বাংলার সময় গোমতীর বালু উত্তোলন মামলার আদেশ ৪ অক্টোবর

২১-০৯-২০২০, ১৭:৩৩

বাহার রায়হান

fb tw
গোমতীর বালু উত্তোলন মামলার আদেশ ৪ অক্টোবর
গোমতী নদীর বালু মহাল দখল করে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগে কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আরফানুল হক রিফাতসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে একটা মামলা হয়েছে। ওই মামলার শুনানি শেষে আগামী ৪ অক্টোবর আদেশের জন্য দিন ধার্য করেন কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ১নং আমলি আদালতের বিচারক শাহানাজ মনির।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তিনি ওই মামলার শুনানির শেষে আদেশের নতুন তারিখ ধার্য করেন।
এর আগে রোববার আওয়ামী লীগ নেতা আরফানুল হক রিফাতসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেন মাহবুবুর রহমান নামের এক ব্যক্তি। তিনি মেসার্স এম. রহমান নামক ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের মালিক এবং গোমতী নদীর বালু মহালের ৫টি অংশের ইজারাদার। মাহবুবুর রহমান কুমিল্লা নগরীর নতুন চৌধুরী পাড়া এলাকার মৃত আবদুল মতিনের ছেলে।
মামলায় আরফানুল হক রিফাতের সঙ্গে আসামিরা হচ্ছেন, কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্যালেন মেয়র সৈয়দ মোহাম্মদ সোহেল, সদর উপজেলার পাঁচথুবী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাসান রাফি রাজু, আমীর হোসেন, শাহজাদা টুটুল, হাফিজুল ইসলাম, সাইফুল, নুরুজ্জামান শরমিনসহ মোট ১২ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মাসুদ সালাউদ্দিন বলেন, আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে ২০০ ধারায় বাদীর জবানবন্দি নিয়েছেন। আদালত মামলাটির আদেশ ৪ অক্টোবর আশা করছি এ ঘটনায় আদালতের কাছ থেকে আমরা ন্যায় বিচার পাবো।
মামলার বাদী মাহবুবুর রহমান এজাহারে উল্লেখ করেন, আরফানুল হক রিফাত ও তার লোকজন অবৈধভাবে গোমতী নদীর ১৩ টি ঘাট এবং সাথে ২৫টি নৌকা দিয়ে নদী থেকে ৩০ লক্ষ ঘনফুটের বেশি বালু উত্তোলন করেছে। যার মূল্য ২ কোটি ৭০ লাখ টাকা। কিন্তু তিনি বৈধ ইজারাদার হয়েও অবৈধ দখলকারীদের তৎপরতার কারণে ঠিকমতো নদী থেকে বালু উত্তোলন করতে পারছেন না। আমার নিযুক্ত কর্মীরা ইজারা স্থানে গেলে তাদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। তাদের ভয়ে আমার লোকজন নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছে। তারা যেকোন সময় প্রাণহানির মতো ঘটনাও ঘটাতে পারেন বলে মামলায় উল্লেখ করেন তিনি।
এদিকে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মেসার্স রিফাত কনস্ট্রাকশনের মালিক ও কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আরফানুল হক রিফাত।
তিনি বলেন, ওই ৫টি ঘাট অবৈধভাবে ইজারা নিয়ে মাহবুবুর রহমান নদীর মোট ২৯টি অংশ দখল করেছেন। তিনি উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অমান্য করে একের পর এক গোমতী নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছেন। আমি এবং আমার লোকজনের বিরুদ্ধে মামলায় যেসব অভিযোগ করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। আমি এ ঘটনায় গত ১৯ জুলাই উচ্চ আদালতে একটি রিট পিটিশন দাখিল করি। এরপর উচ্চ আদালত এই ইজারা প্রক্রিয়ার সকল কার্যক্রমের স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ প্রদান করেছেন। যা এখনও বহাল রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আমরা কোন বালু উত্তোলন করছি না। মূলত আমাদের আগের উত্তোলন করা বালুগুলো আমরা করোনার কারণে বিক্রি করতে পারিনি। আগে উত্তোলনের পর স্তূপ করে রাখা বালুগুলোই আমরা বিক্রি করছি। আর তারাই অবৈধভাবে বালু তুলছেন বলে দাবি করেন তিনি।

করোনা ভাইরাস লাইভ

আরও সংবাদ

করোনা ভাইরাস লাইভ ›

লাইভ অনুষ্ঠান বুলেটিন ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
সর্বশেষ সংবাদ
অনুসদ্ধান
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop