বাণিজ্য সময় অ্যান্টার্কটিকার বরফের রাজ্যে বড় ফাটল

০১-০৩-২০২১, ১৬:১৭

ঈশিতা ব্রহ্ম

fb tw
06
পৃথিবীর একমাত্র বরফে ঘেরা বৃহত্তম অঞ্চল অ্যান্টার্কটিকার হিমশৈলে বড়সড় ফাটল দেখা গেছে। ব্রুন্ট আইস শেলফে এই ফাটল দেখা গেছে। প্রথম ফাটল দেখার প্রায় ১০ বছর পর দ্বিতীয় এই ফাটলটি বিজ্ঞানীদের নজরে আসে। এই হিমশৈলটি কয়েকবছর ধরে নিবিড় পর্যবেক্ষণ করছেন বিজ্ঞানীরা। এ হিমশৈলের আকার ইংল্যান্ডের দেশ বেডফোর্ডশায়ারের সমান। ৪৯০ স্কয়ার মাইলের এ হিমশৈল নিউইয়র্ক শহরের চেয়ে বড়। ব্রিটিশ অ্যান্টার্কটিক সার্ভে কর্তৃপক্ষ বলছে, এর আকার ১ হাজার ২৭০ স্কয়ার কিলোমিটার।  
দ্যা হ্যালে রিসার্চ সেন্টার, যেটি ব্রুন্ট আইস শেলের মধ্যেই অবস্থিত ছিলো।
তারা জানান, এ ধরনের ঘটনা সত্যি অপ্রত্যাশিত, কারণ দেড়শ' মিটার পুরু এই শেলফটি একদম মহাদেশের সাথে লাগোয়াভাবে অবস্থিত। পাশাপাশি এটি নিউইয়র্ক শহর থেকে মাত্র ৩০২ স্কয়ার মাইল দূরে। বিজ্ঞানীরা স্যাটেলাইটের ছবি আর জিপিএস দিয়ে তদারকির পরই বুঝতে পারছিলেন, এ অঞ্চলের বরফের স্তরে বড় ফাটল দেখা দেবে। বিজ্ঞানীরা জানান, হিমশৈলটি ভেঙ্গে এখান থেকে সরেও যেতে পারে আবার ব্রুন্ট আইস শেলফের আশেপাশেও থাকতে পারে। 
দিনদিনই বরফের স্তর ভেদ করে লম্বা হচ্ছে এই ফাটল। সব তথ্যই কেমব্রিজে পাঠানো হচ্ছে পর্যালোচনার জন্য। অ্যান্টার্কটিকায় শীতকাল চলার পরও কেন এ ধরনের বিপর্যয় হলো, তা নিয়ে বিজ্ঞানীদের কপালে চিন্তার ভাঁজ। ভাঙ্গনের সময় অ্যান্টার্কটিকার তাপমাত্রা ছিলো মাইনাস ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। হিমশৈলের ভাঙ্গনে ক্ষতির মুখে পড়তে পারে অ্যান্টার্কটিকার ওই অঞ্চলের সামুদ্রিক বাস্তুসংস্থান। এর আগে ২০১৭ সালে এতো বড় হিমশৈল ভেঙ্গে যায়। বরফখণ্ড মিশে যায় সাগরে। অ্যান্টার্কটিকার পরিবেশ আর মহাকাশ নিয়ে গবেষণার জন্য ১৯৫৬ সাল থেকে অ্যান্টার্কটিকার ব্রুন্ট আইস শেলফে ৬টি গবেষণা কেন্দ্র কার্যক্রম চালাচ্ছে।  
পৃথিবীর দুই পোলার অঞ্চলের একটি অ্যান্টার্কটিকা। এ মহাদেশেন ৯৮ শতাংশই বরফে ঢাকা থাকে। ১ কোটি ৪০ লাখ স্কয়ার কিলোমিটারের এ মহাদেশে হিমশৈল আছে ২ লাখ ৬৫ হাজার গিগাটন। পৃথিবীর ৬১ শতাংশ বিশুদ্ধ পানির উৎস এই অ্যান্টার্কটিকা। অ্যান্টার্কটিকা, আর্কটিক, গ্রিনল্যান্ড আর বরফে ঘেরা দ্বীপগুলোর বরফ যদি গলে যায়, সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা ৭০ মিটার বাড়বে। উপকূলীয় সব এলাকা পানিতে তলিয়ে যাবে। অ্যান্টার্কটিকা বছরে ১১ হাজার ৮শ' কোটি মেট্রিক টন বরফ হারাচ্ছে। 
পৃথিবীতে এখন পর্যন্ত ৫০ লাখ কিউবিক মাইলের বরফ আছে। যা গলতে অন্তত ৫ হাজার বছর লাগবে। কিন্তু যেভাবে কার্বন নিঃসরণ আর আর জলবায়ু পরিবর্তন হচ্ছে, তাতে খুব শিগগিরই বরফমুক্ত পৃথিবী দেখতে পাবে আগামী প্রজন্ম।

করোনা ভাইরাস লাইভ

আরও সংবাদ

করোনা ভাইরাস লাইভ ›

লাইভ অনুষ্ঠান বুলেটিন ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
সর্বশেষ সংবাদ
অনুসদ্ধান
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop