বিনোদনের সময় হলুদ ছিল সুশান্তের দেহ, আত্মহত্যায় সেটা হয় না: অ্যাম্বুলেন্স চালক

১১-০৮-২০২০, ১৩:৫৫

বিনোদন সময় ডেস্ক

fb tw
হলুদ ছিল সুশান্তের দেহ, আত্মহত্যায় সেটা হয় না: অ্যাম্বুলেন্স চালক
থামছে না বিতর্ক। ৫৬ দিনেও সুরাহা হয়নি সুশান্তের মৃত্যু রহস্য। যত তদন্ত হচ্ছে ততই বের হয়ে আসছে নানা তথ্য। যার ফলে রহস্য বাড়ছে প্রতিদিনই।
তদন্তের কূল কিনারা করতে সুশান্তের সংস্পর্শে আসা নানা মানুষজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে তদন্তকারী দল। সেই তদন্তের মুখে এবার মুখ খুললেন সেই অ্যাম্বুলেন্স চালক যিনি সুশান্তের মৃতদেহ তার বান্দ্রার ফ্ল্যাট থেকে কুপার হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলেন। 
অ্যাম্বুলেন্স চালকের নাম অক্ষয় ভান্ডগর। তার অভিযোগ, প্রথমে তার কাছে একটি উড়ো নম্বর থেকে ফোন আসে। ফোনে বলা হয়, অ্যাম্বুলেন্সের ভেতর সুশান্ত জীবিত ছিল। তোমরাই সুশান্তকে মেরেছ, ঈশ্বর তোমাদের শাস্তি দেবেন।
অক্ষয় ভান্ডগরের অভিযোগ, অজানা নম্বর থেকে প্রতিদিন প্রায় ৩শ বারেরও বেশি ফোন আসছে। প্রতিটি ফোনেই কে বা কারা তাকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করছেন, তা তিনি জানেন না।
অনেকে আবার ফোন করে এও বলেছেন, তার দোষেই সুশান্তের মৃত্যু হয়েছে। অ্যাম্বুলেন্স দেরি করে নিয়ে আসার জন্যই সুশান্তের এই পরিণতি হয়।
তবে অক্ষয় ভান্ডগরের দাবি, আত্মহত্যায় মৃত্যু হয়েছে এমন বহু দেহ তিনি দেখেছেন। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই তার ধারণা, আত্মহত্যা নয়, খুনই করা হয়েছে সুশান্তকে।
অক্ষয় ভান্ডগর জানান, যখন অ্যাম্বুলেন্স পৌঁছায়, সুশান্তের দেহ তখন সাদা কাপড়ে মোড়া ছিলো। ঘটনাস্থলে ছিল মুম্বাই পুলিশ। অ্যাম্বুলেন্সের কর্মীরা অভিনেতার ঘর থেকে দেহ স্ট্রেচারে করে নামিয়ে গাড়িতে তোলেন।
এদিকে মুম্বাই পুলিশের ভূমিকা নিয়ে অভিযোগ আছে সুশান্ত ভক্তদের। ভক্তদের দাবি, আত্মহত্যার ক্ষেত্রে ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরাই ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করতে পারেন। এক্ষেত্রে তা হয়নি। কাজেই, মুম্বাই পুলিশ যে প্রমাণ নষ্টের চেষ্টা করেনি, সেটা কে হলফ করে বলতে পারে?'
অ্যাম্বুলেন্স চালক জানান, সুশান্ত সিং রাজপুতের পুরো দেহ হলুদ হয়ে গিয়েছিল। সাধারণত কেউ আত্মহত্যা করলে, শরীর হলদে হয় না। যদিও বা হয়, আগাগোড়া দেহ কখনওই হলদে হয় না। আত্মরক্ষার জন্য যখন কেউ হাত-পা চালান, লাথি মারার চেষ্টা করেন, তখন তার পা যেভাবে মোড়া থাকে, সেভাবে মোড়া ছিল সুশান্ত সিং রাজপুতের পা।
অক্ষয় ভান্ডগর আরও জানান, সুশান্তের পায়ের নানা জায়গা থেঁতলে গিয়েছিল। গলায় ফাঁস লাগিয়ে ঝুললে গোটা শরীরে রক্ত জমাট বাঁধার দাগ থাকে। সুশান্তের ক্ষেত্রে তেমনটা ছিল না। শুধুমাত্র পায়ের নানা স্থানে দগদগে ক্ষত ছিল! এটা কীভাবে সম্ভব ? দেখে মনে হচ্ছিল কেউ খুব জোরে পায়ে আঘাত করেছে।
সূত্র: নিউজ১৮ বাংলা

করোনা ভাইরাস লাইভ

আরও সংবাদ

করোনা ভাইরাস লাইভ ›

লাইভ অনুষ্ঠান বুলেটিন ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
সর্বশেষ সংবাদ
অনুসদ্ধান
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop