব্যাপী সড়কে আটকে জেরা করা হয়েছে। 
এফডিআরএস এর যুগ্ম মহাসচিব রাহাত আনোয়ার চৌধুরী গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, সরকারের পক্ষ থেকে চিকিৎসা সেবার সাথে জড়িতদের লকডাউনের আওতামুক্ত রাখা হয়েছে। তবুও পুলিশ হয়রানি করেছে। কার্ড দেখানোর পরও অনেক জায়গায় আটকে রাখা হয়েছে, জরিমানা করা হয়েছে, গালাগালি করা হয়েছে। যা দুঃখজনক। এসব হয়রানি রোধে জোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান এই চিকিৎসক নেতা। 
বিষয়গুলো নিয়ে ভোগান্তির শিকার ব্যক্তিরা তাদের নিজস্ব গ্রুপগুলোতেও কথা বলেছেন। বাংলাদেশ ডক্টরস ফাউন্ডেশনের পেজে কুয়েত মৈত্রী সরকারি হাসপাতালের এক নারী চিকিৎসক মামলার বিড়ম্বনায় পড়েছেন বলে জানিয়েছেন। তিনি লেখেন, নাইট শিফট শেষে সকালে ব্যক্তিগত গাড়িতে বাসায় ফেরার সময় কারওয়ান বাজার সিগন্যালে পুলিশ মামলা দিয়েছে। আইডি কার্ড দেখানোর পরও পুলিশ সব কাগজপত্র নিয়ে গেছে।
এছাড়া, সকালে কুর্মিটোলা হাসপাতালের নার্সদের বহনকারী স্বাস্থ্য অধিদফতরের স্টিকারযুক্ত গাড়ি টঙ্গীতে আটকে দিয়েছিল পুলিশ। বারবার অনুরোধ করার পরও মুভমেন্ট পাস ছাড়া যেতে দেবে না বলে জানানো হয়। বিষয়টি উপর মহলে জানানো হলে দুই ঘণ্টা পর তাদের গাড়ি হাসপাতালে পৌঁছায়। 
এ বিষয়ে পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া) সোহেল রানা গণমাধ্যমকে বলেন, জরুরি সেবার সাথে যুক্ত থাকার প্রমাণ দেখালে পুলিশ হয়রানি করার কথা না। তবুও কিছু অভিযোগ আমরা পেয়েছি। আগামী দিন থেকে তাদেরকে সহায়তা করার জন্য পুলিশ সদস্যদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
তবে, বিনা প্রয়োজনে বের হওয়ার সংখ্যাও নেহাত কম নয়। তাদের অজুহাতেরও শেষ নেই। কর্তব্যরত এক পুলিশ সদস্য বলেন, 'একেকজন একেক অজুহাত দেখাচ্ছেন। কেউ বলছেন, লকডাউন সম্পর্কে কিছুই জানেন না। কেউ আবার বলছেন ওষুধ কিনতে বের হয়েছেন। তবে আমরা কাউকে ছাড় দিচ্ছি না।'

করোনা ভাইরাস লাইভ

আরও সংবাদ

করোনা ভাইরাস লাইভ ›

লাইভ অনুষ্ঠান বুলেটিন ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
সর্বশেষ সংবাদ
অনুসদ্ধান
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop