বাংলার সময় লালমনিরহাটে ইউএনও ও চেয়ারম্যানের পাল্টাপাল্টি লিখিত অভিযোগ

১৭-১১-২০২০, ০২:৫২

মোফাখখারুল ইসলাম মজনু

fb tw
11
এবার প্রকাশ্য হলো লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের দ্বন্দ্ব। দ্বন্দ্বের জেরে একে অপরের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেছেন লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক এর নিকট।
লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ মনছুর উদ্দীনের সাথে উপজেলা চেয়ারম্যান ইমরুল কায়েশ ফারুকের মধ্যে বেশ কিছু দিন ধরে ওই উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন কাজ সম্পাদন নিয়ে মতবিরোধ চলে আসছিল। যা প্রকাশ্য রুপ নেয় গত ১২ নভেম্বর উপজেলা পরিষদে একটি সমন্বয় সভা চলা কালীন সময়ে।
আদিতমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, উপজেলা চেয়ারম্যান ইমরুল কায়েস ফারুক বিধিমালা না মেনে নিয়ম বহির্ভূতভাবে পরিষদের বিভিন্ন কাজ ও প্রকল্প বাস্তবায়নের চেষ্টা ও চাপ প্রয়োগ করে আসছিলো।এরই অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার (১২ নভেম্বর) সকালে উপজেলা পরিষদের সমন্বয় সভা চলাকালীন সময়ে দুপুর সাড়ে ১২ টায় ভিজিডি ও মাতৃত্বকালীন ভাতার তালিকা চেয়ারম্যানের অংশ বলে দাবী করেন। এতে মতবিরোধ দেখা দিলে শুরু হয় বাক বিতণ্ডা। পণ্ড হয় সভা। 
পরে ওই দিনই বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ মনছুর উদ্দীন উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ১৭ জনকে সাথে নিয়ে লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক মো. আবু জাফর এর নিকট উপজেলা চেয়ারম্যান ইমরুল কায়েশ এর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ জমা দেন। এছাড়াও রোববার (১৫ নভেম্বর) তিনি (ইউএনও) আদিতমারী থানায় জীবন নাশের হুমকি সহ এসব বিষয়ে একটি সাধারণ ডায়রি (জিডি) করেন।
এদিকে, আদিতমারী উপজেলা চেয়ারম্যান ইমরুল কায়েশ ফারুক শনিবার (১৪ নভেম্বর) বিকেলে তার বাসভবন চত্তরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ এনে এক সংবাদ সম্মেলন করেন। সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সরকারি পরিপত্র না মেনে এবং উপজেলা চেয়ারম্যান এর সাথে সমন্বয় না করে অনিয়ম দুর্নীতির মাধ্যমে বিভিন্ন কার্যাদি পরিচালন করছেন। 
এছাড়াও এসব বিষয়ে অভিযোগ এনে উপজেলা চেয়ারম্যান আজ রোববার বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ মনছুর উদ্দীনের  বিরুদ্ধে লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক এর নিকট লিখিত অভিযোগ করেন।
এসময় উপজেলা চেয়ারম্যান ইমরুল কায়েশ ফারুক সময় সংবাদকে বলেন, আমার বিরুদ্ধে আদিতমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অভিযোগ ভিত্তিহীন ও বানোয়াট।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনছুর উদ্দীন তার অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের ১৭ জন কর্মকর্তাকে নিয়ে জেলা প্রশাসকের নিকট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অভিযোগ তদন্তে স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ পরিচালক রফিকুল ইসলামকে তদন্তের দায়িত্ব দিয়ে এক সদস্যের তদন্ত কমিটি করেন জেলা প্রশাসক। 
তিনি রোববার ঘটনা তদন্ত করে জেলা প্রশাসকের নিকট তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন রোববার সন্ধ্যায়।
লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক জানান, তদন্ত কমিটির রিপোর্টের আলোকে বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণ করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষের  নির্দেশনা মতে ব্যবস্থা নেয়া হবে। পাশাপাশি রোববার বিকেলে জেলা প্রশাসকের নিকট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনছুর উদ্দীনের বিরুদ্ধে উপজেলা  চেয়ারম্যান এর অভিযোগ তদন্ত করেও নেয়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক মো. আবু জাফর। 

করোনা ভাইরাস লাইভ

আরও সংবাদ

করোনা ভাইরাস লাইভ ›

লাইভ অনুষ্ঠান বুলেটিন ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
সর্বশেষ সংবাদ
অনুসদ্ধান
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop