x

শিক্ষা সময় একটি অদ্ভুত মোড়ের গল্প, যেখানে জড়িয়ে আছে হাজারো প্রেমের স্মৃতি

১০-০৪-২০২১, ১২:৫৩

শিক্ষা সময় ডেস্ক

fb tw
একটি অদ্ভুত মোড়ের গল্প, যেখানে জড়িয়ে আছে হাজারো প্রেমের স্মৃতি
07
বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে যেমন হাসি-খুশি ও আনন্দ-আড্ডায় সময় অতিবাহিত হয়, তেমনি আবার কারো জীবনে দুঃখের বন্যাও বয়ে যায়। নিয়ে আসে হতাশার কিছু মুহূর্ত। নিজেকে একাকী করে দেয়। নিঃসঙ্গতার সঙ্গে যখন আর পেরে ওঠা যায় না, পৃথিবীকে মনে হয় যখন মানবহীন মরু অঞ্চল। ঠিক এমন একটি সময়ে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দৌড়ে যেত হতাশার মোড়ে। যদি কোনো প্রমিলার মুখের হাসি কিংবা ভালোবাসার মৃদু পরশ কষ্টকে বিলীন করে দেয়! কিন্তু না, তা হয় না। বরং এটি একসময় প্রতিটি ছাত্রের হৃদয় ভেঙে হতাশার গহ্বরে ঠেলে দিত। এই মোড়ের রয়েছে একটি কৌতূহলপূর্ণ ইতিহাস।
মোড়টি প্রশাসনিক ভবন থেকে সোজা উত্তর দিকে আব্দুস সালাম হল রোড ও লাইব্রেরি ভবন রোডের মিলনস্থলে অবস্থিত। যেখানে দাঁড়ালে দেখা যাবে সূর্যমুখী আর কাশফুলের সমাহার। অন্যদিকে তাকালে দেখা যাবে গোলচত্বর আর শহিদ মিনারের সৌন্দর্যে মনোরম পরিবেশে সাজানো চমত্কার দৃশ্য, যা দেখে মনে হবে নিজেকে সুখের মাঝে বিলিয়ে দেওয়ার একটি নির্মল পরিবেশ।
কিন্তু না, এটি ভিন্ন প্রকৃতির পরিবেশ। এখান থেকে সুখ আসে না, এখানে ভেসে আসে হতাশার গন্ধ। আজ থেকে ১২ বছর আগে যেখানে এসে থেমে যেত ক্যাম্পাসের ছেলেদের পায়ের কদম। কখনো এটি হয়ে যেত প্রেমিক-প্রেমিকাদের দিনের শেষ সাক্ষাৎ। এর একটি পরিচিত স্থান ছিল তখন বিশ্ববিদ্যালয়ের মেয়েদের হল। মিলনস্থল থেকে পশ্চিম দিকে তিন মিনিট হেঁটে যাওয়া যায়। রাস্তাটির দু’পাশে ছিল সারি সারি ঝাউগাছ, যা আপনাকে দিতে পারে নয়ানাভিরাম নৈসর্গিক, প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের আত্মতৃপ্তি। কিন্তু সে সময় এই পথে ছেলেদের চলাফেরায় ছিল প্রশাসনিক নিষেধাজ্ঞা। 
এদিকে অনেক সৌন্দর্য থাকা সত্ত্বেও ছেলেদের পায়ের গতি থেমে যেত মোড়ে এসে। কখনো তাকিয়ে আফসোস করত আর হতাশায় ভুগত তারা। দেখা যেত প্রেমিক-প্রেমিকা ও বন্ধু-বান্ধবীরা সারা দিন ঘোরাফেরা করে একপর্যায়ে যখন এই মোড়ে আসত, তখন দুজন আলাদা হয়ে একে অপরের দিকে তাকিয়ে তাকিয়ে দুদিকে চলে যাওয়ার মুহূর্তে উভয়ের মনেই একধরনের শূন্যতা কাজ করত, আর বাড়িয়ে দিত হতাশাকে। সেই স্থানটি সবার কাছে হতাশার মোড় নামে পরিচিত।
স্থানটি আজও পড়ে আছে। হলটি এখনো বিদ্যমান। তবে মেয়েরা সেখানে থাকে না। নেই রাস্তার দুই ধার বয়ে চলে যাওয়া সারি সারি ঝাউগাছ। হয়তো মিলনস্থলটি হাতাশার মোড় হিসেবে পরিচিত হয়ে থাকবে যুগের পর যুগ।
মাইনুদ্দিন/

করোনা ভাইরাস লাইভ

আরও সংবাদ

করোনা ভাইরাস লাইভ ›

লাইভ অনুষ্ঠান বুলেটিন ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
সর্বশেষ সংবাদ
অনুসদ্ধান
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop