বাংলার সময় ৪৯ বছর পর শহীদ ক্যাপ্টেন আনোয়ারের সমাধি সংরক্ষণের উদ্যোগ

১৪-০১-২০২১, ১৮:১১

আলী আকবর টুটুল

fb tw
৪৯ বছর পর শহীদ ক্যাপ্টেন আনোয়ারের সমাধি সংরক্ষণের উদ্যোগ
বাগেরহাটের শরণখোলায় শহীদ মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন আনোয়ার হোসেনের সমাধিস্থল বাঁধাই ও সংরক্ষণের উদ্যোগ নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (১৪ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলা সদরের রায়েন্দা বাজারস্থ শহীদ মুক্তিযোদ্ধা চত্বরে সমাধিস্থল বাঁধাই কাজের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সরদার মোস্তফা শাহীন। এ সময় স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে স্বাধীনতার ৪৯ বছর পরে হলে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন আনোয়ার হোসেনের সমাধিস্থল বাঁধাই ও সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়ায় উপজেলা প্রশাসনকে স্বাগত জানিয়েছেন ক্যাপ্টেন আনোয়ারের স্বজন ও স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা। ক্যাপ্টেন আনোয়ার হোসেনের ভাগ্নে শিক্ষক আ. খালেক হাওলাদার বলেন, আমার মামা শহীদ মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন আনোয়ার হোসেন দেশের জন্য সম্মুখযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে মারা গেছেন। দীর্ঘদিন আমরা মামার স্বীকৃতি ও সমাধিস্থল সংরক্ষণের জন্য দাবি জানিয়েছি, কিন্তু হয়নি। অবশেষে এই উদ্যোগ নেওয়ায় আমরা খুব খুশি হয়েছি। ক্যাপ্টেন আনোয়ারের সমাধিস্থল সংরক্ষণ হলে নতুন প্রজন্ম মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান জানাতে পারবে।
শরণখোলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সরদার মোস্তফা শাহিন জানান, জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযোদ্ধাদের উপর আমাদের দায়বদ্ধতা রয়েছে। গেল বছর বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে ক্যাপ্টেন আনোয়ার হোসেনের সমাধিস্থল অবহেলিত- এই শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ হলে মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে নিয়ে সমাধিস্থল সংরক্ষণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। তার অংশ হিসেবে এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান জানাতে মুক্তিযুদ্ধে সম্মুখযুদ্ধে নিহত ক্যাপ্টেন আনোয়ার হোসেনের সমাধিস্থল বাঁধাইয়ের কাজ শুরু করেছি। যতদ্রুত সম্ভব কাজ শেষ হবে বলে জানান তিনি।
১৯৭১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে পাকিস্তান আর্মিতে চাকুরীরত সময়ে ছুটি নিয়ে গ্রামের বাড়িতে আসেন ক্যাপ্টেন আানোয়ার। ২৬ মার্চ স্বাধীনতা সংগ্রাম শুরু হলে চাকরির মায়া ত্যাগ করে, জন্মভূমিকে শত্রুমুক্ত করতে শরণখোলাবাসীকে সংগঠিত করে ঝাঁপিয়ে পড়েন মুক্তিযুদ্ধে। তার ভাই হেমায়েত উদ্দিন খানও মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন তার সঙ্গে। অপর দুই ভাই শাফায়েত খান ও সায়েদ খান পাকিস্তান আর্মির সদস্য ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তারা বন্দি ছিলেন পাকিস্তানে। ১৯৭১ সালের ১১ জুলাই তার সহযোগী মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে তিনি শরণখোলা থানা ঘেরাও করেন। পাকিস্তানি সৈন্যবাহিনী ও স্থানীয় রাজাকাররা মুক্তিযোদ্ধাদের উপস্থিতি টের পেয়ে গুলি ছোড়ে। মুক্তিযোদ্ধারাও পাল্টা গুলি চালায়। দুই পক্ষের গুলি বিনিময়ের সময় ক্যাপ্টেন আনোয়ার গুলিবিদ্ধ হন এবং ঘটনাস্থলে মারা যান।

করোনা ভাইরাস লাইভ

আরও সংবাদ

করোনা ভাইরাস লাইভ ›

লাইভ অনুষ্ঠান বুলেটিন ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
সর্বশেষ সংবাদ
অনুসদ্ধান
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop