বাংলার সময় গাইবান্ধায় প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার প্রকল্পে নয়ছয়

১৪-০১-২০২১, ১০:৪৩

হেদায়েতুল ইসলাম বাবু

fb tw
গাইবান্ধায় প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার প্রকল্পে নয়ছয়
প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্প ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচিও বাদ পড়েনি দুর্নীতির কালো থাবা থেকে। গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে প্রকল্পের এক হাজার ৩০০ উপকারভোগীর ১৫০ জনই নীতিমালা পরিপন্থী। বাকি তিন হাজারে আরও কতজন আছে, জানেন না কর্মকর্তারাও। এক উপজেলাতেই এ প্রকল্পে নয়ছয় হয়েছে দুই কোটি ২৯ লাখ টাকারও বেশি।
বেকার জীবনের পাথর বিছানো পথে ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচি আশীর্বাদ হয়ে ধরা দেয় সাদুল্লাপুরের দামোদরপুর গ্রামের মাসুম বিল্লাহর কাছে। কিন্তু উপজেলা যুব উন্নয়ন কার্যালয়ের সুপারভাইজার আব্দুল ওয়াহাবের কারসাজিতে তার বদলে প্রশিক্ষণ ও কর্মভাতার সব টাকাই তুলে নেয় আরেক যুবক।
মাসুম বিল্লাহ বলেন, আমার ন্যাশনাল আইডি কার্ডের ছবি ও স্বাক্ষর, এনআইডি নম্বর জন্মতারিখ চেঞ্জ করে ২০ হাজার টাকার বিনিময়ে আপেল মাহমুদ নামে এক ছেলে দিয়ে দেন আবদুল ওয়াহাব।
এ ধরনের অভিযোগের বিষয়ে সত্যতা নিশ্চিত করে সাদুল্লাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নবী নেওয়াজ বলেন, আমাদের যুব উন্নয়নের যে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা রয়েছেন, তাদের বিষয়টি জানিয়েছি। তারা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
সাদুল্লাপুর উপজেলা যুব উন্নয়ন কার্যালয়ের তথ্য বলছে, চতুর্থ ও পঞ্চম ব্যাচে ১ হাজার ৩০০ উপকারভোগীর ১৫০ ত্রুটিপূর্ণ কারো সনদ ভুয়া, কারো বয়স ঠিক নেই, আবার অনেকে অন্য উপজেলার বাসিন্দা।
প্রশিক্ষণ ও দুই বছরের কর্মভাতাসহ প্রত্যেকের জন্য সরকারি বরাদ্দ এক লাখ ৫২ হাজার ৮০০ টাকা ধরে টাকার অঙ্কে নয়ছয়ের পরিমাণ ২ কোটি ২৯ লাখ ২০ হাজার টাকা। এই দুর্নীতির দায় নিতে সম্মত নন বর্তমান যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা। গোপনে পাওয়া তার আগের কর্মকর্তার বক্তব্যেও দুর্নীতির রহস্য।
সাদুল্লাপুর ভারপ্রাপ্ত যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা নাজমুল হাসান বলেন, কিছু সার্টিফিকেট ভুল রয়েছে, কারও বয়স বেশি রয়েছে সে সময়ে আমি এগুলো বাধা দেই।
২০১৭ সালে শিক্ষিত বেকারদের কর্মসংস্থানের জন্য সাদুল্লাপুর উপজেলায় প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত এই কর্মসূচিতে ৪ হাজার ২৯৪ জনকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেন তৎকালীন যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা ইউসুফ ভুঞা। এরপর প্রশিক্ষণ ও নিয়োগপত্র দেন পরবর্তী কর্মকর্তা হাসান আলী। তারপর তৃতীয় থেকে পঞ্চম ব্যাচের ভাতা পরিশোধ করছেন বর্তমান কর্মকর্তা নাজমুল হাসান। ২০১৭ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত সাদুল্লাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ছিলেন আহসান হাবীব ও রহিমা খাতুন।

করোনা ভাইরাস লাইভ

আরও সংবাদ

করোনা ভাইরাস লাইভ ›

লাইভ অনুষ্ঠান বুলেটিন ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
সর্বশেষ সংবাদ
অনুসদ্ধান
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop