মহানগর সময় ‘ব্যাংকখাতে দুর্নীতির গুরু বাংলাদেশ ব্যাংক’

২৫-০১-২০২১, ২৩:২৮

সময় নিউজ প্রতিবেদক

fb tw
‘ব্যাংকখাতে দুর্নীতির গুরু বাংলাদেশ ব্যাংক’
08
ব্যাংকিংখাতে সংঘটিত সকল দুর্নীতির সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের সম্পৃক্ততার অভিযোগ এনেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্য মুজিবুল হক চুন্নু। জাতীয় পার্টির এই সংসদ সদস্য বলেন, ব্যাংকখাতের সব দুর্নীতির গুরু হলো বাংলাদেশ ব্যাংক। তাদের কারণে বিভিন্ন ব্যাংক থেকে হাজার কোটি টাকা পাচার হচ্ছে। 
সোমবার (২৫ জানুয়ারি) একাদশ জাতীয় সংসদের একাদশ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় তিনি এ অভিযোগ করেন।
মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, শুধু দুর্নীতির অভিযোগ আসে রাজনীতিবিদদের বিরুদ্ধে। আমলারা কী সবকিছুর ঊর্ধ্বে? শুধু রাজনীতিবিদদের ছেলেমেয়েরাই কি বিদেশে পড়ে, কোনো সরকারি কর্মকর্তার ছেলে-মেয়ে বিদেশে পড়ে না? কানাডার বেগম পাড়ায় ২৮টি বাড়ির মধ্যে ২৪টি বাড়ি সরকারি কর্মচারীদের।   
জাপার এই সংসদ সদস্য বলেন, ব্যাংকের টাকা নিয়ে কথা এসেছে। পি কে হালদার সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা মেরে দিলেন। তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব ছিল বাংলাদেশ ব্যাংকের। বাংলাদেশ ব্যাংক করেটা কী? হলমার্ক শত কোটি টাকা পাচার করে, বাংলাদেশে ব্যাংক কি দেখে না? 
তিনি বলেন, গুরু ছাড়া দুর্নীতি হয় না। ব্যাংকখাতের এসব দুর্নীতির গুরু হলো বাংলাদেশ ব্যাংক নিজেই। তাদের কারণে বিভিন্ন ব্যাংক থেকে হাজার কোটি টাকা পাচার হচ্ছে। 
বিভিন্ন খাতে দুর্নীতির চিত্র তুলে চুন্নু আরো বলেন, রাস্তাঘাটে অনেক মোটরসাইকেল। কোনো ট্রেনিং নেই। স্বাস্থ্য বিভাগের কথা কী বলবো! কেনাকাটার যা অবস্থা, ১০০ টাকার জিনিস ৫০০ টাকা কেনে। প্রাণি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ২৬২ গাড়ির হিসাব নেই।
তিনি বলেন, স্বীকার করবো সরকার উন্নয়ন করেছে। অনেক উন্নয়ন করেছে। এরশাদ সাহেব যখন ক্ষমতায় ছিলেন তিনিও করেছেন। কিন্তু রাষ্ট্রপতির বক্তৃতার বাইরেও অনেক কিছু আছে। কৃষক ধানের ন্যায্য মূল্য পাবে এ বিষয়ে রাষ্ট্রপতির ভাষণে গাইডলাইন আশা করেছিলাম, সেটা নেই। আমার এলাকায় কৃষক সবজি উৎপাদন করে। খিরা এক টাকা কেজি, ফুলকপি দুই টাকা, কেউ নেয় না। সবজির মৌসুমে কৃষক মূল্য পায় না, পচে পড়ে থাকে।
এসময় তার উত্থাপিত একটি বেসরকারি বিলের কথা তুলে ধরে বলেন, হাইকোর্টে বিচারপতি নিয়োগে আইন হয়নি। আমি প্রস্তাব এনেছিলাম। বেসরকারি বিল এনেছিলাম। তিন জন বিচারপতিকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। কী অভিযোগ জানি না। প্রধান বিচারপতির নির্দেশে সরিয়ে রাখা হয়েছে। রাষ্ট্রের বেতন পাচ্ছেন তিন বছর কোনো কাজ না করেই। জবাব কে দেবে? ইমপিচমেন্ট করার পর রিটে তা বাতিল। এখন রিভিউতে আছে। সরকার ক্ষমতা থেকে যাওয়ার পর কি এগুলোর সমাধান হবে? এসব কাজে সমন্বয় প্রয়োজন। বেশিরভাগ গণতান্ত্রিক দেশে ইমপিচমেন্ট সংসদের হাতে।

করোনা ভাইরাস লাইভ

আরও সংবাদ

করোনা ভাইরাস লাইভ ›

লাইভ অনুষ্ঠান বুলেটিন ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
সর্বশেষ সংবাদ
অনুসদ্ধান
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop