অন্যান্য সময় কয়েক দশকে অর্ধেকে নেমে এসেছে সামুদ্রিক প্রাণী

১০-০৪-২০২১, ১১:১৭

ঈষিতা ব্রহ্ম

fb tw
09
সমুদ্রে বিন্যস্ত থাকা রং-বেরঙের কোরালগুলো বিবর্ণ হতে শুরু করেছে। অতিরিক্ত সামুদ্রিক প্রাণী শিকার আর পরিবেশদূষণের কারণে সারাবিশ্বের সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়েছে। সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা গেছে, সামুদ্রিক প্রাণী গত কয়েক দশকে অর্ধেকে নেমে এসেছে।
ক্যারিবিয়ান সাগরে ভয়ংকর সুন্দর সোনালি, সবুজ আর নীল কোরালগুলো সমুদ্রের পানিতে স্পষ্ট। কিন্তু কিউবার দ্বীপের আশপাশের কোরাল রিফগুলো দিন দিনই বিবর্ণ হয়ে যাচ্ছে। কঙ্কালের রং ধরেছে রংবেরঙের কোরাল। কিউবার সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য অতিরিক্ত মাছ শিকার আর দূষণের কারণে হুমকির মুখে পড়েছে। একই পরিস্থিতি সারা বিশ্বের সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে প্রতিদিন একটু একটু করে বাড়ছে সারা বিশ্বের তাপমাত্রা। বাড়ছে সমুদ্রের পানির উষ্ণতা। দ্বীপগুলোর আশপাশসহ সারা বিশ্বের উপকূলীয় অঞ্চলের জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়ছে দিন দিন।
এক পরিবেশবিদ বলেন, 'যেভাবে পৃথিবীর জীববৈচিত্র্যের পরিবর্তন হচ্ছে, এটা অস্বাভাবিক। বিভিন্ন প্রজাতি নিজের স্থান পরিবর্তন করছে। কিন্তু পরিবেশবিদ হিসেবে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে, যেভাবে জলবায়ু পরিবর্তন হচ্ছে, এর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কি কোরাল রিফ উত্তর থেকে দক্ষিণে যেতে পারবে?'
ন্যাশনাল একাডেমি অব সায়েন্সের করা গবেষণা বলছে, গত ৪০ বছর উপকূলীয় জীববৈচিত্র্য আশঙ্কাজনকহারে কমেছে। সারা বিশ্বে সামুদ্রিক প্রাণী নেমে এসেছে অর্ধেকে। এ সময় সমুদ্রের উপরিভাগের তাপমাত্রা শূন্য দশমিক ২ শতাংশ বেড়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে, অতিরিক্ত মাছ শিকার আর পরিবেশ দূষণের কারণেই কমছে সামুদ্রিক প্রাণীর সংখ্যা কমছে, পানির তাপমাত্রা বাড়ছে।
এক পরিবেশ বিজ্ঞানী বলেন, 'এমন এমন প্রাণীকে আমরা হারিয়ে ফেলছি বা আমাদের খাদ্যচক্রে ঢুকে পড়ছে, যেসব প্রাণীর বেঁচে থাকা আমাদের জন্য খুব জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে, সবকিছু শেষ করে দিচ্ছে।'
আগের গবেষণায় দেখা গেছে, সমুদ্রের পানির তাপমাত্রা বাড়ায় সামুদ্রিক প্রানিরা আরো নিচের দিকে যাচ্ছে, তুলনামূলক ঠান্ডা পানিতে। কিন্তু সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে, সমুদ্রের পানির তাপমাত্রা বাড়ার পরিণতি ভয়াবহ দিকে যাচ্ছে। মাছ, শামুক, পাখি, কোরালসহ অন্তত ৪৮ হাজার ৬৬১ ধরনের প্রাণীর ক্ষতি হয়েছে ১৯৯০ সাল থেকে এখন পর্যন্ত। এসব প্রাণীই সমুদ্রের উপরিভাগে থাকে। ১৯৭৯ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত কিছু স্থানে কোরালের ক্ষতি কম হয়েছে, কিছু স্থানে হয়েছে খুব বেশি। যে সামুদ্রিক প্রাণীগুলো চলাফেরা করতে পারে, সেগুলো তো স্থান পরিবর্তন করতে পেরেছে, কিন্তু কোরালের মতো প্রাণীগুলো স্থান পরিবর্তন করে খুব ধীরে। সমুদ্রের নিচে ঠান্ডা পানিতে যাওয়ার সুযোগ এখনো এগুলোর হয়নি।
কিউবার মতো সব দ্বীপ রাষ্ট্রই সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষার চেষ্টা করছে। কোরাল রিফ নার্সারি তৈরি করেছে কিউবা, যেখানে গবেষণা হচ্ছে- কোন প্রজাতি তাপমাত্রার সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে আবার আগের অবস্থায় ফিরে যাচ্ছে? দেশটিতে উপকূলীয় ম্যানগ্রোভ বন সংরক্ষণ করা হচ্ছে।

করোনা ভাইরাস লাইভ

আরও সংবাদ

করোনা ভাইরাস লাইভ ›

লাইভ অনুষ্ঠান বুলেটিন ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
সর্বশেষ সংবাদ
অনুসদ্ধান
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop