Close (x)

বাংলার সময় চুয়াডাঙ্গায় মজুদকৃত সার নিয়ে লুকোচুরি!

২৯-১০-২০২০, ০১:৩৩

মাহফুজ মামুন

fb tw
চুয়াডাঙ্গায় মজুদকৃত সার নিয়ে লুকোচুরি!
মজুদকৃত সার নিয়ে চুয়াডাঙ্গায় চলছে লুকোচুরি। কেউ বলছেন সারের সংকট, আবার কেউ বলছেন সারের মজুদ রয়েছে যথেষ্ট।
চুয়াডাঙ্গায় টিএসপি ও ডিএপি সারের সংকট তৈরি করে বাড়তি দামে বিক্রি করছে। কোন কোন সার ডিলার সংকটের দোহায় দিয়ে বলছেন সার বাইরে থেকে বেশি দামে কেনার কারণে বিক্রি করতে হচ্ছে বাড়তি দামে। জেলার সদর উপজেলার সার ডিলারদের সাথে জরুরি বৈঠকে বসেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। কোন ভাবেই সারের বাজারের লাগাম টেনে ধরা সম্ভব হচ্ছে না সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার কারণে। সরকার নির্ধারিত মূল্যে সার বিক্রি কোন ভাবেই সম্ভব হচ্ছে না। কৃষকরা সার ডিলারদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছেন। কারণ সার ছাড়া কৃষকদের চাষ অসম্ভব। বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকালে সদর উপজেলায় এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিকুর রহমান বলেন, সারের দাম বৃদ্ধি ও সংকট নিয়ে সার ডিলারদের সাথে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সার ডিলাররা বলেন বরাদ্দকৃত সারের কোন মজুদ নেই। বাইরে থেকে বেশি দামে সার কিনে আনার কারণে বাড়তি দামে কৃষকদের কাছে সার বিক্রি করতে হচ্ছে। সার যদি বাইরের জেলা থেকে নিয়ে না আসে তা হলে সংকট আরো বেড়ে যাবে। ডিলাররা বাইরে থেকে যে সার কিনে আনছেন সে গুলোর কোন রশিদ দেখাতে পারছেন না। এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অবৈধ ভাবে মজুদ রাখার কোন সুযোগ নেই। চাহিদার অর্ধেক সার পায় ডিলাররা।
সার ডিলাররা জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনকে বুঝাতে সক্ষম হচ্ছে যে সার গুলো বাইরে থেকে নিয়ে আসে। বাইরে থেকে কেনা সারের রশিদ থাকার কথা। সে রশিদও দেখাতে পারছেন না ডিলাররা। সারের রশিদ না থাকলে সে গুলো ডিলারদের বরাদ্দকৃত সার। ডিলারদের গোডাউন বোঝাই সার আর সার। কৃষক সার কিনতে গেলে বলা হচ্ছে সার নেই। চাহিদার তুলনায় কম সার দেওয়ার কারণে এ সংকট দেখা দিয়েছে। টিএসপি ও পিএপি সারের সংকট দেখা দিয়েছে চুয়াডাঙ্গায়। যার ফলে কৃষকদের পড়তে হচ্ছে চাষ নিয়ে বিড়ম্বনার মধ্যে। এ মৌসুমে চাষ কাজ ব্যাহত হতে পারে সারের সংকট দেখিয়ে বেশি দামে বিক্রির কারণে। বাড়তি দামে সার কিনে কৃষকের চাষে খরচ বেড়ে যাচ্ছে অনেক বেশি।
টিএসপি সার প্রতি বস্তার দাম ১১শ টাকা ও ডিএপি সারের দাম প্রতি বস্তা ৮শ টাকা সরকার নির্ধারিত। কিন্তু বাড়তি দামে সার বিক্রি কোন ভাবেই বন্ধ করতে পারছেনা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। কৃষকরা ভুট্টা, সবজি, আলুসহ বিভিন্ন ধরনের ফসল চাষ করছেন মাঠে।
বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার এ্যাসোসিয়েশন চুয়াডাঙ্গা শাখার সভাপতি মীর মহি উদ্দিন বলেন, বাইরের সার এখনও আসেনি সরকারী ভাবে বরাদ্দকৃত সার বিক্রি হচ্ছে। আগামী মাসে নির্দিষ্ট সময়ে সার না পেলে বাইরে থেকে আনতে হবে সার। চাহিদার চাইতে অর্ধেক সার সরবরাহ করে সরকার। যার কারণে বাধ্য হয়ে অন্য স্থান থেকে সার আনতে হয়। বাইরে থেকে সার জেলায় আনলে বিষয়টি প্রশাসনকে জানাতে হবে। 
চুয়াডাঙ্গা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আলী হাসান বলেন, জেলায় সারের কোন ঘাটতি নেই। এখনও পর্যন্ত বরাদ্দ পাওয়া সার মজুদ রয়েছে ডিলারদের কাছে। সারের সংকট থাকার কোন সুযোগ নেই। আর বাড়তি দামে বিক্রির কোন সুযোগ নেই। নির্ধারিত দামেই সার বিক্রি করতে হবে।

করোনা ভাইরাস লাইভ

আরও সংবাদ

করোনা ভাইরাস লাইভ ›

লাইভ অনুষ্ঠান বুলেটিন ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
সর্বশেষ সংবাদ
অনুসদ্ধান
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop