বাংলার সময় হাসপাতালে কিশোরী ধর্ষণ: তদন্তে বেরিয়ে এলো ওয়ার্ডবয়ের নাম

২৪-০৯-২০২০, ১২:০৭

ওয়েব ডেস্ক

fb tw
হাসপাতালে কিশোরী ধর্ষণ: তদন্তে বেরিয়ে এলো ওয়ার্ডবয়ের নাম
মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে আসা কিশোরীকে ধর্ষণের ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। ওই প্রতিবেদনে হাসপাতালের ওয়ার্ড বয়কে অভিযুক্ত করে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তির সুপারিশও করা হয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মামুনুর রশিদের কাছে বুধবার এ প্রতিবেদন জমা দেয়া হয়।  
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করে তিনি বলেন, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য প্রতিবেদন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর পাঠানো হয়েছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত ৩ সেপ্টেম্বর জ্বর ও শরীরে ব্যথা নিয়ে সাটুরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালের তিন তলায় নারী ওয়ার্ডে ভর্তি হয় ওই কিশোরী (১৬)। সে ধীরে ধীরে অনেকটাই সুস্থ হয়ে ওঠেন। ১১ সেপ্টেম্বর রাতে ওই ওয়ার্ডে দায়িত্ব ছিলেন ওয়ার্ড বয় মাজিদুল। ওই রাতে হাসপাতালের শয্যায় ঘুমিয়ে পড়েন কিশোরীর মা। কিন্তু কিশোরী জেগে ছিল, এ সময় মাজিদুল ওই কিশোরীকে ফুঁসলিয়ে হাসপাতালের নিচ তলায় নিয়ে যান। সেখানে হাসপাতালের একটি কক্ষে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করেন। একপর্যায়ে মেয়েটি অচেতন হয়ে পড়লে তাকে বারান্দায় ফেলে তিনি পালিয়ে যান। পরে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হলে রাতেই কিশোরীকে জেলা সদর হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়।
পরের দিন ১২ সেপ্টেম্বর (সোমবার) সকালে মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে কিশোরীর ভর্তি ও চিকিৎসা সংক্রান্ত নথিতে দেখা যায়, ওই কিশোরীকে হাসপাতালের পাঁচতলার নারী ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। ওই কিশোরীর শারীরিক সমস্যার কারণে স্পর্শকাতর স্থানে সেলাই দেয়া হয়েছে। ১৫ সেপ্টেম্বর মেয়েটিকে হাসপাতাল থেকে বাড়ি নিয়ে যায় পরিবারের লোকজন। প্রথমদিকে এ ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করেছিল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এক সপ্তাহ পর ঘটনা জানাজানি হওয়ায় গত শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) তদন্ত কমিটি গঠন করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। সাটুরিয়া হাসপাতালের শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. সাদিককে কমিটির প্রধান করে সাত সদস্যের কমিটি করা হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বিষয়টি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ওয়ার্ড বয় মাজিদুলকে বাঁচানোর জন্য বিয়ের নাটক সাজিয়ে ৯ দিন সময় পার করেছে গোপনে। কিন্তু স্থানীয়দের চাপে অবশেষে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
এ বিষয়ে সাটুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-ওসি মো. মতিয়ার মিঞা বলেন, মেয়েটি বা তার পরিবার থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ করেনি। মা ও মেয়েকে থানায় আনা হলে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেনি বলে জানান তারা।
সাটুরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার-পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মামুনুর রশিদ বলেন, সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করে এবং সব পক্ষের সঙ্গে কথা বলে তদন্ত কমিটি তাদের প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে। তবে ওই কিশোরী ধর্ষণের শিকার হয়েছে এমন কোনো অভিযোগ তাদের কাছে করেনি। সাংবাদিকদের কাছে ঘটনা শুনেই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। এ ঘটনায় ওয়ার্ড বয় মাজিদুলের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ মিলেছে। তাই হাসপাতালের সুনাম অক্ষুণ্ন রাখতে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়েছে।
 

করোনা ভাইরাস লাইভ

আরও সংবাদ

করোনা ভাইরাস লাইভ ›

লাইভ অনুষ্ঠান বুলেটিন ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
সর্বশেষ সংবাদ
অনুসদ্ধান
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop