বাংলার সময় বড়পুকুরিয়ায় কয়লা উধাও: এক রাত পরই মুক্ত ২২ কর্মকর্তা

১৪-০১-২০২১, ১৩:২৬

গোলাম নবী দুলাল

fb tw
বড়পুকুরিয়ায় কয়লা উধাও: এক রাত পরই মুক্ত ২২ কর্মকর্তা
দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লা খনিতে কয়লা আত্মসাতের অভিযোগে দায়েরকৃত মামলায় এক রাত জেলা কারাগারে আটক থাকার পর জামিনে মুক্ত হয়েছেন বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেডের সাবেক ছয় ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ (এমডি) ২২ কর্মকর্তা। বৃহস্পতিবার (১৪ জানুয়ারি) সকাল পৌনে ৯টায় জেলা কারাগার থেকে ছাড়া পান তারা।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, বুধবার মামলার নির্ধারিত তারিখে ওই ২২ কর্মকর্তা দিনাজপুরের স্পেশাল জজ মো. মাহমুদুল করীমের আদালতে হাজির হলে আদালত তাদের জামিন বাতিল করে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। দুপুরে তাদের আদালত থেকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। জামিন বাতিলের পর উচ্চ আদালতে করা জামিন আবেদন মামলা পেন্ডিং থাকায় বিকেলে ওই ২২ আসামির জামিন আদেশ আবারও বহাল রাখেন একই আদালত। এই আদেশ কারাগারে পৌঁছানোর আগেই আসামিদের হাজতে নেয়ায় বুধবার কারাগার থেকে মুক্তি পায়নি তারা।
আরও পড়ুন: ২৩০ কোটির কয়লা আত্মসাত, সাবেক ৭ এমডিসহ কারাগারে ২২
 
দিনাজপুর জেলা কারাগারের জেলার ফরিদুর রহমান রুবেল জানান, বুধবার সন্ধ্যা ৭টার পর ওই ২২ আসামির জামিন বহালের আদেশ আদালত থেকে কারাগারে আসে। কিন্তু ততক্ষণে তাদের হাজতখানায় নেয়া হয়। সন্ধ্যার পর হাজতখানা থেকে আসামিদের বের করার নিয়ম না থাকায় বুধবার তাদের মুক্তি দেয়া সম্ভব হয়নি। ফলে বৃহস্পতিবার সকালে তাদের মুক্তি দেয়া হয়।
 
আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট নুরুজ্জামান জাহানী জানান, বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির ওই মামলায় আসামিদের জামিন বিষয়ে একটি মামলা হাইকোর্টে পেন্ডিং রয়েছে। এই পেন্ডিং মামলাটি বিচারক জানতে না পারায় জামিন বাতিল করে আসামিদের জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পরে বিকেলে হাইকোর্টের এই পেন্ডিং মামলার কাগজ দেখানোর পর আদালত আবার তাদের জামিন আদেশ বহাল রাখেন।
উল্লেখ্য, বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি থেকে কয়লা উধাওয়ের ঘটনায় ২০১৮ সালের ২৪ জুলাই বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানির পক্ষে ম্যানেজার (প্রশাসন) মোহাম্মদ আনিছুর রহমান বাদী হয়ে ১৯ জনকে আসামি করে পার্বতীপুর মডেল থানায় মামলা করেন।
ওই মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০০৫ সালের ১০ সেপ্টেম্বর থেকে ২০১৮ সালের ১৯ জুলাই পর্যন্ত ১ লাখ ৪৪ হাজার ৬৪৪ টন কয়লা উধাও হয়েছে। যার আনুমানিক মূল্য ২৩০ কোটি টাকা। ওই মামলার তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয় দুদককে। দুদকের উপ-পরিচালক মো. সামসুল আলম এই তদন্ত শেষে চার্জশিট তৈরি করেন। এতে এজাহারভুক্ত ১৯ জনের মধ্যে ১৪ জনকে আসামি করা হয়। এছাড়া তদন্তে নতুন করে সাতজন সাবেক এমডিসহ ৯ জনের নাম বেরিয়ে আসে।

করোনা ভাইরাস লাইভ

আরও সংবাদ

করোনা ভাইরাস লাইভ ›

লাইভ অনুষ্ঠান বুলেটিন ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
সর্বশেষ সংবাদ
অনুসদ্ধান
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop