বাংলার সময় কুবি ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে গাছ-বাঁশ চুরির অভিযোগ

২৪-০২-২০২১, ১০:৫৬

বাহার রায়হান

fb tw
কুবি ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে গাছ-বাঁশ চুরির অভিযোগ
11
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় বর্ধিত ক্যাম্পাসের গাছ-বাঁশ চুরি করে বিক্রি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। রাতের অন্ধকারে এসব জায়গা থেকেই কেটে নেওয়া হচ্ছে গাছ-বাঁশ। গাছ-বাঁশ কাটতে যারা আসে তারা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের নেতাদের পরিচয় দেয় বলে জানান স্থানীয়রা। 
জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্ধিত ক্যাম্পাসের জন্য কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার বিজয়পুর ইউনিয়নের রাজারখলা-চৌধুরীখলা এলাকায় ভূমি অধিগ্রহণের জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে। এসব এলাকার বেশির ভাগই কুমিল্লার লালমাই পাহাড়ের গাছের বাগান ও বাঁশঝাড়ে ঘেরা এলাকা। জমি অধিগ্রহণের দীর্ঘসূত্রিতা ও প্রয়োজনীয় নিরাপত্তার অভাবে অধিগ্রহণের আওতায় থাকা এসব জায়গায় রাত হলেই শুরু হয় গাছ ও বাঁশ চুরির উৎসব।
 
স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বিভিন্ন সময় নোটিশ ও মাইকিংয়ের মাধ্যমে তাদেরকে বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য নির্ধারিত জায়গা থেকে গাছ-বাঁশ কাটতে নিষেধ করা হয়েছে। পাশাপাশি এ নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণাও দেওয়া হয়৷ কিন্তু রাতের অন্ধকারে এসব জায়গা থেকেই কেটে নেওয়া হচ্ছে গাছ-বাঁশ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন জায়গার মালিক যারা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য জমি বিক্রি করছেন তারা বলেন, গাছ-বাঁশ কাটতে যারা আসে তারা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের নেতাদের পরিচয় দেয়। 
এক জমির মালিক বলেন, দেড় বছর হচ্ছে আমার জমি অধিগ্রহণে পড়েছে। কিন্তু এখনো টাকা পাইনি। আবার আমরা জমির কোনো গাছ-বাঁশ আনতে পারি না। কিন্তু নেতাদের নাম দিয়ে ঠিকই কেটে নিয়ে যায়। এখানে জোর যার মুল্লুক তার।
এ প্রসঙ্গে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ইলিয়াস হোসেন সবুজের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অর্থমন্ত্রীর ভাই সরওয়ার সাহেব এবং আমার নাম ব্যবহার করে কিছু স্বার্থান্বেষী প্রতারকচক্র এসব কাজ করছে। আমরা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও জেলা প্রশাসনকে জানাব।
এ বিষয়ে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ মেম্বার মো. জামাল হোসেন বলেন, আমি আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলেই প্রশাসনকে সঙ্গে নিয়ে ব্যবস্থা নেব। তবে অল্প বিস্তর কিছু অভিযোগ পেয়েছি, যার সঙ্গে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকজনের সম্পৃক্ততা রয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের বলেন, গাছ কেটে নিচ্ছে এটা আমরা জানি। কিন্তু এখানে আমারা কিছু করতে পারব না। কারণ ডিসি অফিস জমি অধিগ্রহণ করে আমাদের না দেওয়া পর্যন্ত এ জমির মালিক আমরা না। এ ছাড়া জনবল কম থাকায় পাহারাও বসাতে পারছি না। আমরা ডিসি অফিসকে জানাই রাখছি। ডিসি অফিসও কোনো দায়িত্ব নিচ্ছে না।

করোনা ভাইরাস লাইভ

আরও সংবাদ

করোনা ভাইরাস লাইভ ›

লাইভ অনুষ্ঠান বুলেটিন ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
সর্বশেষ সংবাদ
অনুসদ্ধান
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop