Close (x)

বিনোদনের সময় সিনেমাটি নির্মাণে দেরি হওয়ার কারণ জানালেন টোকন ঠাকুর

২৬-১০-২০২০, ২৩:৩৩

ফারুক ভূঁইয়া রবিন

fb tw
সিনেমাটি নির্মাণে দেরি হওয়ার কারণ জানালেন টোকন ঠাকুর
একই মন্ত্রণালয়ের এক মন্ত্রীর আমলে চলচ্চিত্রের অনুদান অনুমোদন, আবার সেই মন্ত্রীর আমলেই মামলা, আর এই মন্ত্রণালয়ের অন্য আরেক মন্ত্রীর আমলে গারদবাস। একটি চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে গিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে এমন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে হয়েছে কবি ও চলচ্চিত্র নির্মাতা টোকন ঠাকুরকে। সরকারি অনুদানে চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে গিয়ে নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করতে না পারায় মামলা এবং গ্রেফতারের মুখোমুখি হন তিনি। তবে চলচ্চিত্রটি নির্মাণে দেরি হওয়ার ব্যাখ্যা দিয়েছেন টোকন ঠাকুর। জানিয়েছেন, ইতিহাসভিত্তিক চলচ্চিত্র হওয়ায় এটি নির্মাণে তার দেরি হয়েছে।
কথাসাহিত্যিক শহীদুল জহিরের ছোটগল্প 'কাঁটা' অবলম্বনে ২০১২-১৩ অর্থবছরে যখন চলচ্চিত্র নির্মাণের অনুদান পান টোকন ঠাকুর, তখন তথ্যমন্ত্রীর দায়িত্বে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের শরিক দল জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনু। তবে অনুদানের টাকা পাওয়ার ৯ মাসের মধ্যে চলচ্চিত্র নির্মাণ শেষ করার নিয়ম থাকলেও এখনো কাজ বুঝিয়ে দিতে পারেনি টোকন ঠাকুর। অনুদানের টাকা পাওয়ার ৩ বছরের বেশি সময় পর ২০১৬ সালে যখন টোকেন ঠাকুর মামলার মুখে পড়েন, তখনও তথ্যমন্ত্রীর চেয়ারে হাসানুল হক ইনু।
ওই মামলার জেরেই টোকেন ঠাকুরকে যখন গ্রেফতার হতে হয়, তখন তথ্যমন্ত্রীর দায়িত্বে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসান মাহমুদ।
তথ্য মন্ত্রণালয়ের মামলায় গত ৩ অক্টোবর গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয় টোকন ঠাকুরের বিরুদ্ধে। এরই প্রেক্ষিতে রোববার রাতে তাকে গ্রেফতার করে নিউমার্কেট থানা পুলিশ। তবে ২৪ ঘণ্টারও কম সময় কারাবাস করতে হয় তাকে। ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) আদালত থেকে শর্তসাপেক্ষে জামিন পেয়ে সোমবার বিকেলে মুক্ত হন তিনি।
টোকন ঠাকুরের চলচ্চিত্র-সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রায় সোয়া কোটি টাকা ব্যয়ের চলচ্চিত্রে সরকারি অনুদান পাওয়ার কথা ছিলো ৩৫ লাখ টাকা। আর সে টাকা তিন কিস্তিতে পাওয়ার কথা ছিলো। প্রথম কিস্তিতে তিনি ১১ লাখ টাকা অনুদান পেয়েছিলেন। নিয়ম অনুযায়ী, এ অর্থের বিপরীতে সমমূল্যের ফুটেজ জমা দিয়ে পরের কিস্তির টাকা পাওয়ার কথা। কিন্তু টোকন ঠাকুর চলতি বছরের জানুয়ারিতে সিনেমার শতভাগ ফুটেজ একসাথে জমা দিয়েছেন। আর সে কারণে সিনেমার তহবিল জোগাড় করতে গিয়ে যথেষ্ট সময় লেগে যায় বলে দাবি করেন টোকন ও তার শুভাকাঙ্ক্ষীরা।
টোকন ঠাকুর জানান, তার সিনেমায় ষাটের দশক, একাত্তর ও ৯০ সালের মতো তিনটি ভিন্ন প্রেক্ষাপট ও সময়কে তুলে ধরতে হয়েছে। যে কারণে সিনেমা নির্মাণে দেরি হয়।
অনুদানের টাকার শর্ত অনুযায়ী ধাপে ধাপে ফুটেজ জমা না দিয়ে একসাথে জমা দেয়ার কারণ হিসেবে টোকন ঠাকুর বলেন, আমার সিনেমাটা পিরিওডিক্যাল (periodical) সিনেমা। ষাটের দশকের শ্যুটিং করতে হয় পুরান ঢাকায়। এখন পুরান ঢাকার কোনো বাড়িতে শ্যুটিং করে আমি যদি ফিরে গিয়ে দ্বিতীয় কিস্তির টাকা এনে ৫ মাস পরে আবার শ্যুট করতে যাই, দেখবো ওই বাড়িগুলো ভাঙ্গা পড়ে গেছে। এ কারণে আমার এককালীন শ্যুটিং করার বাস্তবতা ছিলো। সে কারণে এককালীন এক কোটি টাকা এরেঞ্জ করার একটা চাপে ছিলাম। সে টাকা এরেঞ্জ করতে গিয়ে দেরি হয়েছে আমার। তবে সে টাকা এরেঞ্জ করে শ্যুটিং করে মন্ত্রণালয়ে জমাও দিয়ে দিয়েছি।
ছবির শ্যুটিং শেষ করে জানুয়ারিতে মন্ত্রণালয়ে জমা দেয়া হলেও করোনা মহামারির কারণে সম্পাদনার কাজ আটকে যায় বলে জানান টোকন ঠাকুর।
আগামী ৩-৪ মাসের মধ্যেই চলচ্চিত্রটির বাকি সব কাজ শেষ করার কথা জানিয়ে টোকন দাবি করেন, ছবিটির জন্য ন্যূনতম ১০ বছর সময় লাগতো। আমার তো শ্যুটিং শুরুর পর কেবল ৫ বছর লেগেছে।

করোনা ভাইরাস লাইভ

আরও সংবাদ

করোনা ভাইরাস লাইভ ›

লাইভ অনুষ্ঠান বুলেটিন ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
সর্বশেষ সংবাদ
অনুসদ্ধান
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop