বাংলার সময় বেনাপোল বন্দরে পুলিশ মোতায়েন

১২-০৮-২০২০, ২২:১৩

বাংলার সময় ডেস্ক

fb tw
বেনাপোল বন্দরে পুলিশ মোতায়েন
বেনাপোল স্থল বন্দরের শ্রমিক নিয়ন্ত্রণ দখলের গুঞ্জনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এতে সাধারণ শ্রমিক ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। বুধবার (১২আগস্ট) বিকাল থেকে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে বন্দরের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি সড়কে পুলিশ মোতায়েন চোখে পড়ে।
জানা গেছে, দলীয় প্রভাব বিস্তার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় সংসদ সদস্য শেখ আফিল উদ্দিন ও বেনাপোল পৌর মেয়র আশরাফুল আলম লিটনের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলে আসছে। সম্প্রতি এ দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে রূপ নেয়। যখন যার দলীয় অবস্থান শক্ত হয় তাদের সমর্থকরা এক জন অন্য জনের কাছ থেকে বন্দরের নিয়ন্ত্রণ দখলে নেয়। এর আগে বেনাপোল বন্দরের শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি ছিলেন মেয়র সমর্থক নগর আলী ও সেক্রেটারি পৌর কমিশনার রাশেদ আলী। বর্তমানে বন্দরের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে এমপি সমর্থক বেনাপোল বন্দরের ৯২৫ শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি রাজু আহম্মেদ এবং সেক্রেটারি উপজেলা যুবলীগের সভিপতি ও জেলা পরিষদের সদস্য ওহিদুল ইসলাম ওহিদ।
সম্প্রতি বন্দরের সাধারণ শ্রমিকদের রক্ত, ঘাম ঝরানো অর্থ এক কোটি ৩২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বন্দরের ৮৯১ শ্রমিক ইউনিয়নের নেতা নকি মোল্লাকে বন্দরের নেতৃত্ব থেকে বাদ দিয়ে দেয়া হয়। বিষয়টি নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে বন্দরে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। দ্বন্দ্বের কারণে আবারো বিভক্ত হয়ে দুটি গ্রুপ তৈরি হয়। অভিযোগ উঠেছে বিভিন্ন কারণে বন্দরের নেতৃত্ব থেকে বিদায় নেওয়া সাবেক শ্রমিক নেতাদের কয়েকজন একত্রিত হয়ে তাদের অবস্থান ফিরে পেতে বন্দরের শ্রমিক নেতৃত্ব দখলের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এমন অভিযোগে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ এড়াতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
৯২৫ শ্রমিক ইউনিয়নের সেক্রেটারি ওহিদুল ইসলাম জানান, বর্তমানে বন্দরে শ্রমিকরা শান্তির সাথে কাজ করে আসছে। কিন্তু একটি পক্ষ তা ভালভাবে না নিয়ে ষড়যন্ত্র করে বন্দরের সুন্দর পরিবেশ নষ্ট করতে চাইছে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে নিরাপত্তা চাওয়া হলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
বেনাপোল বন্দরের ৮২৫ শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি এমপি সমর্থক কলিম উদ্দীন বলেন, যারা বিভিন্ন সময় শ্রমিকদের অর্থ আত্মসাৎ করে বিতাড়িত হয়েছেন তারাই নেতৃত্ব দখলের অপচেষ্টা চালাচ্ছেন।
সাবেক বন্দরের শ্রমিক ইউনিয়নের কয়েকজন নেতা মেয়র সমর্থকরা পাল্টা অভিযোগ তুলে জানান, বর্তমানে যারা দায়িত্বে রয়েছে তারা ক্ষমতার অপব্যবহার করে তাদেরকে বন্দরের কাজ থেকে বাদ দিয়েছে। শত্রুতামূলক তাদের নামে বিভিন্ন অভিযোগও তুলছেন। তবে অধিকার ফিরে পাওয়ার জন্য কোন ষড়যন্ত্রের সাথে নেই। জনপ্রিয়তা থাকলে সাধারণ শ্রমিকরা তাদেরকে আবার নেতৃত্বে ফিরিয়ে আনবেন বলে মন্তব্য করেন তারা।
বন্দর নিরাপত্তায় নিয়োজিত পুলিশের এসআই ইলিয়াস হোসেন জানান, বন্দরের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুটি গ্রুপের সংঘর্ষ রোধে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তারা বন্দর এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করেছেন।

করোনা ভাইরাস লাইভ

আরও সংবাদ

করোনা ভাইরাস লাইভ ›

লাইভ অনুষ্ঠান বুলেটিন ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
সর্বশেষ সংবাদ
অনুসদ্ধান
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop