বাণিজ্য সময় বিনিয়োগে আকর্ষণীয় সুবিধা দিচ্ছে বাংলাদেশ: নরওয়ে

২৫-১১-২০২০, ২০:২৬

বাণিজ্য সময় ডেস্ক

fb tw
বিনিয়োগে আকর্ষণীয় সুবিধা দিচ্ছে বাংলাদেশ: নরওয়ে
নরওয়ের বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে সম্ভাবনাময় খাতগুলোতে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত ইসপেন রিকটার এসভেনডসেন। তিনি জানান, বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের প্রচুর চাহিদা রয়েছে নরওয়েতে। তা ছাড়া বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকারের দেয়া সুযোগ-সুবিধা খুবই আকর্ষণীয়। 
বুধবার (২৫ নভেম্বর) বিকেলে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশির সঙ্গে অনুষ্ঠিত ভার্চুয়াল সভায় এসব কথা বলেন তিনি। 
রাষ্ট্রদূত জানান, আগামীতে দুদেশের ব্যবসায়ীরা বসে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির উদ্যোগ গ্রহণ করবে। উভয় দেশের সরকার প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করবে। এ ছাড়া বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নতিতে নরওয়ে খুশি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এ সময় বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, বাংলাদেশে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা প্রদান করছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে দেশের বিভিন্ন স্থানে একশটি স্পেশাল ইকোনমিক জোন গড়ে তোলার কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। ইতোমধ্যে অনেক দেশ বিনিয়োগের জন্য এগিয়ে এসেছে। বাংলাদেশ সরকার বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ট্যাক্সসহ বেশকিছু সুযোগ-সুবিধা দিচ্ছে। এ মুহূর্তে বিনিয়োগের জন্য বাংলাদেশ খুবই আকর্ষণীয় স্থান। নরওয়ে বাংলাদেশে বিনিয়োগ করলে বেশি লাভবান হবে। 
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, নরওয়ের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য বৃদ্ধির বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। নরওয়ে বাংলাদেশের বন্ধু রাষ্ট্র। উভয় দেশের ব্যবসায়ীরা পারস্পরিক দেশ সফরের মাধ্যমে এ সুযোগকে কাজে লাগাতে পারে। নরওয়েতে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রফতানি হচ্ছে। এ ছাড়া ওষুধ, সিরামিক পণ্য, ফার্নিচার, আইসিটি, হিমায়িত মৎস্য, চামড়াজাত পণ্য এবং হালকা ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য করার সুযোগ রয়েছে, এ রফতানি আরও বাড়ানো সম্ভব।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ পণ্যের একটি বড় বাজার। পার্শ্ববর্তী চীন ও ভারতও পণ্যের বড় বাজার। বাংলাদেশে উৎপাদিত পণ্য এসব দেশে রফতানি করার সুযোগ রয়েছে। বাংলাদেশের বিপুল পরিমাণ দক্ষ জনশক্তি রয়েছে। এখানে তুলনামূলক কম মূল্যে বিশ্বমানের পণ্য উৎপাদন করা সম্ভব। 
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ সফলভাবেই কোভিড-১৯ মোকাবিলা করে যাচ্ছে। ইতোমধ্যেই বাংলাদেশের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়িয়েছে। প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও বাংলাদেশের জিডিপি বৃদ্ধি ৫ দশমিক ২৪ ভাগ হবে, যা এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে বেশি।
উল্লেখ্য, গত ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে বাংলাদেশ নরওয়েতে ৬৮ দশমিক ১৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য রফতানি করেছে। একই সময়ে আমদানি করেছে ৫১ দশমিক ৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য।

করোনা ভাইরাস লাইভ

আরও সংবাদ

করোনা ভাইরাস লাইভ ›

লাইভ অনুষ্ঠান বুলেটিন ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
সর্বশেষ সংবাদ
অনুসদ্ধান
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop