বাণিজ্য সময় বৈশ্বিক দুর্যোগ মোকাবিলায় অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের বিকল্প নেই: জি-২০

২৩-১১-২০২০, ১০:৩১

ঈষিতা ব্রহ্ম

fb tw
মহামারির মতো বৈশ্বিক দুর্যোগ মোকাবিলায় অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের বিকল্প নেই। মহামারি পরবর্তী বিশ্বব্যবস্থায় অর্থনৈতিকভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর অন্যতম হাতিয়ার নারী ও তরুণদের ক্ষমতায়ন। এমনই নানা মৌলিক বিষয়ে ঐকমত্য পোষণ করেছেন উন্নত ও উন্নয়নশীল ১৯ দেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থনৈতিক জোট জি-২০'র নেতারা।
দুদিনব্যাপী আয়োজিত জোটের ১৫তম সম্মেলনের সমাপনী দিন রোববার (২২ নভেম্বর) অংশ নেওয়া বিশ্ব নেতারা এ শঙ্কাও প্রকাশ করেন, সবার জন্য কোভিড পরীক্ষা, ওষুধ ও টিকার সহজ প্রাপ্তি নিশ্চিত করা না গেলে বিশ্বজুড়ে বাড়বে ধনী-গরিবের ব্যবধান।
বিশ্বের প্রায় ৮০ শতাংশ অর্থনীতি ও দুই তৃতীয়াংশ বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণকারী উন্নত ও উন্নয়নশীল ১৯ দেশ ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থনৈতিক জোট জি-২০। কোভিডের কারণে ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে আয়াজিত এবারের সম্মেলনে অনিবার্যভাবেই উঠে আসে করোনার কারণে আর্থিক ক্ষতি ও এ থেকে উত্তরণের নানা দিক।   
আয়োজক দেশ সৌদি আরবের বাদশাহর সমাপনী বক্তব্যের পরও তা শেষ হয়নি। অপ্রত্যাশিতভাবে আবির্ভাব ঘটে যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের। বিশ্ব নেতৃত্বের উদ্দেশ্যে দেওয়া বক্তব্যে তিনি কোভিড মোকাবিলায় তার দেশের নেয়া নানা পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করেন। 
সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান বলেন, বিশ্ব অর্থনীতি ও বাণিজ্য টিকিয়ে রাখতে বিশেষ করে মানুষের জীবন যেন ঝুঁকিতে না পড়ে সে লক্ষ্যে আমরা কমপক্ষে ১১ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করেছি। এটি অকল্পনীয়। সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি বিশেষ করে যারা চাকরি ও কর্মসংস্থানের ঝুঁকিতে আছে তাদের জন্য সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছি। একই সঙ্গে সংকটপূর্ণ দেশগুলোর ঋণগ্রস্তদের জন্য ঋণ মৌকুফের মতো পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, যেখানে ব্যয় করা হয়েছে ১৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এই পদক্ষেপের সুবিধাভোগী প্রায় ১০০ কোটি মানুষ। 
নারী ও তরুণদের ক্ষমতায়নের মধ্য দিয়ে কোভিড-পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবিলা করা যে অনেকটাই সহজ হবে সে ব্যাপারে একমত হন সম্মেলনে অংশ নেয়া নেতারা। চীনা প্রেসিডেন্ট উল্লেখ করেন, এরই মধ্যে ঋণ মওকুফের মতো পদক্ষেপ নিয়ে অর্থনৈতিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে বেইজিং। 
শি জিনপিং বলেন, মহামারির মতো পরিস্থিতি মোকাবিলায় অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের বিকল্প নেই। উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য আমাদের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। নিজেদের নানা সমস্যার পরও আমরা ঋণ মওকুফের মতো পদক্ষেপ নিয়েছি এবং এরই মধ্যে আর্থিক সমস্যায় জর্জরিত দেশগুলোর জন্য এমন প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। বিশেষ করে নারীরা যেন করোনা মহামারির ক্ষতি কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াতে পারে, তাদের বিশেষ চাহিদার কথা মাথায় রেখে আমরা এরই মধ্যে বেইজিং ঘোষণার বাস্তবায়ন শুরু করেছি। 
এক সংবাদ সম্মেলনে জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মার্কেল বলেন, বিশ্বকে টিকিয়ে রাখতে প্রতিটি দেশে করোনা ভ্যাকসিনের সুষ্ঠু বিতরণ জরুরি। আশার কথা, ভ্যাকসিন পাওয়ার একটি সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে সুনির্দিষ্ট একটি প্রশ্নও উঠেছে, ইউরোপ কি শুধু নিজেদের জন্যই টিকার ব্যবস্থা করছে? ইউরোপীয় কমিশন বেশ ভালো কাজ করছে। তবে পৃথিবীর সব দেশ ও সব মানুষের জন্য এ টিকা প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে হবে। 
স্বাস্থ্য ও আর্থিক নিরাপত্তা নিয়ে নানা উদ্যোগের কথা বলা হলেও, এখনো যে পর্যাপ্ত তহবিল ঘাটতি আছে সে বিষয়টিও উঠে আসে সম্মেলনের নানা আলোচনায়।

করোনা ভাইরাস লাইভ

আরও সংবাদ

করোনা ভাইরাস লাইভ ›

লাইভ অনুষ্ঠান বুলেটিন ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
সর্বশেষ সংবাদ
অনুসদ্ধান
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop