আন্তর্জাতিক সময় আজারবাইজানের পাল্টা হামলায় ২৩০০ আর্মেনীয় সেনা হতাহত

৩০-০৯-২০২০, ১৬:০১

আন্তর্জাতিক সময় ডেস্ক

fb tw
আজারবাইজানের পাল্টা হামলায় ২৩০০ আর্মেনীয় সেনা হতাহত
নাগারনো-কারাবাখ অঞ্চলে আর্মেনিয়ার হামলার প্রতিবাদে চালানো অভিযানে অন্তত ২ হাজার ৩০০ আর্মেনীয় সেনা হতাহত হয়েছে বলে দাবি করেছে আজারবাইজান।
এক বিবৃতিতে আজারবাইজানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, ২৭ সেপ্টেম্বরের পর থেকে এ পর্যন্ত তাদের পাল্টা অভিযানে ২ হাজার ৩০০ আর্মেনীয় সেনা আহত এবং নিহত হয়েছে।
বিবৃতিতে আরো দাবি করা হয়েছে, ১৩০টি ট্যাংক এবং সাজোয়াযান, ২০০’র বেশি আর্টিলারি এবং মিসাইল সিস্টেম, আনুমানিক ২৫টি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ৬টি কমান্ড এবং পর্যবেক্ষণ এলাকা, ৫টি গোলাবারুদ মজুদঘর, ৫০টি ট্যাংক বিধ্বংসী বন্দুক এবং ৫৫টি সামরিক গাড়ি ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে আজারবাইজানের সামরিক বাহিনী।
আজারবাইজানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আরো দাবি করেছে, বুধবার সকালে আর্মেনিয়ার বাহিনী আজারবাইজানের টেরটার অঞ্চলে গোলা হামলা চালিয়েছে।
বেশ কয়েকটি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হামলায় সাধারণ মানুষের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বলে উল্লেখ করা  হয়। হামলার পর আজারবাইজানের সেনাবাহিনী আর্মেনীয় বাহিনীকে টেরটার অঞ্চলে অবরুদ্ধ করছে বলে জানায় বাকু।
আর্মেনিয়ার সেনাবাহিনী এবং তাদের সামরিক অস্ত্র ধ্বংসের পাশাপাশি ওই এলাকা থেকে দখলদারদের হটাতে পাল্টা হামলা অব্যাহত রয়েছে। জানায় আজারবাইজানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
এর মধ্যেই আর্মেনিয়ার সেনবাহিনী আজারবাইজানের গোরানবয় জেলার আসাগি অ্যাগকেকেন্ড গ্রামে গোলা হামলা চালিয়ে বলে বাকুর তরফ থেকে জানানো হয়েছে। সাধারণ মানুষের জানমাল রক্ষায় কার্যকরি পদক্ষেপ অব্যাহত রাখার কথাও জানানো হয়।
রোববার আর্মেনিয়ার সেনাবাহিনী আজারবাইজানের সামরিক স্থাপনা এবং নাগরিকদের বসতিতে হামলা চালায়। এতে বেশ ক্ষয়ক্ষতি হয় বাকুর। পরে পাল্টা হামলা চালায় আজারবাইজান।
আর্মেনিয়া কর্তৃক যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন, দখলকৃত কারাবাখে হামলার ধারাবাহিকতায় কিছু শহর এবং এলাকাকে যুদ্ধাঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করেছে আজারবাইজানের পার্লামেন্ট।
কারবাখ সংঘাত
আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত আজারবাইনারে ভূখণ্ড আপার কারাবাখ ১৯৯১ সালে দখল করে নেয় আর্মেনিয়ার সেনাবাহিনী। এরপর থেকে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নভুক্ত দু’জাতির মধ্যে উত্তেজনা শুরু হয়।
নিরাপত্তা পরিষদের ৪টি এবং জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনের ২টি প্রস্তাবনাসহ আন্তর্জাতিক অনেক সংস্থা দখলকৃত ভূমি থেকে আর্মেনিয়ার প্রত্যাবর্তন দাবি করলেও তা আমলে নেয়নি আর্মেনিয় সরকার।
১৯৯২ সালে ফ্রান্স, রাশিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের সমন্বয়ে সংকট সমাধানের উপায় খুঁজার জন্য মিনস্ক গ্রুপ তৈরি হয়। ১৯৯৪ সালে একটি শান্তি চুক্তিও সই হয়। কিন্তু সংকট নিরসনে তা ভূমিকা রাখতে পারেনি।
দখলকৃত এলাকায় দ্রুত সংঘাত বন্ধে ফ্রান্স, রাশিয়া এবং ন্যাটোসহ অনেকে আহ্বান জানিয়েছে।

করোনা ভাইরাস লাইভ

আরও সংবাদ

করোনা ভাইরাস লাইভ ›

লাইভ অনুষ্ঠান বুলেটিন ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
সর্বশেষ সংবাদ
অনুসদ্ধান
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop