বাণিজ্য সময় মামলার প্রতিবাদে কর্মবিরতি, বেনাপোলে বন্ধ বাণিজ্যিক কার্যক্রম

১৪-০১-২০২১, ১৭:১৮

আজিজুল হক

fb tw
মামলার প্রতিবাদে কর্মবিরতি, বেনাপোলে বন্ধ বাণিজ্যিক কার্যক্রম
01
বেনাপোল বন্দর দিয়ে চোরাচালানে সহযোগিতা করার অভিযোগে এক সিঅ্যান্ডএফ স্টাফ সদস্যকে লাঞ্চিত, কার্ড বাতিল ও তার বিরুদ্ধে মামলা করার প্রতিবাদে কর্মবিরতি ডেকে পণ্য খালাস কার্যক্রম বন্ধ রেখেছেন ব্যবসায়ীরা। এতে বন্ধ হয়ে গেছে আমদানি-রফতানি কার্যক্রম। কাস্টমস কর্তৃপক্ষ এই মামলা করেছে। 
বৃহস্পতিবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুর ১২টা থেকে স্টাফ সদস্যরা এই অবস্থান নিয়েছেন। তারা কাস্টমস হাউজের সামনে বিক্ষোভ প্রতিবাদ সভা করেন এবং চলমান সমস্যার সমাধান না হওয়া পর্যন্ত পণ্য খালাস বন্ধ থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
অভিযুক্ত সিঅ্যান্ডএফ স্টাফ সদস্য আক্তারুজ্জামান আক্তার জানান, বুধবার (১৩ জানুয়ারি) সন্ধায় কয়লার একটি ট্রাক যখন ভারতের পেট্রাপোল বন্দর থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ করে তখন তিনি বর্ডারের কার্গো শাখা থেকে ওই পণ্যের মেনিফিস্টিকার নাম্বার ও ইনভয়েস তুলে বাড়িতে চলে যান। পরবর্তীতে রাতে কাস্টমস কর্মকর্তারা তাকে ফোন করে বন্দরের ট্রাক টার্মিনালে নিয়ে যায়। এরপর একটি ট্রাক থেকে ফেনসিডিল ও তিনি যে ট্রাকের কাগজপত্র তুলেছিলেন সেই ট্রাক থেকে ওষুধ উদ্ধার করে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। ওই সময় কাস্টমস কর্মকর্তারা তার কাছ থেকে কাস্টমস কার্ডটি নিয়ে নেয় এবং ট্রাক ও তাকে কাস্টমস হাউজের মধ্যে নিয়ে আসে। পরে তারা একটা কাগজে তার সই নিয়ে রাত ১২ টার দিকে তাকে ছেড়ে দেয়। কাস্টমস কর্মকর্তারা তাকে জানান অবৈধ পণ্য আনার অপরাধে তার বিরুদ্ধে মামলা হবে।
এ প্রসঙ্গে বেনাপোল কাস্টমস হাউজের অতিরিক্ত কমিশনার (এডি) ডা. নিয়ামুল ইসলাম মুঠোফোনে জানান, গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে তারা জানতে পারেন ভারতীয় বৈধ আমদানি পণ্যের ট্রাকে কিছু অবৈধ মালামাল বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করেছে। এরপর তারা বন্দরের ভারতীয় ট্রাক টার্মিনালে অভিযান চলান। এসময় ভারতীয় তুলার ট্রাক থেকে ২০০ বোতল ফেনসিডিল ও কয়লার ট্রাক থেকে কিছু ভারতীয় ওষুধ উদ্ধার করেন তারা। এই কয়লার ট্রাকের বর্ডার ম্যান আক্তারুজ্জামান আক্তারকে আটক করে তার কার্ড নিয়ে নেয়া হয়েছে। এ ঘটনায় নিরাপরাধ কাউকে হয়রানি করা হবে না বলেও নিশ্চিত করেন তিনি। 
সিঅ্যান্ডএফ স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান জানান, অপরাধ করবে ভারতীয় ট্রাক চালক আর তার দোষ পড়বে সিঅ্যান্ডএফ স্টাফদের উপর। এটা কোনভাবে গ্রহণযোগ্য না। তবে বিষয়টি নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে আলোচনা চলছে। সমাধান না হওয়া পর্যন্ত পণ্য খালাস কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।
চেকপোষ্ট কাস্টমস কার্গো শাখার রাজস্ব কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম জানান, সিঅ্যান্ডএফ স্টাফ সদস্যদের কর্মবিরতিতে আমদানি-রফতানি বন্ধ রয়েছে। 
এদিকে, আমদানি-রফতানি বন্ধ থাকায় বন্দরের দুই পারে শত শত ট্রাক পণ্য নিয়ে আটকা পড়েছে। এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে শিল্প কলকারখানার কাঁচামালসহ খাদ্য সামগ্রী। 

করোনা ভাইরাস লাইভ

আরও সংবাদ

করোনা ভাইরাস লাইভ ›

লাইভ অনুষ্ঠান বুলেটিন ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
সর্বশেষ সংবাদ
অনুসদ্ধান
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop