আন্তর্জাতিক সময় জলবায়ু ইস্যুতে চীনের সমর্থন চাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

১৪-০৪-২০২১, ১৬:৫৩

ওয়েব ডেস্ক

fb tw
জলবায়ু ইস্যুতে চীনের সমর্থন চাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
04
মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের জলবায়ু সম্মেলনকে সামনে রেখে চীনের সমর্থন আদায়ে সাংহাই সফরে উড়াল দিয়েছেন দেশটির জলবায়ু বিষয়ক বিশেষ দূত জন কেরি।
জাতিসংঘে বড় ধরনের কূটনৈতিক বিবাদের পর কার্বন নির্গমন কমাতে পরিকল্পনায় দু’পক্ষই সহায়তা করবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিবিসি এমন খবর দিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র চাচ্ছে, চীন কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ কমিয়ে আনুক এবং দেশের বাইরে কয়লানির্ভর উদ্যোগ বন্ধ করে দিক। 
আর চীনের চাওয়া হচ্ছে, পরিবেশবান্ধব ও জলবায়ু পরির্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে পারে এমন প্রযুক্তির বিকাশে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র আরও বেশি অর্থ সরবরাহ করুক।
এছাড়া চীন চাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র আরও বেশি করে কার্বন নির্গমন কমিয়ে আনার ঘোষণা দিক।
কেরি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে চীনের সহযোগিতা মারাত্মক গুরুত্বপূর্ণ। কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে চীনের সঙ্গে আমাদের ব্যাপক মতপার্থক্য থাকলেও জলবায়ু পরিবর্তন কমিয়ে আনার বিষয়টিকে তার নিজ গতির ওপর ছেড়ে দিতে হবে।
আগামী ২২ ও ২৩ এপ্রিল বাইডেনের ভার্চুয়াল জলবায়ু সম্মেলন হবে। এতে দুই পরাশক্তির সম্পর্ক পুনরুদ্ধারে সফল হবেন বলে আশা করছেন জন কেরি।
বিজ্ঞানীরা হুঁশিয়ার করে বলেছেন, বিশ্বের বৃহৎ দূষণকারী দেশগুলোর মধ্যে ঐকমত্য ছাড়া ভয়াবহ জলবায়ু পরিবর্তন এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ খুবই কম আছে।
ব্রিটিশ থিংকট্যাংক চ্যাথাম হাউসের চীন বিশেষজ্ঞ বার্নিস লি বলেন, এটি খুবই ভালো খবর। অন্তত সম্মেলন শুরু হওয়ার আগে তারা আলোচনা করছেন। দু’পক্ষের জন্যই সেখানে বড় বড় ইস্যু আছে, যার সমাধান বের করতে হবে।
জাতিসংঘের কাছে চীন-যুক্তরাষ্ট্র— দু’দেশের কেউ জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মহাপরিকল্পনা জমা দেয়নি। তারা পরস্পরের কাছ থেকে বেশি ছাড় পেতে উদগ্রীব হয়ে আছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমলে যুক্তরাষ্ট্রকে জলবায়ু আলোচনায় অংশ নিতে দেখা যায়নি। 
আগামী সপ্তাহের সম্মেলনের আগে প্রেসিডেন্ট বাইডেন তার প্রস্তাব পেশ করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। চীনের কার্বন নির্গমনের সর্বোচ্চ চূড়া হবে ২০৩০ সাল, আর ২০৬০ সালের মধ্যে তারা কার্বন নিষ্ক্রিয়তা অর্জনের প্রত্যাশা করছে।
অর্থাৎ এ সময়ে তারা সব ধরনের জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে কার্বন নির্গমন বন্ধ করে দিতে সক্ষম হবে। কিন্তু এখনো ফার্মগুলোকে মিথেন নির্গমনের অনুমোদন দিচ্ছে।
থিংকট্যাংক ই৩জি-এর বেইফোর্ড টিস্যাং বলেন, বিদেশে কয়লানির্ভর উদ্যোগগুলোতে অর্থায়ন বন্ধ করতে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়াকে চাপ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। আর বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র নির্মাণ বন্ধেও চাপ দেওয়া হচ্ছে।

করোনা ভাইরাস লাইভ

আরও সংবাদ

করোনা ভাইরাস লাইভ ›

লাইভ অনুষ্ঠান বুলেটিন ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
সর্বশেষ সংবাদ
অনুসদ্ধান
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop