বাণিজ্য সময় করোনায় নতুন করে ক্ষতির মুখে যুক্তরাষ্ট্রের হোটেল-রেস্তোরাঁ

২৬-১১-২০২০, ১১:৪১

হরিপদ সাহা

fb tw
যুক্তরাষ্ট্রে করোনার দ্বিতীয় ধাক্কায় সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে নতুন করে বিধি নিষেধ আরোপ করা হচ্ছে। নিউইয়র্কেও স্কুলের পর শিগগিরই হোটেল-রেস্তোরাঁ, ব্যায়ামাগারের (জিম) মত প্রতিষ্ঠান বন্ধের ইঙ্গিত দিয়েছেন শহরটির মেয়র। এ খাতের উদ্যোক্তারা, দ্বিতীয়বারের লকডাউনে চরম আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন। 
বিশ্বে করোনা মহামারির সবচেয়ে বিপর্যস্ত দেশ যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে এরইমধ্যে মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে আড়াই লাখ আর আক্রান্ত ১ কোটির বেশি। সবশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে মারা গেছে সর্বোচ্চ ৩৪ হাজার। আক্রান্ত ৬ লাখ ১৮ হাজার।
করোনার তাণ্ডবে স্থবির অর্থনীতিতে বিশ্বের ব্যয়বহুল শহরের তালিকায় এক ধাপ পিছিয়ে গেছে নিউইয়র্ক শহর। এই যখন অবস্থা তখন শহরের রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ীদের কপালে দুশ্চিন্তার ভাজ আরও গভীর হচ্ছে। কেননা শহরে দ্বিতীয় ধাপের করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় নতুন করে লকডাউনের কবলে পরতে পারে তাদের রেস্তোরা ও খাবারের ব্যবসা।
এ অবস্থায় নিউইয়র্কে লি গ্যাটোপার্ডো রেস্তোরার মালিক জিয়ানফ্রাঙ্কো বলেন, আমি খুবই চিন্তিত। জানা মতে, নিউইয়র্কের তিনভাগের একভাগ রেস্তোরাঁ বন্ধ হয়ে গেছে। এবং আবার লকডাউন শুরু হলে বছর শেষে আরেকটা অংশও বন্ধ হয়ে যাবে। সরকার যা আর্থিক সহায়তা দিয়েছে তা ইতিবাচক, তবে জানি না আবারও সেরকম সমর্থন পাবো কিনা। এটা ঠিক যে, জনগণের স্বাস্থ্যঝুঁকির বিবেচনায় রেস্তোরাঁয় অন্তত বসে খাওয়ার ব্যবস্থা বন্ধ করা উচিৎ। কিন্তু বাণিজ্যিক এলাকাগুলোতে খাবারের হোম ডেলিভারিও যদি বন্ধ হয় তবে বছর শেষে ব্যবসা টিকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়াবে। সুতরাং আমি আশা করি মেয়র ও গভর্নর পরিস্থিতি বুঝবেন এবং আমাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা করবেন।
বিশ্বের রাজধানী খ্যাত নিউইয়র্কে বিখ্যাত সব রেস্তোরা আর আন্তর্জাতিক হোটেলের আউটলেট করোনায় ধাক্কায় বন্ধ হয়ে যাওয়ার শঙ্কায় হতাশ ভোজন রসিকরাও। একজন জানান, আমি একদমই সন্তুষ্ট হবো না। কেননা রেস্তোরাঁগুলো নিউইয়র্ক এবং ম্যানহাটনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আমি মনে করি এগুলো চালিয়ে নেয়ার নিরাপদ উপায়ও আছে। এবং আমাদের হোটেলগুলো বন্ধ করা উচিৎ নয়।
আরেকজন জানান, এটা খুব দুঃখজনক হবে যদি রেস্তোরাঁগুলোতে বসে খাওয়া বন্ধ হয়ে যায়। আমি মনে করি, যথাযথ ব্যবস্থা নিলে আমরা এখানেও নিরাপদ ভাবতে পারি। দেখতেই পারছেন টেবিলগুলো খালি, নির্দিষ্ট দূরত্ব মেনে চললে সমস্যার কোন কারণ নেই। কেননা আমাদের ভাবা উচিৎ রেস্তোরাঁগুলো এরইমধ্যে খারাপ অবস্থার মধ্যে দিয়ে গেছে বছরের অনেকটা সময়। তাই আমি মনে করি আরেকটা লকডাউন তাদের জন্য মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা হবে। এমন সিদ্ধান্ত কেবল সবশেষ উপায় হিসেবে ভাবা যায়।
নিউইয়র্ক শহরের মেয়র ভার্চুয়াল স্কুলের পক্ষে তার যুক্তি তুলে ধরে বলেছেন, করোনার বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রশাসন জনসমাগম কমানোর পথে যাচ্ছে ।
নিউইয়র্ক সিটি মেয়র বিল দে ব্লাসিও বলেন, অনেক মানুষের মনে হতাশা দানা বেঁধেছে যে, লকডাউন নীতির কোথাও কোথাও ত্রুটি আছে। তারা দেখেছে যে স্কুল বন্ধ, অনেকেই বলছে, তাহলে রেস্তোরার কি হবে? গভর্নর পরিষ্কার করে বলেছেন যে এটা কেবল সময়ে ব্যাপারমাত্র, ইনডোর রেস্তোরা, জিম, ও এমন অন্যান্য প্রতিষ্ঠানও বন্ধ করা হবে। যারা অরেঞ্জ জোনের বিষয়টি জানেন তার নীতি আসলে স্পষ্ট করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রে গেল সপ্তাহে গড়ে প্রতিদিন ১ লাখ ৬১ হাজার জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। যা গত দুই সপ্তাহের তুলনায় ৫০ শতাংশ বেড়েছে।

করোনা ভাইরাস লাইভ

আরও সংবাদ

করোনা ভাইরাস লাইভ ›

লাইভ অনুষ্ঠান বুলেটিন ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
সর্বশেষ সংবাদ
অনুসদ্ধান
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop