বাণিজ্য সময় ১৫ দিনের মধ্যে বাজারে আসবে নতুন আলু

২৬-১১-২০২০, ১১:৪৫

গোলাম নবী দুলাল

fb tw
১৫ দিনের মধ্যে বাজারে আসবে নতুন আলু
দেশের শস্যের ভাণ্ডার হিসেবে পরিচিত দিনাজপুর জেলা। এ জেলায় উৎপাদিত ধান, গম, ভুট্টা, আম ও লিচুসহ অন্যান্য ফসল জেলার চাহিদা মিটিয়ে বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হয়। আমন ধান কাটা শেষ হতেই সেই জমিতে কৃষকরা আলু আবাদ শুরু করেন। চলতি বছর এ জেলায় ৪২ হাজার ৩০০ হেক্টর জমিতে আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। মৌসুমের শুরুতেই এবার আগাম জাতের আলু রোপন করা হয়। ফলে খুব শিগগিরই নতুন আলু বাজারে আসবে বলে কৃষি বিভাগ আশ্বস্ত করেছে।
দিনাজপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক কৃষিবিদ তৌহিদুল ইকবাল জানান, চলতি বছর জেলায় ৪২ হাজার ৩শ' হেক্টর জমিতে আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ১ নভেম্বর থেকে জেলার ১৩টি উপজেলাতেই কৃষকরা আগাম জাতের আলু রোপন করা হয়েছে। মূলত ‍দুই মাস পর মাঠ থেকে আলু তোলা হয়। তবে নতুন জাতের আলুর চাহিদা থাকায় অল্প পরিমাণে তোলা হচ্ছে।    
নতুন আলু বাজারে বিক্রি করলে কৃষকরা প্রথম দিকে একটু লাভবান হন। বাজারে নতুন আলু উঠলে পুরাতন আলুর দাম কিছুটা কমবে বলেও জানান তিনি।
চলতি বছর প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে বৃষ্টি ও জলবদ্ধতা থাকায় আলু চাষ ২ সপ্তাহ পিছিয়ে যায়। ফলে এবার একটু দেরিতে আগাম জাতের আলু বাজারে আসছে বলে জানিয়েছে জেলার কৃষি বিভাগ। দাম বেশি পাওয়ার আশায় আগাম জাতের আলু আবাদ করেছেন চাষিরা। চাষিদের আশা আগামী ১৫ দিনের মধ্যে নতুন আলু বাজারে আসবে। ক্রেতারা নতুন আলু সানন্দে বাজার থেকে ক্রয় করতে পারবেন।
দিনাজপুর শহরের বাজারগুলোতে ঘুরে কাঁচামাল ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ক্রেতারা এরই মধ্যে নতুন আলু খোঁজ করছেন।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের গবেষণা কর্মকর্তা সহকারী পরিচালক আশরাফুজ্জামান জানান, জেলায় গত বছর ৪৪ হাজার ৩০০ হেক্টর জমিতে আলুর আবাদ করা হয়েছিল। গত বছর অর্জিত ও উৎপাদন হয়ে ফলন হয়েছিল ৯ লাখ ৩০ হাজার মেট্রিক টন। এ বছরও একই পরিমাণ জমিতে আলুর আবাদ হয়েছে। ইতিমধ্যে সাড়ে ১০ হাজার হেক্টর জমিতে আগাম জাতের আলু রোপণ হলে করা হয়েছে। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে নতুন আলু বাজারে পাওয়া যাবে। এছাড়া সারাবছর খাওয়ার উপযোগী আলুর বীজ বর্তমানে কৃষকরা রোপণ করছেন। যা দুই মাস পর তোলা হবে। আর সেগুলো সংরকক্ষণ করা হবে।
সদর উপজেলার মহব্বতপুর ও উলিপুর গ্রামের কৃষক আব্দুর রহমান ও সোলায়মান আলী জানান, গত বছর আলুর বাম্পার ফল হয়েছিল। কিন্তু বাজারে আলুর দাম কম থাকায় অধিকাংশ কৃষক লাভের মুখ দেখেননি। এবছর বাজারে পুরাতন আলুর দাম বেশি। তাই সে আশায় বুক বেধে আলু চাষ করছেন তারা। আগাম আলুর বীজ প্রতি কেজি ৩০ থেকে ৪০ টাকা দরে কিনতে হয়েছে। আগাম আলুর দাম ভালো পেলে গত বছরের ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে পারবেন বলে আশা কৃষকদের।
জেলার বিরল ও চিরিরবন্দর উপজেলার কয়েকজন কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আগাম জাতের আলুর গাছে কোনো ধরনের রোগ বালাই এখন পর্যন্ত দেখা যায়নি। ফলে এবার আলুর ফলনও ভালো হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দেশি জাতের চল্লিশা, লালঠি ও কাঠি নাল আলু আগাম বাজারে আসবে।
এ ছাড়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা আলু চাষিদের নানা পরামর্শ দিয়ে আলুর বাম্পার ফলন উৎপাদনে কৃষকদের সহায়তা দিয়ে যাচ্ছেন।

করোনা ভাইরাস লাইভ

আরও সংবাদ

করোনা ভাইরাস লাইভ ›

লাইভ অনুষ্ঠান বুলেটিন ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
সর্বশেষ সংবাদ
অনুসদ্ধান
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop