x

মহানগর সময় বসুন্ধরার করোনা হাসপাতাল উধাও হয়নি, বণ্টন হয়েছে: স্বাস্থ্যের ডিজি

১৪-০৪-২০২১, ১৫:৩৭

শাকির আহমেদ

fb tw
07
দেশে করোনা সংক্রমণের এক বছরেও আক্রান্তদের চিকিৎসায় স্বাস্থ্য খাতের সক্ষমতা বাড়েনি- গণমাধ্যম ও জনস্বাস্থ্যবিদদের এমন পর্যবেক্ষণের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেছেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম।
একইসঙ্গে এ ধরনের মন্তব্যের জন্য সাংবাদিক ও জনস্বাস্থ্যবিদদের এক হাত নিয়েছেন তিনি। 
বুধবার (১৪ এপ্রিল) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি দাবি করেন, সাংবাদিকদের নেতিবাচক প্রতিবেদনের কারণে চিকিৎসকরা করোনাবিরোধী যুদ্ধে মনোবল হারাচ্ছেন।
তিনি বলেন, ‘কিছু পত্র-পত্রিকা এমনভাবে আমাদের সমালোচনা করছে, যেটা আমাদের মনোবলকে ভেঙে দিচ্ছে। সারা পৃথিবীতে এমন কোনো নজির নেই, যারা স্বাস্থ্যখাতে কাজ করেন তাদের মনোবল ভেঙে দেয়ার জন্য সমালোচনা করা হয়।’
বসুন্ধরা আইসোলেশন সেন্টার বন্ধ করার সংবাদ গণমাধ্যমে তুলে ধরার কারণে সাংবাদিকদের কড়া সমালোচনা করে মহাপরিচালক বলেন, বসুন্ধরা আইসোলেশন সেন্টারের যন্ত্রপাতি উধাও হয়নি, প্রয়োজন অনুসারে সারা দেশে বণ্টন করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ওই সময়ে প্রয়োজন না থাকায় এবং ব্যয় সংকোচন করার জন্য আইসোলেশন সেন্টার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।
জনস্বাস্থ্যবিদরা তীব্র সংকটের মুহূর্তেও রোগীদের পাশে না দাঁড়িয়ে কেবল সমালোচনার বুলি আওড়াচ্ছেন অভিযোগ করে স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক বলেন, ‘আমাদের অনেক জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ আছেন; যারা একদিনও কোনো রোগীর পাশে গিয়ে দাঁড়াননি। তারা (জনস্বাস্থ্যবিদরা) এখন টেলিভিশন টকশোতে গিয়ে লম্বা লম্বা কথা বলেন। আপনারা হাসপাতালে রোগীর পাশে দাঁড়ান। সেটা না করে টেলিভিশনে গিয়ে নানা বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দিচ্ছেন।’
চিকিৎসকরা নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যদিয়ে পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছে দাবি করে মহাপরিচালক বলেন, ‘ডাক্তার, নার্স, ওয়ার্ড বয়, আয়া ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা গত এক বছর নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তারা মানসিক বৈকল্যে ভুগছেন। তারা অত্যন্ত চাপের মধ্যে আছেন। দিনের পর দিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন। এ সময়ে যদি আপনারা (সাংবাদিকরা) আমাদের বিরূপ সমালোচনায় মেতে থাকেন। তাহলে আমাদের সবার মানসিক অবস্থা কেমন দাঁড়াবে সেটা কি আপনারা ভেবে দেখেছেন?’ 
এ সময় স্বাস্থ্যখাতের নানা সীমাবদ্ধতা ও সমস্যার কথা স্বীকার করে মহাপরিচালকসহ বিভিন্ন বিভাগের পরিচালকরা কোভিড সংক্রমণের পর থেকে স্বাস্থ্যখাতের তুলনামূলক নানা অগ্রগতির চিত্র তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, ‘আমরা নতুন অনেক শয্যা তৈরি করেছি। আমি এখানে বলতে চাই- এই সংখ্যা তিন হাজার ৬৩৮টি। কোনো কোনো হাসপাতালে এসব শয্যা বৃদ্ধি করা হয়েছে তার তালিকা আমাদের কাছে আছে। আপনারা দয়া করে ওখানে গিয়ে খুঁজে বের করবেন যে, আমরা যা বলছি তার সত্যতা আছে কিনা?’

করোনা ভাইরাস লাইভ

আরও সংবাদ

করোনা ভাইরাস লাইভ ›

লাইভ অনুষ্ঠান বুলেটিন ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
সর্বশেষ সংবাদ
অনুসদ্ধান
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop