খেলার সময় মেসি না ম্যারাডোনা, কে এগিয়ে?

২৭-১১-২০২০, ০০:৩২

খেলার সময় ডেস্ক

fb tw
মেসি না ম্যারাডোনা, কে এগিয়ে?
আর্জেন্টাইন দুই কিংবদন্তির তুলনা চিরন্তন। অন্তত গেল এক যুগে এ নিয়ে আলোচনা কম হয় নি। দু'জনকেই বিবেচনা করা হয় সর্বকালের শ্রেষ্ঠ ফুটবলারদের অন্যতম হিসেবে। ফুটবলকে দু'জনই দিয়েছেন ভিন্ন স্বাদ, ভিন্ন রূপ। ম্যারাডোনা এবং মেসিকে পাশাপাশি রাখার কারণ যেমন আছে, তেমনি এ নিয়ে আছে বিশদ আলোচনাও। আবার এই প্রসঙ্গে মুখ খুলেছেন তারা দু'জনও। 
আর্জেন্টিনা কিংবা পুরো বিশ্বই চেয়েছে, ফুটবলের শ্রেষ্ঠ দুই প্রতিভাকে এক কাতারে ফেলতে। তবে তারা দু'জনই অতুলনীয়, খুব সম্ভবত তাদের মতো করে ফুটবল কেউ খেলেন নি এবং পরবর্তীতেও হয়তো আর কেউ আসবেন না। দু'জনের সম্পর্কটা কেমন ছিল সেটা জানা যাক।
একেবারে গোড়ার দিকে যাওয়া যাক। ২০০৮ সাল থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত আর্জেন্টিনার কোচের দায়িত্ব পালন করেন দিয়েগো ম্যারাডোনা। এ সময়ে ফুটবলের শ্রেষ্ঠ দুই তারকাকে এক শিবিরে দেখা যায়, একসঙ্গে মাঠে দেখা যায়। দু'জনের মিতালীতে খেলা হয় ২৪টি, যার ১৮টিতেই জয় পায় আর্জেন্টিনা। তবে ২০১০ বিশ্বকাপে জার্মানির কাছে হেরে কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নেয়ার পর, এই সম্পর্কও ছিন্ন হয়।
১৫ বছর ধরে, দুই তারকার মধ্যে তুলনা চলছে। ১৯৮৬ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে করা ম্যারাডোনার সেই গোল মেসি ফিরিয়ে এনেছিলেন বার্সেলোনা জার্সিতে। নিজেদের অংশ থেকে বল নিয়ে প্রতিপক্ষের ৪-৫ জন ডিফেন্ডারকে ড্রিবল করে, এক দৌড়ে আদায় করা ম্যারাডোনার গোলেরই যেন প্রতিচ্ছবি খুঁজে পান অনেকে মেসির করা গোলে। 
ম্যারাডোনার করা 'হ্যান্ড অব গড' গোল নিয়ে তো আলোচনার শেষ নেই। মজার ব্যাপার, প্রযুক্তির এই যুগেও ঠিক একই দেখতে একটি গোল করেন মেসিও। এস্প্যানিওলের বিপক্ষে করা সেই গোলটিও তাকে দাঁড় করিয়ে দেয় ম্যারাডোনার পাশে। 
একক নৈপুন্যে আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ জেতানো, নাপোলির মতো ক্লাবকে বিখ্যাত করে তোলা, ১ম বারের মতো সিরিআ জেতানো কিংবা ইউরোপের শীর্ষ সারিতে পৌঁছে দেয়া, এসবের জন্যই বিখ্যাত দিয়েগো। অন্যদিকে, এক দশকেরও বেশি সময় ফর্মের শীর্ষে থাকা, ক্লাবকে সম্ভাব্য সব জেতানো এবং গোলের দিক থেকে অসম্ভব সব রেকর্ড করে নেয়ার জন্য সমালোচকদেরও প্রশংসা কুড়োন লিও।
তারপরও কোথায় যেন বাঁধে! তুলনাটা ঠিক জমে না। কিংবা তুলনা করতে চাওয়াই হয়তো বাতুলতা। 
এই প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হয় ম্যারাডোনা-মেসি দু'জনকেই। 
ম্যারাডোনা বলেন, লিও'র প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই বলছি, ওকে ওর মতো থাকতে দিন। আমি বলবো না সে বেটার কিংবা আমি বেটার ছিলাম। আমি তাকে অনেক ভালোবাসি এবং যখন তাকে পিচে খেলতে দেখতাম আমি খুব উপভোগ করতাম। সে খুব ভালো মানুষ। তবে অধিনায়ক হওয়ার মতো সব যোগ্যতা তার নেই। 
দু'জনের তুলনার প্রসঙ্গে জানতে চাওয়া হয় মেসির প্রতিক্রিয়াও। তিনি বলেন, আমি খুশি যে তিনি আমার ব্যাপারে ভালো কিছু বলেন। আমরা সবাই জানি, তিনি কি কিংবা কে? আর্জেন্টিনার জন্য তিনি বিশেষ কিছু। তিনি যা বলেন আর্জেন্টিনাবাসী তা শোনে, তার কথার প্রভাবই অন্যরকম। তিনি যা বলেন তা হচ্ছে পবিত্র কথা। 
দু'জনের মধ্যে খুব একটা সুসম্পর্ক ছিল না, এটা সত্য। তবে একজন অন্যজনকে সবসময়ই শ্রদ্ধা করতেন, প্রশংসা করতেন এবং দুই কিংবদন্তি সবসময়ই অন্যের খেলা প্রাণভরে উপভোগ করতেন বলে জানিয়েছেন।    

করোনা ভাইরাস লাইভ

আরও সংবাদ

করোনা ভাইরাস লাইভ ›

লাইভ অনুষ্ঠান বুলেটিন ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
সর্বশেষ সংবাদ
অনুসদ্ধান
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop