বাংলার সময় রাস্তার পাশে পড়ে ছিল সে, দত্তক নিতে চায় অনেকে

৩০-১১-২০২০, ১৫:১৩

উজ্জল চক্রবর্তী

fb tw
 রাস্তার পাশে পড়ে ছিল সে, দত্তক নিতে চায় অনেকে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার বাসুদেব ইউনিয়নের দুবলা গ্রামে সড়কে পাশ থেকে রোববার সন্ধ্যায় উদ্ধার হওয়া ছয় মাস বয়সী ছেলে শিশুটি এখন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছে। শিশুটি সুস্থ আছেন বলে হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎিসকরা জানিয়েছেন। শিশুটির প্রকৃত কোনো অভিভাবক না পাওয়া গেলে আদালতের মাধ্যমে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা জানান সংশ্লিষ্টরা।
শিশুটিকে কুড়িয়ে পাওয়া জহিরুল ইসলাম ও পারভীন দম্পতি জানায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার বাসুদেব ইউনিয়নের ঢাকা-আগরতলা মহাসড়কের পাশে দুবলা গ্রামের একটি কলামোড়ার ঝোপে শিশুটির কান্না করছিল। কান্নার শব্দ শুনে সেখানে এগিয়ে যান কৃষক পরিবারে জহিরুল ইসলাম দম্পতি। সেখানে তারা গিয়ে দেখতে পায় কাপড় দিয়ে মোড়ানো অবস্থায় প্রায় ছয় মাস বয়সী একটি ছেলে শিশু কান্না করছে। শীতে কাতর অবস্থায় শিশুটিকে জহিরুল ইসলামের স্ত্রী পারভীন আক্তার উদ্ধার করেন।
পরে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের অবহিত করার পাশপাশি তিনি পুলিশকে শিশুটি সম্পর্কে খবর দেন। পরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে আসেন। শিশুটি বর্তমানে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে শিশু ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন আছেন। শিশুটির কোনো অভিভাবক না থাকায় জহিরুল ইসলাম দম্পতি এখন শিশুটিকে দেখাশোনা করছেন। শিশুটির প্রকৃত অভিভাবক না পাওয়া গেলে জহিরুল ইসলাম দম্পতি এ শিশুটির দায়িত্ব নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
কৃষক পরিবারের সদস্য জহিরুল ও তার স্ত্রী পারভীন আক্তার বলেন, আমাদের পরিবারে দুই ছেলে দুই মেয়ে আছে। সরকারের পক্ষ থেকে শিশুটিকে আমাদের কাছে তুলে দিলে সন্তান হিসেবে মানুষের মতো মানুষ করতে চাই। এ ছাড়া উপযুক্ত প্রমাণসহ কোনো অভিভাবক যদি ২০ বছর পরে এসে দাবি করেন তাদের সন্তান তাহলে আমি তাদের তাছে সরকারের সহযোগিতায় তুলে দেব।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডের কর্তব্যরত জ্যেষ্ঠ সেবিকা তাসলিমা আক্তার জানান, শিশুটির শারিরিক অবস্থা এখন ভালো এবং সুস্থ আছে। রোববার রাতে শিশুটিকে হাসপাতালে আনার পর নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। যতটুকু যত্ন নেওয়া দরকার আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আবদুর রহিম জানান, শিশুটির এখনো কোনো অভিভাবক পাওয়া যায়নি। ফেসবুকসহ সামাজিকভাবে প্রচারণা করা হচ্ছে। শিশুর পরিবারের সন্ধানে পুলিশ চেষ্টা চালাচ্ছে। অভিভাবক না পেলে আদালতের মাধ্যমে শিশুটির পরবর্তী অবস্থান কোথায় হবে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
 এদিকে হাসপাতাল এবং থানা সূত্রে জানা যায়, শিশুটিকে দত্তক নেওয়ার জন্য ইতোমধ্যে অন্তত ১০ জন নিঃসন্তান দম্পতি নানাভাবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতাল এবং থানায় যোগাযোগ রাখছেন।
 

করোনা ভাইরাস লাইভ

আরও সংবাদ

করোনা ভাইরাস লাইভ ›

লাইভ অনুষ্ঠান বুলেটিন ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
সর্বশেষ সংবাদ
অনুসদ্ধান
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop