ভ্রমণ ঐতিহাসিক পম্পেই নগরীতে পর্যটকের আনাগোনা

০১-০৯-২০২০, ১০:১০

ভ্রমণ সময় ডেস্ক

fb tw
২১'শ বছর আগে ধ্বংস হয়েছিল ইতালির পম্পেই নগরী। ভিসুভিয়াস আগ্নেয়গিরির গলিত লাভায় দু’হাজার বাসিন্দার সবাই মারা যায়। এরপর ১৭৪৮ সালে মাটির নিচ থেকে শহরের সন্ধান মেলে। ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় থাকা পম্পেই নগরীতে গ্রীষ্মের ছুটিতে অনেকেই ছুটে গিয়েছেন।
করোনা সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির মধ্যেই ইতালির ভিসুভিয়াস আগ্নেয়গিরির ছোবলে বিধ্বস্ত পম্পেই নগরীতে ইটালিয় পর্যটকের কমতি নেই। অগ্ন্যুৎপাতের কারণে এই নগরীটি ধ্বংস স্তূপে পরিণত হয়। সেই ধ্বংসের স্মৃতিচিহ্ন দেখতেই আসছে মানুষ।
একজন বলেন, 'রোমান সাম্রাজ্যের একটি সুন্দর নগরী ছিল এই পম্পেই, যা ভিসুভিয়াসের অগ্ন্যুৎপাতে ধ্বংস হয়েছিল। ইতিহাসে পড়েছি, আজ চোখের সামনে দেখছি।'
আরেকজন বলেন, 'ইতিহাসে ভরা এই নগরী, অনেক সুন্দর। আমি বলব সুযোগ হলে এখানে আসতে ও এর ইতিহাস গভীর থেকে জানা প্রয়োজন।'
২০ ফুট উঁচু ছাই আর পাথরের নিচে চাপা পড়ে শহরটি। কথিত রয়েছে, নানা পাপাচারে লিপ্ত ছিল ওই নগরীর মানুষ। তবে ইতিহাসে এর কোনো সত্যতা মেলেনি। বহু বছর পর ১৭৪৮ সালে মাটির নিচ থেকে শহরটি সন্ধান পাওয়া যায়। তবে পরিষেবা ঘরবাড়ি ইত্যাদি দেখতেই এত পর্যটকদের ভিড় এখানে।
ভাইরাসের সংক্রমণ কমলে বিশ্বের দ্বিতীয় প্রত্নতাত্ত্বিক অঞ্চলটিতে পর্যটকদের ভিড় আরো বাড়বে বলে মনে করেন এখানে বসবাসকারী বাংলাদেশিরা।
বাংলাদেশিদের একজন বলেন, 'পম্পেই নগরী ধ্বংস হলেও পাশের শহরটি এখনও রয়েছে আগের মতই। পম্পেই নগরী ঘিরে গড়ে উঠেছে নানা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। ১৯৯৭ সালে ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে এটি।'

করোনা ভাইরাস লাইভ

আরও সংবাদ

করোনা ভাইরাস লাইভ ›

লাইভ অনুষ্ঠান বুলেটিন ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
সর্বশেষ সংবাদ
অনুসদ্ধান
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop