বাংলার সময় জিল্লু হত্যা মামলা পিবিআইতে

০১-১২-২০২০, ১১:২৬

বাহার রায়হান

fb tw
জিল্লু হত্যা মামলা পিবিআইতে
কুমিল্লার চৌয়ারায় প্রকাশ্যে সন্ত্রাসীদের হাতে নিহত চাঞ্চল্যকর জিল্লুর রহমান চৌধুরী জিলানী হত্যা মামলার তদন্তকারী সংস্থা পরিবর্তন করা হয়েছে। সদর দক্ষিণ মডেল থানা পুলিশের তদন্তের পর প্রায় ৩ সপ্তাহ পর এবার পিবিআই কুমিল্লাকে হত্যা মামলার তদন্তভার দেওয়া হয়েছে। 
সোমবার (৩০ নভেম্বর) রাতে তদন্তকারী সংস্থা পরিবর্তনের বিষয়টি কুমিল্লা পিবিআই অফিসের একটি সূত্রে জানা গেছে। তবে এ সংক্রান্তে পুলিশ সদর দফতর থেকে একটি আদেশ সোমবার জেলা পিবিআই অফিসে এসেছে বলে মোবাইল ফোনে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি দেবাশীষ চৌধুরী।
পুলিশ জানায়, গত বুধবার (২৫ নভেম্বর) সদর দক্ষিণ থানায় গিয়ে হত্যা মামলাটি পিবিআইয়ের মাধ্যমে তদন্ত করতে পুলিশ সুপার বরাবর একটি আবেদন জমা দেন নিহতের ছোট ভাই ও মামলার বাদী মো. ইমরান হোসাইন চৌধুরী। পরে আবেদনটি বিধি মোতাবেক পুলিশ সদর দফতরে পাঠানো হয়।
রাতে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি দেবাশীষ চৌধুরী জানান, কুমিল্লা পিবিআই থেকে একজন কর্মকর্তা ফোন করে জানিয়েছেন জিলানী হত্যা মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব পেয়েছে তারা, মামলার নথি বুঝিয়ে দিতে পিবিআই থেকে অনুরোধ করা হয়েছে। তবে এ সংক্রান্তে আদেশের চিঠি এখনো থানায় পৌঁছেনি, মঙ্গলবার মামলার ডকেট বুঝিয়ে দেওয়া হতে পারে।
মামলার বাদী জানান, সাংবাদিকদের মাধ্যমে মামলা পিবিআইতে যাওয়ার খবর জেনেছি। পুলিশ তো ২০ দিনেও মামলার প্রধান আসামিদের কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি। আশা করি এবার পিবিআই আসামিদের গ্রেফতারে সফল হবে।
এদিকে পিবিআই কুমিল্লার একটি সূত্র জানায় মামলাটি তদন্তভার পিবিআই কুমিল্লার পরিদর্শক বিপুল চন্দ্রকে দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১১ নভেম্বর সকাল ৭টার দিকে জিল্লুর রহমান তার স্কুলশিক্ষিকা স্ত্রী জাহানারা বেগমকে নিয়ে বাড়ির পাশে গাড়ির জন্য অপেক্ষা করছিলেন। এ সময় তিনটি মোটরসাইকেলে আসা সন্ত্রাসী চক্র ধারালো চাপাতি, ছোরা, ডেগার, ছেনি দিয়ে কুপিয়ে আহত করে। কুমেক হাসপাতালে নেওয়ার পর জিল্লুরের মৃত্যু হয়। নিহত জিল্লুর সদর দক্ষিণ উপজেলার চৌয়ারা গ্রামের প্রয়াত মোখলেছুর রহমান চৌধুরীর ছেলে। পারিবারিক জীবনে তিনি ৩ ছেলেসন্তানের জনক।
ঘটনায় পরদিন সিটি করপোরেশনের সরকারদলীয় দুই বর্তমান কাউন্সিলর ও স্থানীয় সাবেক কাউন্সিলরসহ ২৪ জনের বিরূদ্ধে মামলা করেন নিহতের ছোট ভাই ইমরান হোসাইন চৌধুরী বাদী হয়ে জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ১০-১৫ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। মামলার অভিযুক্তদের অধিকাংশ ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী। ঘটনার পর আবদুল কাদের (৪০) নামের এজাহারনামীয় এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
মামলায় প্রধান দুই অভিযুক্ত হলেন সিটি করপোরেশনের ২৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আবুল হাসান ও ২৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আবদুস সাত্তার। সাবেক স্থানীয় কাউন্সিলর খলিলুর রহমানকে মামলায় ৪নং আসামি করা হয়েছে। এ ছাড়া মামলায় ১২নং আসামি করা হয়েছে মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক ও জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়াম্যান আবদুল্লাহ আল মাহমুদ সহিদকে। ৩নং আসামি করা হয়েছে আদর্শ সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহবায়ক আহামেদ নিয়াজ পাবেলকে। ৫নং আসামি করা হয়েছে মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ও পলিটেকনিকের সাবেক ভিপি জহিরুল ইসলাম রিন্টুকে।

করোনা ভাইরাস লাইভ

আরও সংবাদ

করোনা ভাইরাস লাইভ ›

লাইভ অনুষ্ঠান বুলেটিন ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
সর্বশেষ সংবাদ
অনুসদ্ধান
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop