Close (x)

আন্তর্জাতিক সময় চীনের স্বাস্থ্য সুরক্ষা পণ্যের বাজার আরও চড়া

২২-১০-২০২০, ১৮:৩০

আন্তর্জাতিক সময় ডেস্ক

fb tw
চীনের স্বাস্থ্য সুরক্ষা পণ্যের বাজার আরও চড়া
প্রযুক্তিবান্ধব সময়ে স্বাস্থ্য নিয়ে চিন্তা করার চেয়ে স্মার্টফোন নিয়ে পড়ে থাকতে কিংবা কাজ করতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন তরুণরা। কর্মক্ষেত্রেও সারাদিন বসে থাকেন কম্পিউটার বা ল্যাপটপের সামনে। স্বাস্থ্য নিয়ে ভাবার সময় কোথায়। অনেকের আবার সময় থাকলেও উচ্চমূল্যের কারণে তা ক্রয়ক্ষমতার বাইরে। অনেকে আবার সুস্থ থাকতে বাড়তি দামে বাধ্য হয়েই এসব পণ্য কেনেন, খরচের অন্য খাত বাদ দিয়ে।
ভোক্তারা জানান, আমার ৩০০ ডলার চলে যায় প্রতিমাসে পুষ্টিকর খাবার কিনতেই। আরো অর্থ খরচ হয় সুস্থ থাকতে নানা পণ্য কিনতে হয়। শুধু স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী কিনতেই মাসে ৩শ' ডলার খরচ হয়ে যায়। যেটা পোশাক কিনতেও হয় না। পোশাক কেনা বাদ দিয়ে ওষুধ কিনতে হয়।
‘সুস্থ থাকার জন্য পুষ্টিকর পণ্য কিনতে হয়, ওষুধ থেকে শুরু করে বিভিন্ন সাপ্লিমেন্ট। দেড়শ ডলারের মতো খরচ করি। কিছু করার নেই, সুস্থ থাকতে হবে। তাহলেই তো কাজ করতে পারবো।’
দেশটির ই কমার্স প্লাটফর্ম বলছে, চলতি বছর দেশটিতে স্বাস্থ্যসেবা সামগ্রীর দাম বেড়েছে। বিশ্বের ভবিষ্যত তরুণ প্রজন্মের সুস্থতার কথা মাথায় রেখে সাশ্রয়ী মূল্যে স্বাস্থ্যসেবা পণ্য তৈরি এবং বিক্রির পরিকল্পনা করছে চীন। কোভিডের কারণে অনেক বেশি লাভজনক অবস্থানে পৌঁছেছে এ বাণিজ্যিক খাত। বিনিয়োগ করছে বিদেশি অনেক প্রতিষ্ঠান।
স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ জানায়, তরুণরা কাজের ক্ষেত্রে অনেক বেশি চাপে থাকে। তাদের বেশিরভাগ সময় বসে থেকে কাজ করতে হয়। কায়িক শ্রমের সুযোগ, সময় কোনটাই নেই। তাদের জন্য প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা পণ্য, ওষুধ তৈরি আর সাশ্রয়ীমূল্যে সরবরাহ করা জরুরি।
২০১৯ সালেও চীনের স্বাস্থ্যসেবা সামগ্রীর বাজার ছিল ২২ হাজার ২শ' কোটি ইউয়ানের। দেশের পাশাপাশি সারাবিশ্বে কোভিড নাইনটিনের কারণে এক লাফে দেশটিতে তৈরি ওষুধ আর স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রীর চাহিদা অনেক বেড়েছে। তাই ২০২১ সালে এ বাজার ৩০ হাজার কোটি ইউয়ান বা ৫ হাজার কোটি ডলারে পৌঁছাবে বলে প্রত্যাশা করছে চীন সরকার।
স্থানীয় হেল্থকেয়ার গ্রুপ জানিয়েছে, যে পরিমাণ চাহিদা তাতে মনে হচ্ছে, ভবিষ্যতে এই শিল্পখাত ৫ থেকে ১০ গুণ বড় হবে। বিদেশিদের সাথে তাল মিলিয়ে দেশের মানুষকে সর্বোচ্চ স্বাস্থ্যসেবা দিতেই কাজ করবো। বিদেশিদের বুদ্ধিও কাজে লাগাবো। সাশ্রয়ী আর আকর্ষণীয় পণ্য তৈরি করতে হবে।
স্বাস্থ্যসেবা পণ্য থেকে চীনের মোট প্রবৃদ্ধির ৬ শতাংশ আসে। যেখানে ইউরোপের আসে ১২ শতাংশ, যুক্তরাষ্ট্রের আসে ১৬ শতাংশ। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আগামী দিনের তরুণরাই নতুন স্বাস্থ্যসেবা কোম্পানিগুলোর হাল ধরবে আর লাভজনক অবস্থায় নিয়ে যাবে। 

করোনা ভাইরাস লাইভ

আরও সংবাদ

করোনা ভাইরাস লাইভ ›

লাইভ অনুষ্ঠান বুলেটিন ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
সর্বশেষ সংবাদ
অনুসদ্ধান
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop