আন্তর্জাতিক সময় বিদ্যুৎকেন্দ্রের দূষিত পানি সমুদ্রে ফেলার সিদ্ধান্ত ঘিরে উদ্বেগ

১৪-০৪-২০২১, ১৮:০৬

ওয়েব ডেস্ক

fb tw
বিদ্যুৎকেন্দ্রের দূষিত পানি সমুদ্রে ফেলার সিদ্ধান্ত ঘিরে উদ্বেগ
05
জাপানের ফুকুশিমা পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দূষিত পানি সমুদ্রে ফেলার সিদ্ধান্ত ঘিরে বাড়ছে উদ্বেগ। প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনা না করে নেয়া এ সিদ্ধান্তকে দেশটির 'দায়িত্বজ্ঞানহীনতার' পরিচয় বলে মন্তব্য করেছে চীন। উদ্বেগ জানিয়েছে আরেক প্রতিবেশী দেশ দক্ষিণ কোরিয়াাও। বিক্ষোভ করছেন খোদ টোকিওর পরিবেশবিদরাও। তবে ফুকুশিমার পানি পানযোগ্য করেই সাগরে ফেলা হবে বলে দাবি করেছে জাপান।
পরিবেশরক্ষার দাবিতে টোকিওর পথে পথে অবস্থান নিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা। ২০১১ সালে সুনামি আর ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া ফুকুশিমার ১৩ লাখ টন দূষিত পানি সাগরের পানিতে ফেলার যে সিদ্ধান্ত জানিয়েছে জাপান সরকার, তার বিরোধিতা করে আন্দোলনে নেমেছে দেশটির বাসিন্দারা।
এক বিক্ষোভকারী বলেন, 'সামান্য জ্ঞানবুদ্ধি থাকলে কেউ এধরণের সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। যিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি জাপানের মানুষের মতামতকে প্রতিনিধিত্ব করেন না।'
প্রতিবেশি দেশ দক্ষিণ কোরিয়াতেও বিক্ষোভ করেন দেশটির পরিবেশ সচেতন শত শত মানুষ। তারা এ সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার দাবি জানায়।
আরেক বিক্ষোভকারী বলেন, 'মানুষ সামুদ্রিক খাবার কিনে খায়। এসব খাবারের মধ্যে এমনও কিছু আছে যা রান্না না করেই খাওয়া হয়। জাপান সমুদ্রে দূষিত পানি ফেললে শুধু সামুদ্রিক প্রাণী না, মানুষও ব্যাপকভাবে ক্ষতির মুখে পড়তে পারে।'
প্রতিবেশি দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনা না করেই এ ধরণের বড় একটি সিদ্ধান্ত নেয়ায় জাপান সরকার 'চরম দায়িত্বজ্ঞানহীনতার' পরিচয় দিয়েছে বলে নিন্দা জানিয়েছে চীন। তবে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছিলো, জাপান বিশ্বব্যাপী গ্রহণযোগ্য পদ্ধতি মেনেই এ কাজ করবে। বুধবার ওয়াশিংটন টোকিওর এ সিদ্ধান্তে সমর্থন দেয়ায় মার্কিন প্রশাসনেরও তিরস্কার করেন চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঝাও লিজিয়ান।
চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঝাও লিজিয়ান বলেন, 'ওই পানি সাগরে ফেললে বিশ্বব্যাপী বড় ধরণের প্রভাব পড়তে পারে। এ অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্র এমন একটি বিষয়ে পক্ষপাতিত্ব করবে না বলে আশা রাখছি। এধরণের বিষয় চূড়ান্ত করার আগে জাপানের অবশ্যই আলোচনায় বসা উচিত।'
একইদিন, রাশিয়া ও অস্ট্রিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও দূষিত পানি সমুদ্রে ফেলার সিদ্ধান্তে উদ্বেগ জানিয়েছে।
অলিম্পিক আয়োজনে ব্যবহার করা হয় এমন প্রায় পাঁচশো সুইমিং পুলের সমান পানি সাগরে ফেলার চিন্তা চলছে। এ পানি সামুদ্রিক জীবসহ সামগ্রিক প্রকৃতির ওপর নানামুখী বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদেরও।
তবে জাপানের পক্ষ থেকে আবার বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়। পারমানবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ওই পানি পুরোপুরি পরিশোধন করার পর তা পানযোগ্য হলেই সাগরে ফেলা হবে বলে দাবি করেছে জাপান।

করোনা ভাইরাস লাইভ

আরও সংবাদ

করোনা ভাইরাস লাইভ ›

লাইভ অনুষ্ঠান বুলেটিন ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
সর্বশেষ সংবাদ
অনুসদ্ধান
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop