বাণিজ্য সময় পদ্মা-যমুনায় পাওয়া মাছের দাম কম, হতাশ জেলেরা

২৯-১১-২০২০, ০৯:৫১

মো: ইউসুফ আলী

fb tw
হাঁকডাকে সরগরম মানিকগঞ্জের আরিচা ঘাটের ঐতিহ্যবাহী পদ্মা-যমুনাসহ মুক্ত জলাশয়ের দেশীয় মাছের আড়ত। নদী ও মুক্ত জলাশয়ের বিভিন্ন ধরনের দেশীয় তাজা মাছ কম দামে পেয়ে খুশি রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের পাইকাররা। আর আড়তের নানা সমস্যার কথা জানিয়েছেন আড়ত কমিটির নেতা।
 
প্রতিদিন ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গে জমে উঠে মানিকগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী যমুনার পাড়ের আরিচা ঘাটের পদ্মা-যমুনা, ইছামতিসহ মুক্ত জলাশয়ের দেশীয় মাছের আড়ত।
রুই, কৈই, ছোট বাইম টেংরা, শোল, আইড়, পাঙাশ, নোওলা, টাটকিনি, গাইরা, বোয়ালসহ দেশীয় মাছের সরবরাহ থাকায় জেলাসহ রাজধানী ও তার আশপাশের পাইকারদের কদর একটু বেশি রয়েছে। টাটকা ও দাম কম থাকায় পাইকার ছাড়াও সাধারণ ক্রেতার সংখ্যার ছিল একটু বেশি।
তবে রোববার (২৯ নভেম্বর) দাম না পেয়ে হতাশ জেলেরা আর কমে পেয়ে খুশি পাইকার ও সাধারণ ক্রেতারা। নদীতে চর পড়ায় মৎস্য শিকারদের ঘাটে আসতে বেগ পাওয়া ছাড়াও নদীভাঙনে আড়তের জায়গা কমে আসায় বছরের পর বছর নানা সমস্যার মধ্যে পড়েছে আড়তটি।
প্রতি কেজি কই বিক্রয় হয়েছে পাইকারী ২০০ থেকে ২৭০ টাকা, রুই ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা, ছোট বাইম, টেংরা ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা, শোল ৩৫০ থেকে ৪০০টাকা, আইড় ৯০০ থেকে ৯৫০ টাকা, পাঙাশ ৮৫০ থেকে ৯০০ টাকা, নোওলা ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা, নদীর টাটকিনি ১১০ থেকে ১২০ টাকা, গাইরা ২৫০ থেকে ২৭০ টাকা, বোয়াল ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা।
২০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী এ আড়তে অর্ধশতাধিক আড়তদার ও দুই শতাধিক পাইকারদের মাধ্যমে প্রতিদিন ৫০ থেকে ৫৫ লাখ টাকার মাছ বেচাকেনা হয়।
জেলে আরিফ বলেন, এখন নদীতে শীত পড়তে শুরু করেছে শেষ রাতে কুয়াশা পড়ে। রাতভর পদ্মা থেকে ৬ জন মিলে ছোট দুটি বোয়াল ও কিছু মাছ পেয়েছি। এতে আড়তের যে অবস্থা আড়তদাররা সঠিক দাম দেয় না।
মুক্ত জলাশয়ের কই নিয়ে এসে হাঁকডাকে এক খারি মাছ ৩ হাজার টাকাতে বিক্রয় করে খুশি নেই আরিফ নামের এক মৎস্য শিকারীর। তিনি জানান, মুক্ত জলাশয়েরও ফসলি জমির মাঝের পুকুরের মাছ যা বর্ষার পানিতে বড় হয় তার দামও কম। চাষের মাছ দেশের বিভিন্ন বাজারের থাকায় আসল মাছের কদর কম রয়েছে। এতে পাইকাররা আমাদের আসল দাম দেয় না।
 
শিবালয় উপজেলার উথুলি গ্রামের ইতালি প্রবাসী পিন্টু  মাছ কিনতে আড়তে এসেছেন।
তিনি জানান দেশীয় মাছ কিনতে আরিচা আড়তসহ অনেক স্থান থেকে মাছ কিনেছি, তবে পাইকারী আরিচা আড়তের মাছ কম দামে পাওয়া যায়।
 
আরিচা ঘাট মৎস্য আড়ত কমিটির সভাপতি আবদুল রাজ্জাক জানান, নানা সমস্যা রয়েছে আড়টিতে, বছরের পর বছর নদীভাঙনে জায়গা কমে এসেছে। অন্যদিকে নদীতে চর পড়ায় জেলেরা আড়তে মাছ ধরে নিয়ে আসতে অনেক কষ্ট করতে হচ্ছে। আড়তদারদের ঋণ সহায়তারও দরকার। তাই সরকার যদি এসব বিষয় দেখত তাহলে আমরা উপকৃত হতাম।

করোনা ভাইরাস লাইভ

আরও সংবাদ

করোনা ভাইরাস লাইভ ›

লাইভ অনুষ্ঠান বুলেটিন ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
সর্বশেষ সংবাদ
অনুসদ্ধান
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop