সাক্ষাৎকার হিরোশিমা-নাগাসাকিতে বেঁচে যাওয়া তিন নারীর সাক্ষাৎকার

০৩-০৮-২০২০, ২৩:১৭

কামরুল হাসান সবুজ

fb tw
হিরোশিমা-নাগাসাকিতে বেঁচে যাওয়া তিন নারীর সাক্ষাৎকার
তখন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলছে। ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট সকালে যুক্তরাষ্ট্র, জাপানের হিরোশিমা শহরে ‘লিটল বয়’ নামে পারমাণবিক বোমা ফেলে এবং এর তিনদিন পর নাগাসাকি শহরে ‘ফ্যাটম্যান’ নামে আরেকটি পারমাণবিক বোমার বিস্ফোরণ ঘটায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। অনুমান করা হয়, ১৯৪৫ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে ওই হামলার সাড়ে ৩ লাখ জনসংখ্যার হিরোশিমা শহরের প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার বাসিন্দা মারা যান।
নাগাসাকিতে প্রায় ৭৪ হাজার মানুষ মারা যান। পরবর্তীতে এই দুই শহরে বোমার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় সৃষ্ট রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান আরও ২ লাখ ১৪ হাজার জন। জাপানের আসাহি শিমবুন’র হিসাব অনুযায়ী বোমার প্রতিক্রিয়ায় সৃষ্ট নানা রোগে হিরোশিমায় ২ লাখ ৩৭ হাজার আর নাগাসাকিতে ১ লাখ ৩৫ হাজার লোকের প্রাণহানি ঘটে। মৃতদের অধিকাংশই ছিলেন বেসামরিক।
জাপানের আত্মসমর্পণের পেছনে এই বোমাবর্ষণের ভূমিকা ও এর প্রতিক্রিয়া এবং যৌক্তিকতা নিয়ে অনেক বিতর্ক রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের অধিকাংশ মনে করেন ওই বোমা বর্ষণের ফলে ২য় বিশ্ব যুদ্ধ অনেক মাস আগে শেষ হয়েছে। এটা না হয়ে পূর্ব-পরিকল্পিত জাপান আক্রমণ (invasion) হলে উভয়পক্ষের যে বিপুল প্রাণহানি হতো তা আর ঘটেনি। জাপানের সাধারণ জনগণ মনে করেন এই বোমা হামলার প্রয়োজন ছিল না। কেননা জাপানের বেসামরিক নেতৃত্ব যুদ্ধ থামানোর জন্য কাজ করে যাচ্ছিল।
ব্রিটিশ ফটো-সাংবাদিক লি ক্যারেন স্টো, তিনি ইতিহাসে উল্লেখযোগ্য ঘটনা প্রত্যক্ষ করা নারীদের কাহিনী নিঁপুণ হাতে তুলে আনতে বেশ পারদর্শী। তেমনি তিন নারী যাদের স্মৃতিতে এখনও জ্বলজ্বল করছে ৭৫ বছর আগের সেই বোমা হামলার ঘটনা তাদের সাক্ষাৎকার ও ছবি তুলেছেন লি ক্যারেন স্টো। বিবিসিতে প্রকাশিত সেই সাক্ষাৎকার তুলে ধরা হল।
তেরুকো ইউনো:
১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট জাপানের হিরোশিমায় পারমানবিক বোমা হামলার সময় ১৫ বছরের কিশোরী ছিলেন তেরুকো ইউনো। তেরুকো তখন হিরোশিমা রেডক্রস হাসপাতালের নার্সিং স্কুলের ২য় বর্ষের শিক্ষার্থী। 
ওই বোমা হামলার সঙ্গে সঙ্গেই তাদের কলেজের হাসপাতালের ডরমেটরিতে আগুন লেগে যায়। ওই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সেদিন রীতিমতো যুদ্ধ করতে হয়েছিল তাকে। অগ্নিশিখায় অনেক শিক্ষার্থীই সেদিন আর বাঁচেননি, বেঁচে থাকার সব স্বপ্ন-আহ্লাদকে এক মুহূর্তে কবর দিয়ে মৃত্যুকে আলিঙ্গন করতে হয়েছিল তাদের। 
সেদিনের পর থেকে তাকে দিনরাত কাজ করতে হয়েছিল মানবতার বিজয়ে। যারা মারাত্মক জখম হয়েছিলেন তাদের সেবায় নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। এমনকি ঠিক মতো খাদ্য-পানিও পাননি সেসময়ে। 
গ্র্যাজুয়েশন শেষে তেরুকো আবার সেই হাসপাতালেই ফিরে আসেন। সেখানে তিনি আহতদের স্কিন গ্রাফট অপারেশন কাজে সাহায্যকারী হিসেবে কাজ শুরু করেন। পরে তাতসুয়েকি নামে একজনকে বিয়ে করেছিলেন তেরুকো। তাতসুয়েকিও ওই পারমানবিক বোমা হামলার হাত থেকে বেঁচে ফিরেছিলেন। তেরুকো যখন প্রথমবারের মতো সন্তানসম্ভাবা হন, তখন তিনি খুব উদ্বিগ্ন ছিলেন তার সন্তান কি সুস্থভাবে জন্ম গ্রহণ করবে; দুনিয়ায় এসে কি তার নাড়ীছেঁড়া ধন বেঁচে থাকবে! এমন সব নানা দুশ্চিন্তা তার মাথায় ঘুরপাক খেতো সব সময়। 
ওই মানুষ মারার ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে তেরুকো বলেন, 'আমি নরক দেখিনি। আমি জানি না নরক কেমন। তবে, মনে হয় নরক সম্ভবত এমনই হবে, ৭৫ বছরের আগে হিরোশিমায় যেমনটা ঘটেছিলো, আমরা যা দেখেছিলাম। এমন ঘটনা পৃথিবীতে আর কখনই ঘটতে দেয়া উচিত নয়।' 
তুমকো, তরুকোর মেয়ে। যে মায়ের পেটে থাকাকালীন সুস্থভাবে জন্ম নেয়ার প্রত্যাশায় মাকে দুশ্চিন্তায় রাখতো সব সময়। সেই তুমকো বলেন, 'মানুষ বলতো বছরের পর বছর এখানে কোন ঘাস বা গাছ- কোন কিছুই জন্মাবে না। কিন্তু, দেখুন হিরোশিমা তার সবুজ-সুন্দর প্রাকৃতিক দৃশ্যপটে বহমান নদী নিয়ে আবার ফিরে এসেছে। যদিও ওই ঘটনার তেজস্ক্রিয়তার প্বার্শপ্রতিক্রিয়া বয়ে বেড়াতে হচ্ছে জাপানি নাগরিকদের (হিবাকুশা)। 
যখন পুরো ধংসস্তুপে পরিণত হওয়া হিরোশিমার স্মৃতি আমাদের মনকে কাঁদিয়ে তুলে তখন আমরা সমবেত হয়ে রাস্তায় দাঁড়াই। আগামী তো আমাদেরই হাতে। শান্তি তখনই সম্ভব যদি আমরা তা কল্পনা করতে পারি, মানুষকে নিয়ে ভাবতে পারি। আমরা কি করতে পারি তা বের করতে হবে এবং কল্যাণকর কাজ করতে হবে এবং আমরা যদি অক্লান্তভাবে পৃথিবী গঠনে কাজ করে যাই তাহলে পৃথিবী অবশ্যই শান্তির আস্তানা হবে। এভাবেই আগামীর পৃথিবীর কথা বলেন তুমকো।
হিরোশিমার ওই ইতিহাস সম্পর্কে তেরুকোর নাতনী কুনিকো বলেন, 'পারমাণবিক যুদ্ধের অভিজ্ঞতা আমার নাই। আমি শুধু জানি হিরোশিমাকে কিভাবে আবার তৈরি হতে হয়েছে। আমি শুধু কল্পনাই করতে পারি। তাই প্রত্যেক হিবাকুশা (ওই বোমা হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত) যা বলেন আমি খুব মন দিয়ে তা শুনি। পারমাণবিক বোমা হামলার নানা তথ্য-উপাত্ত নিয়ে আমি ঘাটাঘাটি করি। 
এরপর শুকনো ঠোঁটে কুনিকো কল্পনায় ভর দিয়ে বলতে থাকেন, 'একদিন এই শহরের সবকিছু পুড়ে গিয়েছিল...মানুষ... পাখি... ফঁড়িং... ঘাস... গাছ...  সব... সবকিছু... তারপর যারা উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করতে এই পোড়া নগরীতে এল, যারা তাদের মৃত স্বজনদের পেল- তারাও বেঁচে থাকলো সেদিন মরে না যাওয়ার ক্ষত নিয়ে।'
আমি শুধু হিরোশিমা-নাগাসাকির হিবাকুশাদের কাছেই আসি না যারা ইউরোনিয়াম খনিতে কাজ করেন, যারা এসব খনির আশপাশের বাসিন্দা, যারা পারমাণবিক অস্ত্রের উন্নয়ন ও পরীক্ষার সঙ্গে যুক্ত এবং যারা পারমাণবিকের ক্ষতির শিকার আমি তাদেরও খুব কাছে আসার চেষ্টা করি। এভাবেই তার শহরে ৭৫ বছর আগে ঘটে যাওয়া নৃশংস ঘটনা সম্পর্কে খুঁটিনাটি জানার আগ্রহ জানান কুনিকো। 
এমিকো ওকাদা:
ওকাদা তখন মাত্র ৮ বছরের শিশু। তার বোন মিইওকোসহ তার পাঁচ স্বজন হিরোশিমার ওই পারমাণবিক বোমা হামলায় মরে যান। ওই ঘটনায় এমিকো ও তার পরিবারের অনেক বেঁধে রাখা ছবি হারিয়ে গেছে। কারণ, তার বোনসহ তারাই সেদিন হারিয়ে গেছে যারা এসব সংরক্ষণ করে রাখত। 
যেন এই তো সেদিনের ঘটনা সেভাবেই বলতে শুরু করেন এমিকো, আমার বোন সেদিন সকালে ঘর থেকে বের হল... আবার আমাদের দেখা হবে... আমার ১২ বছরের ওই বোনের সামনে তখনও তার পুরো জীবন পড়েছিল। কিন্তু সে আর কখনই ফিরে এলো না। কেউ জানাতেও পারল না কি হয়েছিল তার...  
আমার বাবা-মা তাকে কাছে পেতে পাগলের মতো খুঁজতে শুরু করলেন। কোথাও তার সন্ধান পেলেন না। তবুও তারা অনবরত বলতে শুরু করলেন কোথাও না কোথাও আমার বড় বোন জীবিতই আছে। আমার মা তখন সন্তানসম্ভাবা ছিলেন। তার গর্ভপাত হল।  
আমাদের কোন খাবার ছিল না। রেডিয়েশন সম্পর্কে আমাদের কোন ধারণা ছিল না। তাই আমরা যা পেলাম তা কুড়িয়ে আনলাম। কারণ, তখন সেখানে কোন খাবার ছিল না। মানুষ চুরি শুরু করল। খাদ্যাভাব ছিল সবচেয়ে বড় সমস্যা। আর যেটুকু নিরাপদ পানি পাওয়া যেত তা খুবই সুস্বাদু লাগত। তারপর দেখলাম বেঁচে থাকার জন্য চরম যুদ্ধ যা সকলকে ওই ঘটনার আড়ালে নিয়ে গেল।     
সে সময় আমার মাথার চুল পড়ে যেতে শুরু করল। মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়তে লাগল। আমি ভীষণ রকম ক্লান্ত থাকতাম। প্রায় সব সময়ই শুয়ে থাকতাম। আমাদের কারও তখন কোন ধারণা ছিল না রেডিয়েশন আসলে কী। এর ১২ বছর আমার আল্পাস্টিক অ্যানেমিয়া ধরা পড়ে। 
প্রতিদিন যখন সূর্যাস্তের সময় আকাশ গাড় লাল রংয়ের হয়ে যায় তখন সেই দৃশ্য ওই সেদিনের আগুনে লালের মতো লাগে যা হিরোশিমায় দেখেছিলাম। আমি তখন কাউকে কোন সহযোগিতা করতে পারিনি। তিনদিন তিনরাত ধরে পুড়েছিল আমাদের প্রিয় শহরটি। আমি এখনও সূর্যাস্তকে জঘন্য রকমের ঘৃণা করি। এমনকি এখনও প্রতিদিনের সূর্যাস্ত সেদিন হঠাৎ জ্বলে ওঠা আমার শহরের কথা মনে করিয়ে দেয়। অনেক হিবাকুশা সেদিনের কোন গল্প-কথা বলে না। তাদের ভালো থাকার বিষয় নিয়েও কিছু বলে না। তারা পারে না তাই আমি বলি।
অনেক মানুষ শান্তির পৃথিবী নিয়ে অনেক কথা বলেন। কিন্তু আমি চাই তাদের যারা সত্যিকার অর্থে এটা নিয়ে কাজ করতে চায়। আমি চাই প্রত্যেকেই শান্তির পৃথিবী গঠনে কাজ শুরু করুক। আমিও আমার জন্য, আমার সন্তানের জন্য, আমার নাতি-নাতনীর জন্যও তাই করতে চাই। তারাই আমাদের ভবিষ্যত। আমি চাই তারা সেই পৃথিবীতে থাকুক যে পৃথিবী তাদের প্রতি মুহূর্তে হাসিখুশি রাখবে।    
রেইকো হাদা:
১৯৪৫ সালের ৯ আগস্ট সকাল ১১টা ২ মিনিটে যখন নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমা হামলা চালানো হয় তখন রেইকো হাদা নয় বছরের শিশু। 
রেইকো সেদিন বাড়িতেই ছিলেন। কারণ, সেদিন সকালে নাগাসাকিতে বিমান হামলার আশঙ্কা ছিল। পরিষ্কারভাবে হামলা সতর্কতার ঘোষণা বারবার শোনার পরও তিনি তাদের বাড়ির পাশের মন্দির চলে যান। তাদের প্রতিবেশি অনেকে স্কুলে না গিয়ে ওই মন্দিরে পড়াশোনা করত। কিন্তু ৪০ মিনিট পড়ানোর পর মন্দিরের শিক্ষক ক্লাস বন্ধ করে দেন। তখন রেইকো আবার বাড়ি ফিরে আসেন। 
আমি সবেমাত্র আমার ঘরে ঢুকছিলাম; মনে হয় এক পা দিয়েওছি। ঠিক তখনই এই ঘটনা ঘটল। আমার চোখে আলোর ঝলকানি দেখলাম। সেই আলোর ঝলক ধীরে ধীরে হলুদ, খাঁকি আর কমলার মিশ্রণ হয়ে গেল। আমি কিছু ভাবতে পারতে পারছিলাম না এটা আসলে কি ঘটল। এরপর দ্রুত সব পুরোপুরি সাদা হয়ে গেল। এবং এটা হতে তেমন কোন সময় নিল না। আমার মনে হল আমরা সবাই একা হয়ে গেলাম। পর মুহূর্তেই বিকট শব্দ হল এবং আমি নিষ্প্রভ হয়ে গেলাম।
তারপর আমার মনে হল আমাদের শিক্ষকরা আমাদের শিখিয়েছিলেন বিমান হামলাকালে জরুরিভাবে বিমান আক্রমণ আশ্রয় কেন্দ্রে যাওয়ার ব্যাপারে। তাই বাড়ির ভেতরে আমি আমার মাকে খুঁজলাম এবং আমরা আশ্রয় কেন্দ্রে গেলাম। আমার শরীরে একটা মাত্র আঁচড়ের দাগও নাই। সেদিন আমাদের কনিপিরা পর্বত আমি ও আমাদের রক্ষা করেছিল। কিন্তু পর্বতের ওপাশের মানুষজনদের অভিজ্ঞতা ছিল একদম ভিন্ন। তারা সেদিন এক মুহূর্তেই নৃশংসতার শিকার হয়েছিল। 
অনেকে কনিপিরা পর্বত পার হয়ে উড়তে উড়তে আমাদের এলাকায় চলে আসতে লাগল। তাদের কারও চোখ বের হওয়া, কারও মাথার চুল ছিঁড়ে গেছে, প্রায় সকলেই নগ্ন, মারাত্মকভাবে ঝলসে যাওয়া তাদের শরীরের চামড়া ঝুলে পড়েছে। আমাদের সম্প্রদায়ের আরও অনেক মহিলার সঙ্গে আমার মা পাশের একটি বাণিজ্যিক কলেজের অডিটোরিয়ামে চাদর ও তোয়ালে বিছালেন, যেন ওই মানুষগুলো সেখানে শুয়ে পড়তে পারে। 
তারা পানি চাচ্ছিল। আমাকে পানি দিতে বলা হল। আমি চিপযুক্ত বাটি নিয়ে কাছাকাছি একটি নদীতে পানি আনতে গেলাম এবং নিয়ে এলাম তাদের পান করানোর জন্য। কিন্তু এক চুমুক করে পানি খাওয়ার পরই তারা অনেকে মরে গেল। একজনের পর একজন মরে যেতে লাগল তারা। 
তখন গ্রীষ্মকাল ছিল। পোকা ও ভয়াবহ গন্ধের কারণে মৃতদেহগুলো দ্রুত পুড়িয়ে ফেলা হচ্ছিল। কলেজের সুইমিংপুলে মৃতদের স্তূপ করা হচ্ছিল এবং ফেলা দেয়া কাঠ-খড়কুটা দিয়ে তাদের পোড়ানো হচ্ছিল। এটা অসম্ভব ছিল যারা সেই স্তূপের মধ্যে ছিল তাদের চেনা। মানুষ যেভাবে মরে তারা সেভাবে মরেনি। আমি আশা করি আগামী প্রজন্ম এমন কোন অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যেতে হবে না। আমরা অবশ্যই এমন পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহার আর হতে দিব না। 
হ্যাঁ এটা ঠিক, মানুষই শান্তি আনে মানুষের মাঝে। আমরা ভিন্ন দেশে বাস করি, ভিন্ন ভাষায় কথা বলি কিন্তু 'শান্তি'র জন্য আমরা সবাই এক। এভাবেই নিজের সেসময়ের অভিজ্ঞতার কথা শেষ করেন রেইকো হাদা।

করোনা ভাইরাস লাইভ

আরও সংবাদ

করোনা ভাইরাস লাইভ ›

লাইভ অনুষ্ঠান বুলেটিন ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
সর্বশেষ সংবাদ
অনুসদ্ধান
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop