বাংলার সময় মোংলায় শ্রমিকদের কর্মবিরতিতে অচল বন্দর

২০-১০-২০২০, ১৯:৩০

মাহমুদ হাসান

fb tw
মোংলায় শ্রমিকদের কর্মবিরতিতে অচল বন্দর
শ্রমিকদের খাদ্য ভাতা, স্বাস্থ্য সুরক্ষা সরঞ্জাম, নিয়োগপত্র, সার্ভিসবুক ও পরিচয়পত্র প্রদান, নদীতে নিরাপত্তাসহ লাইটার শ্রমিকদের ১৫ ও নৌ-যান শ্রমিক ফেডারেশনের ১১ দফা দাবি আদায়ের লক্ষে দেশের অন্যান্য স্থানের মতো মোংলা বন্দরেও নৌযান শ্রমিকরা লাগাতার কর্মবিরতি শুরু করেছে।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) মধ্য রাত থেকে এ কর্মবিরতি পালন করতে শুরু করেছে তারা। এদিকে নৌযান শ্রমিকদের চলমান কর্মবিরতির ফলে মোংলা বন্দর কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। পশুর চ্যানেলে অবস্থানরত জাহাজগুলো থেকে কোনো পণ্য বোঝাই-খালাস কাজ হচ্ছে না। তবে বন্দর জেটি ও গ্যাস ফ্যাক্টরিতে সামান্য কাজ হচ্ছে বলেও জানা গেছে।
মোংলা বন্দরে সোমবার পর্যন্ত পণ্য বোঝাই ১৪টি বাণিজ্যিক জাহাজ অবস্থান করে।
নৌযান শ্রমিকরা জানান, মোংলা বন্দরের পশুর চ্যানেল ও মোংলা খাড়িতে এ মুহূর্তে প্রায় ৩ থেকে ৪শ’ লাইটারেজ জাহাজ অবস্থান করে কর্মবিরতি পালন করছে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) ভোর থেকেই জাহাজের পাশ থেকে সব লাইটারেজ জাহাজ সরিয়ে এনে পশুর নদীতে নোঙ্গর করে রাখা হয়েছে। এসব কার্গো জাহার ও লাইটারেজ জাহাজের কর্মচারীরা এখন অলস সময় অতিবাহিত করছে। বাংলাদেশ-ভারত নৌ প্রটোকল ভুক্ত আন্তর্জাতিক রুটসহ দেশের সব রুটে নৌ চলাচল বন্ধ রয়েছে।
মালিক ও সরকার নৌ শ্রমিকদের দাবি মেনে নেয়া না পর্যন্ত এ কর্মবিরতি লাগাতার চলবে বলে জানিয়েছেন নৌযান শ্রমিক নেতারা।
 
এদিকে নৌযান শ্রমিকদের এ কর্ম বিরতির ফলে বন্দর ব্যবহারকারীসহ শিপিং ব্যবসায়ীরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে যাচ্ছে। কর্মবিরতি শুরুর আগ থেকেই বন্দরে অবস্থানরত বিদেশি বাণিজ্যিক জাহাজের সাথে যে সকল নৌযান অবস্থান করছিল সেগুলোতে সোমবার দুপুর পর্যন্ত স্বল্প পরিসরে পণ্য খালাসের কাজ চলেছে। তবে কিছু কিছু জাহাজের সাথে কোন নৌযান অবস্থান না থাকায় সে সকল জাহাজের পণ্য ওঠা-নামার কাজ পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।
মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ হারবার মাস্টার কমান্ডার ফখর উদ্দিন বলেন, নৌযান শ্রমিকদের কর্মবিরতির প্রভাব ইতিমধ্যে পড়তে শুরু করেছে মোংরা বন্দরে। তবে বন্দর জেটি ও কন্টেইনার ইয়ার্ডে চলছে অভ্যন্তরীন কার্যক্রম।
তিনি আরো বলেন, বন্দরে এর প্রভাব এখনও পুরোপুরী বোঝা যাচ্ছে না তবে নৌযান শ্রমিকদের লাগাতার কর্ম বিরতি চললে বড় ধরনের সংকটের মুখে পড়বে মোংলা বন্দরসহ এর সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।
বন্দরের হারবার বিভাগ জানায়, পশুর চ্যানেল ও বহিঃনোঙ্গরে সোমবার বিকেলে ১৫টি বাণিজ্যিক জাহাজ পণ্য খালাসের অপেক্ষায় অবস্থান করছিল। মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত এখান থেকে ৫টি জাহাজ বন্দর ত্যাগ করেছে এবং নতুন করে আরো ৩টি বাণিজ্যিক জাহাজ পণ্য বোঝাই করে মোংলা বন্দরে খালাসের জন্য নোঙ্গর করেছে।
 
বাংলাদেশ লাইটারেজ শ্রমিক ইউনিয়নের মোংলা শাখার সহ-সভাপতি মাইনুল হোসেন মিন্টু ও সাধারণ সম্পাদক মামুন হাওলাদার বাচ্চু জানান, নৌযান শ্রমিকদের সাথে সরকার ও মালিকপক্ষ নানা ধরনের বৈষম্যমূলক আচরণ করছে। এর আগে শ্রমিকরা তাদের দাবি আদায়ে কর্মবিরতি পালন করলেও সরকার ও মালিকপক্ষ দাবি মেনে নেয়ার আশ্বাস দেয়। দীর্ঘদিনেও বাস্তবায়ন না করায় নৌযান শ্রমিকরা ফের বাধ্য হয়ে লাগাতার কর্মবিরতি পালন শুরু করেছে। তবে যতদিন পর্যন্ত নৌশ্রমিকদের দাবি মানা না হবে, এবারের কর্মবিরতি লাগাতার চলবে।
ইতিপূর্বে মালিকপক্ষ নৌ-শ্রকিদের নিয়ে টালবাহানা করেছে।
 

করোনা ভাইরাস লাইভ

আরও সংবাদ

করোনা ভাইরাস লাইভ ›

লাইভ অনুষ্ঠান বুলেটিন ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
সর্বশেষ সংবাদ
অনুসদ্ধান
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop