বাংলার সময় চোখ বেঁধে যুবলীগ নেতাকে নির্যাতন (ভিডিও)

২৪-০৯-২০২০, ১০:৫৫

সুমন ইসলাম

fb tw
ফরিদপুরে চোখ বাঁধা অবস্থায় ভাঙ্গা উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ আরাফাত এবং পুলিশ পরিদর্শক আহাদুজ্জামানের কথোপকথনের ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে জেলার পুলিশ সুপার মো. আলিমুজ্জামান জানান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) জামাল পাশাকে আহ্বায়ক করে মঙ্গলবার রাতে এ কমিটি গঠন করা হয়।
কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন- সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাশেদুল ইসলাম ও ভাঙ্গা সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গাজী রবিউল ইসলাম।
যুবলীগ নেতা আরাফাত সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাতে ভিডিওটি ফেসবুকে আপলোড করেন।
ভিডিওতে দেখা গেছে, জিনসের প্যান্ট ও কোট পরা এক ব্যক্তির হাতে হাতকড়া। দুই চোখ গামছা দিয়ে বাঁধা। তার সামনে চেয়ারে বসা এক ব্যক্তি বলছেন, ‘তোর কী হইছে? কে মারছে? আমি তো তোগে লোক না। তোগে লোক হলে থানায় থাকতে পারতাম। আমি এমপি নিক্সন চৌধুরীর লোক।’
আরাফাতের দাবি চোখ বাঁধা ওই ব্যক্তি তিনি। আর চেয়ারে বসা ব্যক্তি পরিদর্শক আহাদুজ্জামান।
আরাফাত বলেন, গত ৫ জানুয়ারি সন্ধ্যায় কাউলিবেড়া এলাকা থেকে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে এবং ১০ ফেব্রুয়ারিতে জামিনে বের হন। হাতকড়া পরিয়ে গাড়ির মধ্যে চার জন পুলিশ সদস্য আমাকে মারধর করেন। পুখরিয়া এলাকায় আমাকে ডিবি পুলিশের গাড়িতে তুলে দেয়া হয়। তখন আমার চোখ বেঁধে ফেলা হয়। নানাভাবে ভয় দেখানো হয়। বলা হয়, তোকে ক্রসফায়ারে দেব। সকালের সূর্য তুই দেখতে পারবি না। আজই তোর শেষ রাত।
পরে আমাকে চেয়ারে পিছমোড়া করে বাঁধা হয়। এরপর আমার দুই পায়ে বেতের লাঠি দিয়ে অন্তত ৩০ মিনিট পেটানো হয়। ১০ মিনিট বিরতি দিয়ে আবার পেটানো হয়। পরে সেখানে আসেন জেলা গোয়েন্দা পুলিশের তৎকালীন ওসি আহাদুজ্জামান।
সেই ঘটনার ভিডিও আপলোড করেছেন বলে আরাফাতের দাবি। তবে ভিডিওটি কে করেছে বা কোথায় তিনি পেয়েছেন সে বিষয়ে কিছু জানাননি আরাফাত।
আহাদুজ্জামান ২০১৯ সালের ১৭ নভেম্বর থেকে ২০২০ সালের ১২ মার্চ পর্যন্ত জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি ছিলেন। পরে তাকে সদরপুর উপজেলার চন্দ্রপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ হিসেবে বদলি করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানেই আছেন।
তিনি  সাংবাদিকদের বলেন, আমি আরাফাতকে চোখ বাঁধা অবস্থায় পেয়েছি। তাকে মারধর করা হয়েছে কিনা জানি না। এর আগে আরাফাত আমাকে বলেছিলেন, আমি নাকি এমপি নিক্সন চৌধুরীর লোক। এর উত্তরে আমি বলেছি, ‘নিক্সন চৌধুরীর লোক হলে আমি থানাতেই থাকতে পারতাম। এ বিষয়ে তিনি আর কিছু জানেন না বলে দাবি করেন।
ভাঙ্গা, সদরপুর ও চরভদ্রাসন উপজেলা নিয়ে গঠিত ফরিদপুর-৪ আসনের বর্তমান সাংসদ মুজিবর রহমান চৌধুরী ওরফে নিক্সন। গত ২০১৪ ও ২০১৮ তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফর উল্যাকে পরাজিত করেন।
আরাফাত বলেন, আমাকে নির্যাতন করে ভিডিও করেছে যে সব কমর্কতা আমি তাদের বিচার চাই। যাতে আর কোনো আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীকে এভাবে নির্যাতন করা না হয়।

করোনা ভাইরাস লাইভ

আরও সংবাদ

করোনা ভাইরাস লাইভ ›

লাইভ অনুষ্ঠান বুলেটিন ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
সর্বশেষ সংবাদ
অনুসদ্ধান
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop