x

খেলার সময় ‘পূর্বাচলে হবে প্রাকৃতিক ঘাসের ফুটবল স্টেডিয়াম’

২৭-০১-২০২১, ০৫:২০

তারেক হাসান শিমুল

fb tw
‘পূর্বাচলে হবে প্রাকৃতিক ঘাসের ফুটবল স্টেডিয়াম’
03
পূর্বাচলে ফুটবলের জন্য আলাদা স্টেডিয়াম নির্মাণের ব্যাপারে সম্মত হয়েছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। ফিফা কমপ্লায়েন্স (প্রতিপালনীয়) অনুযায়ি প্রাকৃতিক ঘাসের স্টেডিয়ামটিতে দর্শক ধারণ ক্ষমতা থাকবে প্রায় ৩৫ হাজার। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সাথে বৈঠক শেষে এমনটা জানিয়েছেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) ডেভেলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান আতাউর রহমান মানিক। 
কমলাপুর স্টেডিয়ামে একাডেমি নির্মাণের ব্যাপারেও একমত হয়েছে মন্ত্রণালয় ও বাফুফে। ৪০ কোটি টাকা আর্থিক সহযোগিতা পাওয়ার জন্য মন্ত্রণালয় বরাবর প্রস্তাবনা দিতে বলা হয়েছে ফেডারেশনকে।
চতুর্থবারের মতো সালাউদ্দিন প্যানেল দায়িত্ব নিয়ে গোটা ফুটবল কাঠামো পরিবর্তনের আভাস দিয়েছে বর্তমান কমিটি। সেই লক্ষ্যেই চলতি বছর ৭ জানুয়ারি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সাথে বৈঠক করে বেশ কিছু দাবি তুলে ধরে ফেডারেশন।
তার ধারাবাহিকতায় আবারো বাফুফের সাথে বৈঠকে বসে মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা। এদিন, অবশ্য মন্ত্রী না থাকলেও ছিলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব। মোটা দাগে আলোচনা হয়েছে ফুটবলের জন্য একটি আলাদা স্টেডিয়াম নির্মাণের ব্যাপারটি নিয়ে। যে ব্যাপারে সম্মতও হয়েছে মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠক শেষে বাফুফে ডেভেলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান আতাউর রহমান মানিক জানান, কমপ্লায়েন্স (প্রতিপালনীয়) স্টেডিয়াম নির্মাণের ব্যাপারে বাফুফের দাবির প্রতি সম্মতি রয়েছে সচিবসহ মন্ত্রণালয়ের সবার। আর এক্ষেত্রে বাফুফে ও মন্ত্রণালয় ফুটবলের জন্য নতুন স্টেডিয়াম নির্মাণের ব্যাপারে পূর্বাচলের ব্যাপারেই একমত হয়েছে বলে জানান মানিক। মানিক জানান, আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থার (ফিফা) কমপ্লায়েন্স অনুযায়ি একটা প্রাকৃতিক ঘাসের স্টেডিয়াম নির্মাণ করতে চাচ্ছে বাফুফে।
অন্যদিকে কমলাপুর স্টেডিয়ামটি একাডেমি হিসেবে ব্যবহারের জন্য দাবি ছিল বাফুফের। সার্বিক উন্নয়নের মাধ্যমে ফেডারেশনকে দিতেও সম্মত হয়েছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়।
মানিক জানান, এই স্টেডিয়ামটিতে ফুটবলারদের থাকার জন্য সম্মতি দিয়েছে মন্ত্রণালয়। বর্তমানে স্টেডিয়ামটি ৪০-৫০ জন খেলোয়াড় থাকতে পারলেও আরও ১০০ জন থাকার মত উপযোগী করতে উন্নয়ন করে দিতেও চেয়েছে মন্ত্রণালয়।
চলতি বছর মার্চ নাগাদ কমলাপুর স্টেডিয়ামটি একাডেমি হিসেবে ব্যবহারের জন্য আর কোনো বাঁধা থাকছে না বলেও মনে করছেন তিনি। 
ফুটবল উন্নয়নে পূর্ব বৈঠকে বার্ষিক ৪০ কোটি টাকার চাহিদা পত্র দেয় ফুটবল ফেডারেশন। সে ব্যাপারে এখনো কোন সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে সেই টাকা বাফুফে কিভাবে চায় তার একটি বিস্তারিত প্রস্তাবনা চেয়েছে মন্ত্রণালয়।
বাফুফে ডেভেলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান আতাউর রহমান মানিক বলেন, আমাদের (বাফুফে) এব্যাপারে বিস্তারিত একটা প্ল্যান জমা দিতে বলা হয়েছে। এরপর সেটা দেশে মন্ত্রণালয় সে অনুযায়ি প্রস্তাবনাটা মন্ত্রণালয়ে পাঠাবে। 
এছাড়াও দেশব্যাপী ট্যালেন্ট হান্টের মাধ্যমে নতুন ফুটবলার বের করে আনতে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাসও দিয়েছে মন্ত্রণালয়।

করোনা ভাইরাস লাইভ

আরও সংবাদ

করোনা ভাইরাস লাইভ ›

লাইভ অনুষ্ঠান বুলেটিন ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
সর্বশেষ সংবাদ
অনুসদ্ধান
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop