মহানগর সময় সওজের নিরাপত্তা সামগ্রী ক্রয়ে নয়ছয়ের অভিযোগ

২০-০১-২০২১, ১১:০০

ওয়েব ডেস্ক

fb tw
সওজের নিরাপত্তা সামগ্রী ক্রয়ে নয়ছয়ের অভিযোগ
11
এবার সড়ক ও জনপথ বিভাগের বিভিন্ন নিরাপত্তা সামগ্রী ক্রয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ নয়ছয়ের অভিযোগ উঠেছে। সময় সংবাদের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, এসব যন্ত্রাংশ বাজারমূল্যের চেয়ে ২ থেকে ২০ গুণ দামে কেনা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে জানতে গেলে অভিযুক্ত দুই প্রকৌশলীর একজন অফিস থেকে পালিয়ে যান। আরেকজন নানা প্রশ্ন করেন সময় সংবাদের প্রতিবেদককে।
গত বছরের মে মাসে চারটি টেন্ডারের মাধ্যমে নিরাপত্তা সরঞ্জামসহ ও কম্পিউটার যন্ত্রাংশসহ বেশকিছু সামগ্রী কেনাকাটা করে সড়ক ও জনপথ বিভাগ। অভিযোগ রয়েছে, এসব কেনাটাকায় হয়েছে বরাদ্দকৃত অর্থের নয়ছয়। বিলের কপি সংগ্রহ করে দেখা যায়, ২০টি আন্ডার চেকিং মিররের দাম দেখানো হয়েছে ১০ লাখ ৮০ হাজার টাকা।
বাজার ঘুরে দেখা যায়, এসবের মূল্য বিলে দেখানো দামের চেয়ে আরও কয়েক গুণ কম। বিলে দেখানো হয়েছে তিন হাজার টাকা মূল্যের ৪৩টি স্ক্যানার ক্রয় করা হয়েছে সাত লাখ ৭৪ হাজার টাকায়। ৬ হাজার টাকা মূল্যের নেটওয়ার্ক ভিডিও রেকর্ডারের দাম ধরা হয়েছে ৮২ হাজার টাকা। ৭ হাজার টাকার হার্ডডিস্ক কেনা হয়েছে ৮৩ হাজার টাকায়। আর ২৩ হাজার টাকা মূল্যের ২৭ ইঞ্চি এলইডি মনিটরের দাম দেখানো হয়েছে ৭২ হাজার টাকা।
মার্ভেলাস কম্পিউটারের স্বত্বাধিকারী নোমান সিদ্দিক বলেন, ২৭ ইঞ্চির মনিটরের দাম সর্বনিম্ন ২৪ হাজার থেকে ৩৫ হাজার টাকা।
৯০০ টাকার সেফটি বেল্ট কেনা হয়েছে ২৮ হাজার টাকায়। আর ২৫০ টাকার সেফটি হেলমেট কেনা হয়েছে ৪ হাজার টাকায়। এছাড়া ১৫০ টাকা দামের ট্রাফিক বাটনের দাম ধরা হয়েছে ৭ হাজার টাকা।
ড্যাব ইলেকট্রিক সেন্টারের পরিচালক সাদ্দাম হোসেন বলেন, হলুদ কালারের সেফটির দাম ৩৫০ টাকা। আর সাদাটা একটু মিডিয়াম কোয়ালিটির এটার দাম ২৫০ টাকা।
অনিয়মের বিষয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রধান প্রকৌশলীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি দরপত্র আহ্বানকারী কেনাকাটায় দায়িত্বপ্রাপ্ত সংগ্রহ ও সংরক্ষণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শামীমুল হক ও উপসহকারী প্রকৌশলী সাইদুল ইসলামের সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেন।
অভিযোগের বিষয়ে আরেক প্রকৌশলী নির্বাহী শামীমুল হকের বক্তব্য চানতে চাইলে প্রতিবেদককে কয়েক ঘণ্টা দাঁড় করিয়ে রেখে পরে জানান বক্তব্য প্রদানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা আছে।
সড়ক ও জনপথ অধিদফতরের সংগ্রহ ও সংরক্ষণ বিভাগ নির্বাহী প্রকৌশলী শামীমুল হক বলেন, ওপর থেকে অনুমতি না থাকলে কথা বলা যাবে না।
জানা গেছে, এ দুই প্রকৌশলীর সহযোগিতায় বিভাগের অধিকাংশ ঠিকাদারি কাজই পান জননী ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল, মেসার্স আশা এন্টারপ্রাইস, মিলন অ্যান্ড বাদ্রার্স, ইকন ইঞ্জিনিয়ারিং নামের চারটি প্রতিষ্ঠান।
গত বছরে এপ্রিলে অন্য একটি কেনাকাটায়ও তার পছন্দের এ চারটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কাজ পাইয়ে দিয়ে অর্থ আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ এনে দুর্নীতি দমন কমিশনে অভিযোগও দায়ের করা হয়।

করোনা ভাইরাস লাইভ

আরও সংবাদ

করোনা ভাইরাস লাইভ ›

লাইভ অনুষ্ঠান বুলেটিন ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
সর্বশেষ সংবাদ
অনুসদ্ধান
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop