বাণিজ্য সময় ব্রেক্সিটের সিদ্ধান্ত কি আত্মঘাতী?

২২-০১-২০২১, ১৬:৩৬

ঈষিতা ব্রহ্ম

fb tw
ব্রেক্সিটের সিদ্ধান্ত কি আত্মঘাতী?
01
ব্রেক্সিট পরবর্তী বিভিন্ন বাণিজ্যিক নিয়মনীতির কারণে বিপাকে পড়েছে অনেক ব্রিটিশ কোম্পানি। ব্রিটেন আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে আমদানি রফতানি অনেক কমে গেছে। ব্যবসা বন্ধ করে দিতে বাধ্য হচ্ছে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অনেক কোম্পানি।
২০২০ সালের শেষদিকে ২৭ দেশের জোট ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বের হয়ে যায় ব্রিটেন। পহেলা জানুয়ারি থেকেই ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত যেকোন দেশের সাথে বাণিজ্যের ক্ষেত্রে ব্রিটেনকে শুল্ক দিতে হচ্ছে। অথচ যখন জোটভুক্ত ছিলো, তখন ইউরোপীয় ইউনিয়নের সিঙ্গেল একক বাজারে সব ধরনের সুবিধাই পেতো ব্রিটেন।
ব্রেক্সিট চুক্তির পর ব্রিটেন ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে যায়। সাথে ছিন্ন হয় জোটভুক্ত সব ধরনের বাণিজ্যিক সুবিধার সম্পর্ক। এখন পণ্য আমদানি রফতানির ক্ষেত্রে কোম্পানিগুলোর অতিরিক্ত ব্যয় বহন করতে হচ্ছে। সীমান্তে অনুমতি লাগছে পণ্যবাহী যান ইউরোপীয় ইউনিয়নের যেকোন দেশে প্রবেশে। মান যাচাই করা হচ্ছে সব খাদ্যপণ্যের। নিতে হচ্ছে রফতানি সনদ।
ব্রিটিশ স্ন্যাক্স কোম্পানি নিমস ফ্রুট ক্রিস্পস জানায়, তারা শুধু ব্রিটিশ ফল আর সবজি ব্যবহার করেন। রফতানি বন্ধ করে দিতে হবে কারণ সীমান্তে খাদ্যপণ্যের মান পরীক্ষা করার জন্য যে অতিরিক্ত অর্থ দিতে হবে, সে খরচ তারা বহন করতে পারবে না।
একজন ফল ব্যবসায়ী জানান, জানুয়ারি থেকে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নে কিছু রফতানি করবেন না, ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে কিছু আমদানিও করবেন না। অন্য ৫ টি দেশ বেছে নিয়েছেন পণ্য আমদানি রফতানির জন্য। কিন্তু গেলো বছর থেকেই রফতানি অনেক কমে গেছে। তারই প্রভাব পড়তে শুরু করেছে।
আইসক্রিম কোম্পানি লিটল মুনের স্বত্বাধিকারী হওয়ার্ড ওং ব্রিটিশ গণমাধ্যমকে জানায়, আইসক্রিম বানাতে যে দুধ ব্যবহার করা হয়, সেটির মান পরীক্ষা করতে প্রতিবছর এখন থেকে ৬৯ হাজার ডলার অতিরিক্ত খরচ হবে।
লিটল মুনের সত্ত্বাধিকারী জানান, দুগ্ধজাত পণ্য রফতানি করেন তারা। এজন্য এখন প্রতিটা অর্ডারের জন্যই আলাদা করে সনদ নিতে হচ্ছে। যেখানে ২শ' পাউন্ড করে খরচ পড়বে। আবার ভেটেরিনারি ডাক্তারের কাছ থেকে সনদ নিতে হবে যে দুধের মান ঠিক আছে কিনা। তাহলে বছরে অনেক খরচ পড়বে তাদের।
ব্রিটিশ বৃহত্তম সুপারমার্কেট চেইন জানায়, উত্তর আয়ারল্যান্ডে খাদ্যপণ্য রফতানিতেও বাঁধা আসছে। শুধু খাদ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো নয়, সীমান্তে নতুন নিয়মনীতির কারণে ভোগান্তিতে পড়ছে ওয়্যারহাউজগুলো। ব্রিটিশ এক ওয়্যারহাউজ কর্তৃপক্ষ বলছে, লরি ড্রাইভারদের সীমান্তে অতিরিক্ত অর্থ দিতে হচ্ছে ব্রিটেনে ঢোকা এবং ব্রিটেন থেকে বের হওয়ার সময়। লোকসানে পড়ছে ওয়্যার হাউজগুলো।

করোনা ভাইরাস লাইভ

আরও সংবাদ

করোনা ভাইরাস লাইভ ›

লাইভ অনুষ্ঠান বুলেটিন ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
সর্বশেষ সংবাদ
অনুসদ্ধান
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop